• Skip to primary navigation
  • Skip to main content
  • Skip to primary sidebar

রূপকথন

Healthier Lifestyljhhe Choices

  • Facebook
  • Home
  • Shop
  • Blog
    • মেকআপ
      • ব্রাইডাল মেকআপ
      • সেলিব্রিটি মেকআপ
      • চোখের সাজসজ্জা
      • মুখের রূপসজ্জা
      • লিপ মেকআপ
      • মেকআপের ধারণা
      • মেহেদী ডিজাইন
      • নখের ডিজাইন
    • চুলের যত্ন
    • ত্বকের যত্ন
    • চুল স্টাইল
    • স্বাস্থ্য ও সুখ
      • ফিটনেস
      • স্বাস্থ্যকর খাবার
      • ওজন বৃদ্ধি
      • ওজন কমানো
      • যোগ ব্যায়াম
      • ডায়েট টিপস
      • আয়ুর্বেদ
  • Contact Us

SKIN CARE (ত্বকের যত্ন)

মুলতানি মাটির ১১ টি সহজ ফেইস প্যাক [যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের গোপন রহস্য]

by Mohona Leave a Comment

পারলারে গিয়ে ফেইস ক্লিনআপ অথবা ফেসিয়াল করার ব্যাপারে কি আপনি খুব বেশি বাজেট সচেতন? তাহলে আপনি মুলতানি মাটি ব্যবহার করে দেখতে পারেন – আপনার ত্বকের সকল সমস্যা থেকে মুক্তির একটি প্রাকৃতিক সমাধান।

আপনি হয়তো এতক্ষনে বুঝে ফেলেছেন, আমরা সম্পূর্ণ লিখাটি উৎসর্গ করেছি আপনি মুলতানি মাটি কত রকমভাবে ব্যবহার করতে পারবেন তার উপর।

মসৃণ ও কোমল ত্বক পাওয়া থেকে শুরু করে, মুখের কালো দাগ এবং ত্বকের অমসৃণতা দূর করা পর্যন্ত – মুলতানি মাটির কাছে সব সমস্যার সমাধান আছে। এটি একটি চমৎকার ত্বক পরিষ্কারক হিসেবেও পরিচিত। মুলতানি মাটি সূর্যের তাপ এবং দূষিত বায়ূতে যাওয়ার ফলে ত্বকের ভিতরে যে দূষিত তেল, ধূলাবালি এবং ত্বকে সঞ্চিত মৃত কোষ আছে তা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

এই চমৎকার উপকরণটির সম্পর্কে জানতে আরো পড়তে থাকুন এবং জানুন আপনার মুখের সমস্যাগুলো দূর করতে এই মাটি দিয়ে তৈরি বিভিন্ন ফেইস প্যাক কিভাবে ঘরে বানাবেন।

মুলতানি মাটি কি?

মুলতানি মাটি আসলে কি? কেন এটি মুলতান শহরের নামে নামকরণ করা হয়েছে?

আঠারোশ শতাব্দীতে, মুলতান শহরের মাটির নিচ থেকে চুনযুক্ত কাদামাটির দলা বের করা হয়েছিল, এবং শহরের অধিবাসীরা এর আশ্চর্যজনক পরিষ্কারক বৈশিষ্ট্য দেখে খুবই বিস্মিত হয়েছিল। এর জনপ্রিয়তা এত বেশি বেড়ে গিয়েছিল যে এটি দিয়ে পুরাতন স্মৃতিসৌধগুলিকে পরিষ্কার ও পুনঃনির্মাণের জন্য সুপারিশ করা হয়েছিল।

এবং এখন, কয়েক বছর পর, মুলতানি মাটি প্রত্যেক পরিবারের একটি অংশ হয়ে উঠেছে, এবং এই মাটি কয়েকটি উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হত – ত্বককে ঠান্ডা করা থেকে শুরু করে ত্বক উজ্জ্বল করা পর্যন্ত। এই ঐতিহ্যবাহী উপাদান খনিজ পদার্থ সমৃদ্ধ, যেমন অ্যালুমিনিয়াম সিলিকেট, যা উচ্চ শোষন ক্ষমতার বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন যা ত্বককে সতেজ এবং উজ্জ্বল করে তুলে।

তৈলাক্ত ও ব্রণ-প্রবণ ত্বকের জন্য মুলতানি মাটি অত্যন্ত উপকারী। এর ভিতরে থাকা চুন ক্ষতিকর ব্যাক্টেরিয়া মেরে ফেলে এবং অতিরিক্ত তেল ও ধূলাবালি দূর করে, ত্বককে পরিষ্কার ও নরম করে তুলে। এটি ত্বকে ঠান্ডা অনুভুতি প্রদান করে এবং ব্রণের কারণে সৃষ্ট তীব্র প্রদাহ থেকে মুক্তি প্রদান করে। এই মাটি ত্বককে টান টান করতে সাহায্য করে, যা ত্বকের বলিরেখা দূর করে। আপনার শুষ্ক ত্বকই হোক অথবা স্বাভাবিক ত্বকই হোক না কেন, মুলতানি মাটি আপনাকে কখনই হতাশ করবে না।

মুলতানি মাটি যখন বেশ কিছু উপাদানের সাথে ব্যবহার করা হয় তখন আরো উপকারী হয়ে উঠে। চলুন দেখে নেই কিভাবে!

মুলতানি মাটির ফেইস প্যাক

1. তৈলাক্ত ত্বক।

২. মসৃণ ত্বক।

৩. দাগহীন ত্বক।

৪. উজ্জ্বল ত্বক।

৫. ডার্ক প্যাচেস দূর করে।

৬. টান টান এবং তেলহীন ত্বক।

৭. ফর্সা করা।

৮. মসৃণ ত্বক।

৯. পিগমেন্টেড ত্বক।

১০. রোদে পোড়া।

১১. ব্রণ বা মেছতার দাগ।

১. তৈলাক্ত ত্বকের জন্য

মুলতানি মাটি এবং গোলাপ জলের ফেইস প্যাক

আপনার তেল চিটচিটে ত্বক এবং ব্রণ প্রবণ ত্বক নিয়ে সমস্যায় ভুগছেন?

মুলতানি মাটি এবং গোলাপ জলের পেস্ট ফেইস প্যাক হিসেবে ব্যবহার করলে এই প্যাক আপনাকে তৈলাক্ত এবং অনিয়ন্ত্রিত ত্বককে কিছু দিনের মধ্যে বিদায় বলতে সাহায্য করবে। মুলতানি মাটি এবং গোলাপ জলের মাস্ক আপনার ত্বকের pH স্তরের ভারসাম্য রক্ষা করে, প্রাকৃতিকভাবে ত্বককে ঠান্ডা করে এবং তৈলাক্ততা হ্রাস করে। এটি বাহিরের ত্বকের মৃত চামড়া দূর করে আপনাকে তেলবিহীন এবং উজ্জ্বল ত্বক প্রদান করে।

উপকরণ

  • ছোট কাপের ১ কাপ মুলতানি মাটি
  • ২ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি

কিভাবে বানাবেন

  • মুলতানি মাটি এবং গোলাপ জল একসাথে মিশিয়ে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন।
  • এই ঘরোয়া সুন্দর সুবাসযুক্ত প্যাকটি আপনার মুখে সমানভাবে লাগান এবং ১৫ মিনিট রেখে দিন।
  • পুরোপুরি শুকিয়ে যাওয়ার পর ধুয়ে ফেলুন। আপনার ত্বক মসৃণ এবং তেলহীন হবে।

ভালো ফল পাওয়ার জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার ব্যবহার করুন।

২. মসৃণ ত্বকের জন্য

মুলতানি মাটি, বাদাম এবং দুধের ফেইস প্যাক

আপনি কি এমন একটি ত্বক চান যা একটি শিশুর ত্বকের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে?

মুলতানি মাটি যখন বাদাম এবং দুধের সাথে মিশানো হয়, আপনার ত্বক আরো মসৃণ ও কোমল করে তুলে। তবে, আমাদের অনেকে কাছে এটা আশীর্বাদ স্বরূপ, বিশেষ করে যারা শুষ্ক ত্বকের অধিকারী এবং ত্বকে সামান্য ময়েশ্চার পাওয়ার জন্য উদ্বিগ্ন থাকে।

উপকরণ

  • ১ টেবিল চামচ ভেঙ্গে গুড়ো করা বাদাম
  • ১ টেবিল চামচ কাঁচা দুধ
  • ছোট কাপের ১ কাপ মুলতানি মাটি

কিভাবে বানাবেন

  • মুলতানি মাটি, বাদামের পেস্ট এবং দুধ দিয়ে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন এবং ১ মিনিটের জন্য রেখে দিন।
  • পরিস্কার ও শুকনো মুখে লাগান। শুকিয়ে যাবার পর স্পঞ্জের সাহায্যে প্যাকটি তুলে ফেলুন।

মসৃণ ও নমনীয় ত্বকের জন্য সপ্তাহে ২ বার প্যাকটি ব্যবহার করুন।

৩. দাগহীন ত্বকের জন্য

মুলতানি মাটি এবং টমেটোর রসের ফেইস প্যাক

আপনি কি আপনার মুখের কালো এবং কুৎসিত দাগ গুলো থেকে মুক্তি পেতে চান?

আমরা সবাই জানি টমেটোর রস একটি খুব ভালো ত্বক পরিস্কারক, কিন্তু আপনি কি জানেন মুলতানি মাটির সাথে টমেটো ব্যবহার করলে এটি আপনার ত্বককে উজ্জ্বল এবং দাগহীন করে তুলবে? মুলতানি মাটি, টমেটোর রস এবং চন্দন কাঠের গুড়োর পেস্ট আপনার মুখের দাগ কমাতে সাহায্য করবে এবং এই পেস্টের সাথে সামান্য হলুদ গুড়ো মিশালে এটি আপনাকে প্রয়োজনীয় দীপ্তি দিবে।

উপকরণ

  • ২ টেবিল চামচ টমেটো রস
  • ২ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি
  • ১ চা চামচ চন্দন কাঠের গুড়ো
  • ১ চা চামচ হলুদ গুড়ো

কিভাবে বানাবেন

  • সব উপকরন মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন।
  • গরম পানি দিয়ে মুখ ধোয়ার ১০ মিনিট আগে এটি মুখে লাগান।

দীপ্তিময় ত্বক পাওয়ার জন্য মুলতানি মাটির এই ফেইস প্যাকটি প্রতিদিন ব্যবহার করুন।

সতর্কতাঃ টমেটোর রস সবার ত্বকে মানানসই নাও হতে পারে, তাই এটি ফেইস প্যাকে ব্যবহার করার আগে আপনার হাতের কব্জির নিচের দিকে সামান্য একটু লাগিয়ে পরীক্ষা করে নিন।

৪. উজ্জ্বল ত্বকের জন্য

মুলতানি মাটি এবং মধু ফেইস প্যাক

আপনি কি আপনার শুষ্ক এবং প্রাণহীন ত্বক নিয়ে ক্লান্ত?

প্রখর এবং ভয়ংকর সূর্যের তাপে বাহিরে যাওয়া আমাদের অনেকের জন্য কষ্টকর হতে পারে, বিশেষ করে তখন যখন এটি আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা শুষে নেয়। এসপিএফ (SPF) ক্রিম ব্যবহার এবং মুখ ঢেকে চলা এ সময়ে বাড়তি সতর্কতা হিসেবে সহজে কাজে আসতে পারে। আপনি যদি আপনার হারিয়ে যাওয়া উজ্জ্বলতা ফিরে পেতে চান তাহলে এই প্যাকটি ব্যবহার করুন।

ঊপকরণ

  • ৩ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি
  • ১ চা চামচ টমেটোর রস
  • ১ চা চামচ মধু
  • ১ চা চামচ লেবুর রস
  • ১/২ চা চামচ কাঁচা দুধ

কিভাবে বানাবেন

  • মুলতানি মাটি, টমেটোর রস, মধু, লেবুর রস এবং সামান্য দুধ একসাথে মিশিয়ে নিন।
  • মুখে লাগিয়ে ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

উজ্জ্বল ত্বক পেতে সপ্তাহে অন্তত একবার ব্যবহার করুন।

৫. ডার্ক প্যাচেস থেকে মুক্তি পেতে

মুলতানি মাটি এবং পুদিনা পাতার ফেইস প্যাক

ডার্ক প্যাচেস সত্যিই খুব বিব্রতকর হতে পারে, বিশেষ করে তখনই যখন এগুলো ত্বকের দৃশ্যমান জায়গাতে হয়। এরা আমাদেরকে বাজারের পণ্যগুলোর উপর নির্ভরশীল করে ফেলে যেগুলো আমাদের সর্বোত্তম ফলাফল প্রদানের প্রতিশ্রুতি প্রদান করে কিন্তু আসলে এগুলো কোন কাজেই আসে না। মুলতানি মাটি, পুদিনা পাতা এবং দইয়ের ফেইস প্যাক ব্যবহার করুন এবং দেখবেন ১ মাসের মধ্যে ডার্ক প্যাচেস গুলো গায়েব হয়ে গিয়েছে।

উপকরণ

  • ১ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি
  • ১ টেবিল চামচ পুদিনা পাতার পাউডার
  • ১ টেবিল চামচ দই

কিভাবে বানাবেন

  • মুলতানি মাটি, পুদিনা পাতার পাউডার এবং দই একসাথে মিশান।
  • আক্রান্ত স্থানে পেস্টটা লাগান এবং ২০ মিনিটের জন্য রেখে দিন।
  • ডার্ক প্যাচেস থেকে পুরোপুরি মুক্তি পেতে গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৬. টান টান এবং তেলহীন ত্বক পাওয়ার জন্য

মুলতানি মাটি এবং চন্দন কাঠের গুড়োর ফেইস প্যাক

একজন রানওয়ের মডেলের মত টান টান এবং তেলহীন ত্বক পাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন?

আপনি কি জানেন প্রাকৃতিকভাবে টান টান এবং সুন্দর মুখ পাওয়া খুব সহজ একটি ব্যাপার হতে পারে? চন্দন গুড়ো, মুলতানি মাটি এবং কাঁচা দুধ দিয়ে তৈরি ফেইস প্যাক ব্যবহার করুন এবং একজন মডেলের মত হওয়ার অনুভূতি উপভোগ করুন।

উপকরণ

  • ১ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি
  • ১ টেবিল চামচ চন্দন গুড়ো
  • ১ টেবিল চামচ কাঁচা দুধ

প্রক্রিয়া

  • চন্দন গুড়ো এবং মুলতানি মাটির সাথে কয়েক ফোঁটা দুধ মিশিয়ে নিন।
  • আপনার পুরো মুখে ২০ মিনিটেরো বেশি সময় ধরে লাগিয়ে রাখুন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

সর্বোত্তম ফলাফলের জন্য সপ্তাহে ২ বার এই প্যাকটি লাগান।

৭. ফর্সা ত্বকের জন্য

মুলতানি মাটি এবং পেঁপের ফেইস প্যাক

আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর জন্য এবং ত্বক সুস্থ রাখার জন্য প্রাচীন যুগ থেকেই পেঁপের ব্যবহার করা হচ্ছে। মধু এবং মুলতানি মাটির সাথে পেঁপে ব্যবহার করলে আপনি আরো ভালো ফলাফল পাবেন।

উপকরণ

  • ১ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি
  • ১ টেবিল চামচ মধু
  • ১ টেবিল চামচ পেঁপের পেস্ট

কিভাবে বানাবেন

  • মুলতানি মাটি, মধু এবং পেঁপের পেস্ট প্রতিটি ১ টেবিল চামচ করে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন।
  • পরিষ্কার মুখে ভালোভাবে লাগিয়ে নিন এবং পুরোপুরি শুকিয়ে যাওয়ার পর ধুয়ে ফেলুন।

নিখুঁত ত্বক পেতে সপ্তাহে ২ অথবা ৩ বার ব্যবহার করুন।

৮. মসৃণ ত্বকের জন্য

মুলতানি মাটি এবং ডিমের সাদা অংশের ফেইস প্যাক

অমসৃণ ত্বক নিয়ে ক্লান্ত?

অমসৃণ ত্বক হওয়ার অনেক কারণ রয়েছে, তার মধ্যে সূর্যের আলোতে থাকা থেকে শুরু করে হরমোনের পরিবর্তনের কারণেও হতে পারে। বর্তমানে মসৃণ ত্বক পাওয়া কোন ব্যয়বহুল কাজ নয়। শুধুমাত্র মুলতানি মাটি এবং ডিমের সাদা অংশের প্যাক লাগান এবং কয়েক দিনের মধ্যে ত্বকে পার্থক্য লক্ষ্য করুন।

উপকরণ

  • ১/৪ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি
  • ১ টেবিল চামচ দই
  • ১ টি ডিমের সাদা অংশ (ভালোভাবে মিশানো)

কিভাবে বানাবেন

  • মুলতানি মাটি, দই এবং ডিমের সাদা অংশ ভালোভাবে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন।
  • এই পেস্টটি আপনার মুখে লাগান। ২০ মিনিট এটি আপনার মুখে রাখুন এবং গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

এই প্যাকটি আপনার ত্বককে মসৃণ করে এবং ত্বককে আরো নিঁখুত করে তুলে।

৯. পিগমেন্টেড ত্বকের জন্য

মুলতানি মাটি এবং গাজরের ফেইস প্যাক

ত্বকে সামান্য ফ্রেকলেস ভালো লাগে, কিন্তু অতি মাত্রায় ফ্রেকলেস ভালো লাগে না। ফ্রেকলেস হলো ত্বকের উপর হালকা বাদামী রঙের আভা থাকা, যা সূর্যের তাপে আরো বেড়ে যায়। তখন ত্বকে এই ফ্রেকলেস দেখতে খুব খারাপ দেখায়।

পিগমেন্টেড এবং কুৎসিত ত্বক থেকে মুক্তি পাওয়া এখন অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে। শুধুমাত্র মুলতানি মাটি এবং গাজরের প্যাক ব্যবহার করুন এবং নিজের চোখে তফাৎ লক্ষ্য করুন।

উপকরণ

  • ১ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি
  • ১ টেবিল চামচ গাজরের পেস্ট
  • ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল

প্রক্রিয়া

  • মুলতানি মাটির সাথে গাজরের পেস্ট এবং অলিভ অয়েল মিশান।
  • আপনার মুখে মিশানো প্যাকটি লাগান এবং কিছু সময়ের জন্য এটা মুখে রেখে দিন।
  • এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

ভালো ফলাফলের জন্য এই প্যাকটি সপ্তাহে অন্তত ২ বার ব্যবহার করুন।

১০. রোদে পোড়া ভাব দূর করতে

মুলতানি মাটি এবং নারিকেল পানির ফেইস প্যাক

রোদে পুড়ে যাওয়া মুখ থেকে রেহাই পাবার উপায় খুজছেন?

ট্যানিং সারা বিশ্বের একটি ফ্যাশন হিসেবে মনে করা যেতে পারে, কিন্তু কখনও কখনও এটি সত্যিই যন্ত্রণাদায়ক হতে পারে। যাইহোক, আপনি মুলতানি মাটি এবং নারিকেল পানির মিলিত শক্তির কারণে এই ট্যান থেকে মুক্তি পেতে পারেন। মুলতানি মাটি এবং নারিকেল উভয়ই তাদের শীতলকারী প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। তাই, এই প্যাকটি আপনার মুখের রোদে পুড়া ভাব দূর করে এবং আপনার ত্বককে উজ্জ্বল করে তুলে।

উপকরণ

  • ১ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি
  • ১ টেবিল চামচ নারিকেল পানি
  • ১ চা চামচ চিনি

কিভাবে বানাবেন

  • মুলতানি মাটি সাথে নারিকেল পানি মিশান এবং সামান্য চিনি মিশিয়ে নিন।
  • আক্রান্ত জায়গা গুলোতে লাগান এবং গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

ভালো ফলাফলের জন্য সপ্তাহে ২ বার লাগান।

১১. ব্রণের দাগের জন্য

মুলতানি মাটি এবং লেবুর রসের ফেইস প্যাক

অবাধ্য ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে চান? মুলতানি মাটিই আপনাকে মুক্তি দিবে।

আপনার ত্বকে মাত্রাতিরিক্ত তেল নিঃসরণের ফলে অনিয়ন্ত্রিত ভাবে ব্রণ বৃদ্ধি পেতে থাকে। আপনি এই বিশেষ ফেইস প্যাকটি ব্যবহার করে ব্রণকে চিরবিদায় জানাতে পারেন।

উপকরণ

  • ২ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি
  • ১ টেবিল চামচ লেবুর রস
  • ১ চা চামচ গোলাপ জল

কিভাবে বানাবেন

  • সব উপকরণগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন।
  • পানি দিয়ে আগে মুখ পরিষ্কার করে নিন। তারপর এই ফেইস প্যাকটি আপনার মুখে লাগান। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে এটি শুকাতে দিন।
  • কুসুম গরম পানি দিয়ে এটি ধুয়ে ফেলুন।

প্রতিদিন এই প্যাকটি ব্যবহার করলে এটি আপনার ত্বকে তেলের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রন করতে সাহায্য করবে এবং ব্রণ হওয়া প্রতিরোধ করবে।

বিঃদ্রঃ আরো ভালো ফলাফলের জন্য আপনি নিম পাতার পাউডার এবং লবঙ্গের পাউডার এই পেস্টের সাথে মিশাতে পারেন।

কিভাবে সঠিকভাবে মুলতানি মাটির ফেইস প্যাক বানাবেন

ফেইস প্যাক বানানো সহজ কাজ এবং এটার জন্য খুব বেশি দক্ষতার প্রয়োজন নেই। এটা অনেকটা জুস তৈরি করার মতই – শুধু আপনাকে আপনার উপকরণগুলো সম্পর্কে জানতে হবে এবং এটি তৈরি। সবচেয়ে সেরা অংশটি হলো আপনি আপনার ঘরে বসেই অনায়াসে এটি বানাতে পারবেন।

সঠিকভাবে মুলতানি মাটির ফেইস প্যাক বানানোর জন্য একটি প্লাস্টিকের বাটি নিন এবং তাতে মুলতানি মাটি ঢালুন। এখন, এতে বিভিন্ন উপকরণ ঢালুন (যেমন দুধ, মধু বা গোলাপ জল) এবং একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন যাতে কোন বুদবুদ না থাকে।

আপনার পেস্টটি যাতে খুব বেশি ঘন বা খুব বেশি পাতলা না হয় সেই দিকে লক্ষ্য রাখুন। আপনি এতে বার বার আপনার আঙ্গুল ডুবিয়ে এর ঘনত্ব পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। যদি প্যাকটি খুব বেশি দানাদার এবং আঠালো হয় তাহলে আপনাকে এতে আরো মুলতানি মাটি যোগ করতে হবে। আর যদি এটা খুব রুক্ষ মনে হয়, তাহলে কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল এতে মিশিয়ে নিন।

মনে রাখবেন, মুলতানি মাটি মুখে লাগানোর পরপরই আপনার বাটিটা ধুয়ে ফেলবেন। কারন, মুলতানি মাটি খুব তাড়াতাড়ি শক্ত হয়ে যায়, যা পরে ধুতে গেলে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

মুলতানি মাটির ফেইস প্যাক ব্যবহারের উপকারিতা

মুলতানি মাটি খুবই জনপ্রিয় একটি ফেইস প্যাক। যা কিছু স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য বহন করে, যেগুলো অন্য কোন মার্কেট প্রোডাক্টে পাওয়া যায় না। এই বৈশিষ্ট্যগুলো ত্বকের অনেক সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করে। এবং এটি খুবই সস্তা, তাই আপনাকে আপনার বাজেট নিয়ে কোন চিন্তা করতে হবে না।

চলুন মুলতানি মাটি ব্যবহারের উপকারিতাগুলো দেখে নেইঃ

  • এই উপাদানের বৈশিষ্ট্যগুলো আপনার ত্বকের বন্ধ হয়ে যাওয়া ছিদ্রগুলো খুলে দিতে সাহায্য করে এবং আপনার ত্বক পরিষ্কার করে।
  • মুলতানি মাটি মৃত কোষগুলো অপসারণ করে এবং আপনার ত্বককে উজ্জ্বল করে তুলে।
  • জানা গেছে, মুলতানি মাটি সবসময় ব্যবহার করলে আপনার ত্বকের গঠনকে অনেকগুলো ভাগে উন্নতি করে।
  • ফেইস প্যাকটি আপনার মুখে সমানভাবে ম্যাসাজ করলে আপনার মুখের রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে যা আপনার ত্বকে পুষ্টি জোগাবে এবং ত্বককে দীপ্তিময় করে তুলবে।
  • এর প্রাকৃতিক শোষন ক্ষমতার জন্য মুলতানি মাটি তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারী মানুষের কাছে এক রকম আশীর্বাদ স্বরূপ হয়ে গিয়েছে। প্রতিদিন মুলতানি মাটি ব্যবহার করলে এটি ত্বকের অতিরিক্ত তেল বের করে ফেলে এবং আপনার ত্বককে মসৃণ করে তুলে।
  • এটি ব্রণ কমাতেও কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

মুলতানি মাটি সকল ধরণের ত্বকের জন্যই আশীর্বাদ স্বরূপ। তাই প্রতিদিন মুলতানি মাটি ব্যবহার করে আপনার ত্বককে আরো উজ্জ্বল, কোমল ও প্রাণবন্ত করে তুলুন। আর তার জন্য উপরে উল্লেখিত ফেইস প্যাকগুলো আপনার অনেক কাজে আসবে।

Filed Under: Beauty Secrets

শীতে ঠোঁট ফাটা থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়ার ১০টি ঘরোয়া উপায়

by রূপকথন ডেস্ক Leave a Comment

শুকনো এবং ফাঁটা ঠোঁট নিয়ে কি সারা বছর বিড়ম্বনা মধ্যে থাকতে হয়? এই লেখাটি আপনার জন্য।

এটি খুবই বিরক্তিকর একটি সমস্যা যদি আপনার ঠোঁট  হয় শুকনো এবং খোসার ছাড়ানো ত্বক। এবং এই সমস্যা নিয়ে আমরা যখন আমাদের প্রিয় মায়ের কাছে অভিযোগ করি, তখন তারা আমাদের বলে আমারা যেন বারবার ঠোঁট চাটা বন্ধ। এই সমস্যা প্রতিরোধ করার সেরা উপায় হল আমাদের ঠোঁটে হাইড্রেশন এবং পুষ্টির প্রদানের মাধ্যমে।

প্রথমে বলে রাখি। পানি সৌন্দর্যের একটি অপরিহার্য নিয়ামক। এটি শরীর এবং ত্বকে ভালভাবে হাইড্রিয়ট রাখতে সাহায্য করে। আপনি যদি যথেষ্ট পরিমাণ পানি পান না করেন তবে আপনি যত প্রতিকার ঠোঁটের ব্যবহার করে না কেন এগুলো কোন কাজে আসবেনা।

ঠোঁট ফাটার কারণ গুলো কি?

ঠোঁট ফাটার প্রধান কারণগুলো হলঃ

  • অত্যাধিক ঠোঁট চাটা (Excessive licking of lips)
  • সূর্যের কারনে ক্ষতি (Sun damage)
  • ধূমপান এবং পানীয় (Smoking and drinking)
  • ত্বকের ক্ষতিকর এমন টুথপেস্টে (Skin irritants in toothpaste)
  • এলার্জি (Allergies)
  • নির্দিষ্ট কিছু ঔষধ, যেমন রেটিনোয়েড এবং কেমোথেরাপি ড্রাগ (Certain medications, such as retinoids and chemotherapy drugs)

একটি কমন সমাধান হল, মানুষ ঠোঁট ফাটা বন্ধ করার জন্য ঠোঁটে চ্যাপস্টিক (chapstick ) বা সুগন্ধি লিপজেল ব্যবহার করে থাকে। এটি তাত্ক্ষণিক পরিত্রান পেতে সাহায্য করে, কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে, এটি দীর্ঘমেয়াদী সমাধান প্রদান করে না।

নীচের প্রতিকারগুলো এই সমস্যা সমাধান করতে এবং দীর্ঘস্থায়ী ফলাফল দিতে সাহায্য করবে।

এখানে শুষ্ক এবং ঠোঁট ফাঁটা বন্ধ করার ঘরোয়া প্রতিকারগুলো দেয়া হল।

কিভাবে ঠোঁট ফাঁটার হাত থেকে মুক্তির পাবেন

১. নারকেল তেল (Coconut Oil)

২. মধু এবং ভ্যাসলিন (Honey And Vaseline)

৩. গোলাপের পাপড়ি (Rose Petals)

৪. শসা (Cucumber)

৫. অ্যালোভেরা (Aloe Vera)

৬. গ্রীন টি ব্যাগ (Green Tea Bags)

৭. কোকো বাটার (Cocoa Butter)

৮. লেবুর রস (Lemon Juice)

৯. চিনি পদ্ধতি (Sugar Method)

১০. ভ্যানিলা নির্যাস (Vanilla Extract)

ঠোঁট ফাঁটার হাত থেকে রক্ষা পাবার ঘরোয়া উপাদানসমূহঃ

১. ঠোঁটের জন্য নারকেল তেল (Coconut Oil For Lips)

আপনার যা প্রয়োজনঃ

  • ভার্জিন নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল বা ক্যাসটল তেল বা আমন্ড তেল বা জোজোবা তেল।
  • ১-২ ড্রাপ টি ট্রি তেল বা গ্রাফিজেড তেল বা নিম তেল।

আপনাকে যা করতে হবেঃ

১. এটা নির্ভর করবে আপনার কাছে কোন ক্যারিয়ার ওয়েল এবং অ্যাসেনশিয়াল ওয়েল আছে, ক্যারিয়ার অয়েল মাঝে ১-২ ড্রপ অ্যাসেনশিয়াল ওয়েল দিয়ে মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন।

২. আপনার ঠোঁটে এই মিশ্রণ ব্যবহার করুন এবং কিছুক্ষণের জন্য ঠোঁটে রেখে দিন।

কতবার কাজটি করা উচিতঃ

দিনের মধ্যে ২/৩ বার মিশ্রিত তেল ব্যবহার করুন। এটি বিছানায় যাওয়ার আগে ব্যবহার করা যেতে পারে।

কেন কাজটি করবেন?

ক্যারিয়ার ওয়েল , যেমন অলিভ অয়েল, নারকেল তেল, এবং ক্যাসটল ওয়েল সেরা প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার এবং তেল জাতীয় পদার্থ রয়েছে। এগুলি সুস্থ ফ্যাটি অ্যাসিড ধারণ করে, যা ঠোঁটের প্রয়োজনীয় তৈলাক্ততা প্রদান করে ঠোঁটকে করে তুলে নরম ও নমনীয়। অ্যাসেনশিয়াল ওয়েল – যেমন টি ট্রি তেল বা গ্রাফিজেড তেল শুষ্ক ঠোঁটের জন্য কার্যকরী কাজ করে। এটি আপনার ঠোঁটের সংক্রমণ প্রতিরোধ করে, বিশেষ করে শুষ্কতা দূর করতে সাহায্য করে থাকে।

২. মধু এবং ভ্যাসলিন (Honey And Vaseline)

আপনার যা প্রয়োজনঃ

  • কাচাঁ মধু (Raw honey)
  • ভ্যাসলিন (Vaseline)

আপনাকে যা করতে হবেঃ

  • আপনার ঠোঁটে মধুর প্রলেপ দিন।
  • মধুর প্রলেপের উপর এবার ভ্যাসলিন ব্যবহার করুন।
  • এটি ১০-১৫ মিনিটের জন্য ছেড়ে দিন।
  • এবার একটি ভেজা টিস্যু বা কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন।

কতবার কাজটি করা উচিতঃ

স্থায়ী ফলাফল পেতে এক সপ্তাহের জন্য প্রতিদিন ১বার করে লাগান।

কেন কাজটি করবেন?

মধুতে প্রচুর পরিমাণে ব্যাকটেরিয়ারোধী বৈশিষ্ট রয়েছে এবং প্রকৃতির সেরা নিরাময়ের মধ্যে একটি। ভ্যাসলিন বা পেট্রোলিয়াম জেলি প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হয় ত্বকে কোমল এবং পুষ্টি প্রদান ও শুষ্কতার হাত থেকে রক্ষা জন্য। এটি ত্বকের কোষে আর্দ্রতা রক্ষা করে। এই দুটি উপাদানের মিশ্রন দ্বারা, আমরা ফাটা ঠোঁটের জন্য একটি খুব কার্যকর ঘরোয়া প্রতিকার পেতে পারি।

৩. গোলাপের পাপড়ি (Rose Petals)

আপনার যা প্রয়োজনঃ

  • ৫-৬ টি গোলাপের পাপড়ি
  • 1/4 কাপ কাঁচা দুধ

আপনাকে যা করতে হবেঃ

১.  ২-৩ ঘন্টার জন্য দুধের মধ্যে পাপড়ি ভিজিয়ে রাখুন।

২. পেস্টের মত সামঞ্জস্যতা পেতে গোলাপের পাপড়িগুলো দুধের সাথে আলতো করে মিশিয়ে নিন।

৩. এবার আপনার ঠোঁটে এই পেস্ট ব্যবহার করুন। এটি প্রায় ২০ মিনিটের জন্য রেখে দিন।

৪. ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

কতবার কাজটি করা উচিতঃ

এক সাপ্তাহের জন্য প্রতিদিন ১ বার করে।

কেন কাজটি করবেন?

গোলাপের পাপড়িতে ত্বকের পুষ্টিকর বৈশিষ্ট্য রয়েছে- যেমন ভিটামিন ই (E)। তা আপনার ঠোঁটের প্রকৃত রং ধরে রাখতে সাহায্য করে। দুধে ল্যাকটিক এসিড রয়েছে যা ঠোঁটের পৃষ্ঠ থেকে আলতো করে মৃত চামড়া তুলে আনে। দুধে অপরিহার্য ফ্যাট, ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ রয়েছে যা শুষ্ক ঠোঁটকে হাইড্রেট রাখে।

৪. ঠোঁট ফাঁটা রোধে শসা (Cucumber For Chapped Lips)

আপনার যা প্রয়োজনঃ

  • কয়েক পিস শসার টুকরো।

আপনাকে যা করতে হবেঃ

১. ১/২ মিনিট ধরে আপনার ঠোঁটে শসার টুকরোটি আলতো করে ঘষুন।

২. ঠোঁটে লেগে থাকা শসার রস ১০ মিনিটের জন্য রেখে দিন এবং তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

অথবা আপনি চাইলে, আপনি ১/২ টুকরো শসা পেস্ট করে আপনার ঠোঁটে ব্যবহার করতে পারেন।

কতবার কাজটি করা উচিতঃ

এই প্যাকটি প্রতিদিন ১/২ বার ব্যবহার করুন।

কেন কাজটি করবেন?

শসা আপনার ঠোঁটের জন্য সেরা বন্ধু হতে পারে, কারণ এটি আপনার ঠোঁট ফাটা এবং শুষ্কতার হাত থেকে রক্ষা করে। শসা ত্বকের হাইড্রেট বজায় রাখে। শসা ব্যবহারের ফলে কিছুদিনের মধ্যে আপনার সকল ফ্যাকাশে ভাব (flakiness) এবং শুষ্কতা চলে যাবে।

৫. ঠোঁট ফাঁটা রোধে অ্যালোভেরা  (Aloe Vera for Chapped Lips)

আপনার যা প্রয়োজনঃ

  • একটি অ্যালোভেরা পাতা।

আপনাকে যা করতে হবেঃ

১. অ্যালোভেরার পাতা টুকরো করে কাটুন এবং ভিতর থেকে জেল বের করে আনুন। একটি পাত্রে অ্যালোভেরার জেলগুলো নিয়ে রাখুন। লক্ষ রাখতে হবে ঐ পাত্রে যাতে বাতাস ডুকতে না পারে।

২. আপনার ঠোঁটের উপর জেল প্রয়োগ করুন।

৩. জেলের পাত্র বা কৌটাটি ভালভাবে মুখ লাগিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন।

কতবার কাজটি করা উচিতঃ

নিয়মিত ঘুমানোর আগে অ্যালোভেরা জেল ঠোঁটে প্রয়োগ করুন।

কেন কাজটি করবেন?

অ্যালোভেরাতে প্রাকৃতিক উপাদানে পরিপূর্ণ যা ঠোঁট ফাঁটা থেকে রক্ষা করে এবং ত্বকের মৃত চামড়া তুলে আনে খুব সহজেই। এটি ঠোঁটের উপরের নরম চামড়াকে মজবুত করতে সাহায্য করে এবং ঠোঁটকে ঠান্ডা রাখে।

৬. ঠোঁট ফাঁটা রোধে গ্রীন টি ব্যাগ (Green Tea Bags For Chapped Lips)

আপনার যা প্রয়োজনঃ

  • ১টি গ্রীন টি ব্যাগ।
  • ১টি গরম পানির কাপ।

আপনাকে যা করতে হবেঃ

১. কয়েক মিনিটের জন্য গরম পানিতে গ্রীন টি ব্যাগ ডুবিয়ে রাখুন।

২. ঠোঁটের উপর এই টি ব্যাগটি ধরে রাখুন।

৩. কয়েক মিনিট এভাবে রাখুন।

কতবার কাজটি করা উচিতঃ

প্রতিদিন ১ বার করে।

কেন কাজটি করবেন?

গ্রীন টি তে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ট্যানিন’স রয়েছে যা আপনার ঠোঁটের শুষ্কতা দূর করে এবং ঠোঁটকে হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে।

৭. ঠোঁট ফাঁটা রোধে কোকো বাটার (Cocoa Butter For Chapped Lips)

আপনার যা প্রয়োজনঃ

অরগানিক কোকো বাটার বা শা বাটার বা পিনাট বাটার বা দই বা ঘি (clarified butter) বা বাটারমিল্ক।

আপনাকে যা করতে হবেঃ

১. আপনার ঠোঁটে কোকো বাটার অল্প পরিমাণে ব্যবহার করুন এবং ঐ অবস্থায় রাতে রেখে দিন।

২. বিকল্পভাবে, আপনি শা বাটার বা ঘি ব্যবহার করতে পারেন এবং ঐ অবস্থায় রাতে রেখে দিন।

৩. আপনি যদি পিনাট বাটার, দই বা বাটারমিল্ক ব্যবহার করতে চান, তবে ৫-১০ মিনিটের জন্য আপনার ঠোঁটে রেখে দিন।

কতবার কাজটি করা উচিতঃ

কয়েক দিন ধরে প্রতিদিন ১ বার করে করুন।

কেন কাজটি করবেন?

যখন কোকো বাটার, শা বাটার এবং ঘি এই বিভিন্ন ধরনের মাখন নিষ্কাশিত হয়ে বিভিন্ন উৎস থেকে বিভিন্ন ধরনের মাখন প্রধানত অপরিপূর্ণ ফ্যাটি অ্যাসিড ধারণ করে যা গভীর অবস্থা এবং নিঃশেষিত ত্বক নিরুদ করে। দই এবং বাটারমিল্কে ত্বকের পুষ্টিকর ফ্যাট রয়েছে। একই সময়ে, তা ত্বকে হালকা আবরন হিসাবে কাজ করে।

৮. ঠোঁট ফাঁটা রোধে লেবুর রস (Lemon Juice For Chapped Lips)

আপনার যা প্রয়োজনঃ

  • ১ চা চামচ লেবুর রস।
  • ১ চা চামচ মধু।
  • ১/২ চা চামচ কাস্টর ওয়েল।

আপনাকে যা করতে হবেঃ

১. সব উপাদান মিশ্রিত করুন এবং আপনার ঠোঁটে এটি মাস্ক হিসাবে ব্যবহার করুন।

২. প্রায় ১০ মিনিটের জন্য এটি রেখে দিন এবং তারপর পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

কতবার কাজটি করা উচিতঃ

৭-১০ দিনের জন্য প্রতিদিন একবার করে করুন।

কেন কাজটি করবেন?

লেবুর রস কালো দাগ এবং ঠোঁট ফাঁটা বন্ধ করতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। লেবু একটি প্রাকৃতিক ব্লিচ এবং এক্সফোলিয়েট (exfoliant) হিসাবে কাজ করে। মধু ত্বকের যত্ন নেয় এবং ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে ঠোঁটকে রক্ষা করে।

৯. ঠোঁট ফাঁটা রোধে চিনি পদ্ধতি (Sugar Method For Chapped Lips)

আপনার যা প্রয়োজনঃ

  • ১ চা চামচ চিনি।
  • কয়েক ড্রপ অলিভ অয়েল।
  • ১/২ চা চামচ মধু।

আপনাকে যা করতে হবেঃ

১. মধু, চিনি এবং অলিভ অয়েল ভালভাবে মিশিয়ে ফেলুন যাতে করে কোন দানা দানা না থাকে।

২. আপনার ঠোঁটে এই মিশ্রণ ব্যবহার করুন এবং বৃত্তাকার গতিতে আলতো করে ঘষা দিন।

৩. কোমল ঠান্ডা পানি দিয়ে হালকা ভাবে ঘষে ধোয়ে ফেলুন।

কতবার কাজটি করা উচিতঃ

প্রাথমিকভাবে এই প্যাকটি এক দিন পর পর ব্যবহার করুন। তারপর, নরম এবং মসৃণ ঠোঁট বজায় রাখতে সাপ্তাহে ১/২ বার প্যাকটি ব্যবহার করুন।

কেন কাজটি করবেন?

আপনার ঠোঁটের স্ক্রাবিং করে আলগা চামড়া তুলে ফেলা এবং শুষ্ক ঠোঁট থেকে মুক্তিরপেতে সাহায্য করে। যার ফলে, আপনার ঠোঁট নরম এবং মসৃণ হয়। আপনার ঠোঁটের প্রকৃত রং প্রকাশ পায়। চিনি একটি চমৎকার উপাদান যা ত্বকের চামড়া উঠা বন্ধ করে, এটি সবার রান্নাঘরে পাওয়া যায় এবং ঠোঁট ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।

১০. ঠোঁট ফাঁটা রোধে ভ্যানিলা নির্যাস (Vanilla Extract For Chapped Lips)

আপনার যা প্রয়োজনঃ

  • ২ চা চামচ চিনি।
  • ১ চা চামচ বেকিং সোডা।
  • ২ চা চামচ জোজোবা তেল বা অলিভ অয়েল।
  • 1/4 চা চামচ ভ্যানিলা নির্যাস।

আপনাকে যা করতে হবেঃ

১. উপরের উল্লিখিত সমস্ত উপাদানগুলি ভালভাবে মিশ্রিত করুন।

২. আপনার আঙ্গুলের পাতায় এই মিশ্রণটি অল্প পরিমাণে নিন এবং আলতো করে আপনার ঠোঁটে এটি ব্যবহার করুন।

৩. এই মিশ্রণটি আপনার ঠোঁটে ১/২ মিনিট ধরে আলতো করে আঙ্গুলের পাতা দিয়ে ঘষুন এবং পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

* একটি বায়ুরোধী ধারক এ সংরক্ষণ করে আপনি ৭দিন ব্যবহার করতে পারেন।

কতবার কাজটি করা উচিতঃ

কয়েকদিন ধরে প্রতিদিন ১বার করে এবং পরে ৩-৪ দিন পর পর ১ বার এই প্যকিটি ব্যবহার করুন।

কেন কাজটি করবেন?

চিনি এবং বেকিং সোডা উভয়ের মিশ্রণে ত্বকের চামড়া উঠা বন্ধ করতে সাহায্য করে। ঠোঁটকে ঠান্ডা এবং বেগুনী করে তুলে। ভ্যানিলা নির্যাস অন্যরকম একটা ফ্লেভার যোগ করে যা আপনার ঠোঁট ফাঁটা বন্ধ করে।

এখন আপনি জানেন, কিভাবে এই শীতে আপনার ঠোঁটকে রক্ষা করবেন, আপনি কি জন্য অপেক্ষা করছেন? এই প্রতিকারের প্রধান লক্ষ্য হল আপনার ঠোঁটকে ফাঁটা থেকে রক্ষা করা এবং মৃত চামড়া দূর করতে সাহায্য করে এবং এটি নীচের নরম চামড়া স্থাপন করে। এই উপাদানগুলো আপনার ঠোঁটকে নরম, মসৃণ করে তুলে এবং স্নিগ্ধতা বজায় রাখে।

Filed Under: Skin Care Ideas

১৩ টি কার্যকর উপায়ে রান্না ঘরে থাকা সহজলভ্য উপাদান দিয়ে শীতে ত্বকের যত্ন নিন

by রূপকথন ডেস্ক Leave a Comment

আমি ব্যক্তিগতভাবে শীতকাল ভালবাসি। ঠান্ডার দমকা হাওয়ায় আমার মন হয় সতেজ, তাজা এবং জীবন্ত। কোমল জাম্পার, বুট, স্কার্ফ, এবং কি নাই, সব কিছু রয়েছে! কিন্তু দুঃখজনকভাবে, শীতকালে আমাদের ত্বক আমাদের সহযোগিতা করতে পছন্দ করে না।

এই মাসগুলোতে, আমাদের ত্বক শুষ্ক হতে থাকে। আর্দ্রতার অভাবে আমাদের ত্বক ফেটে যায় এবং নিস্তেজ হয়ে পড়ে। আমরা সাধারণত শুষ্ক ত্বকের জন্য ময়েশ্চারাইজ করতে ভাল কোল্ড ক্রিম ব্যবহার করে থাকি।

আমাদের অনুসন্ধানে সেরা সমাধান হল, রান্না ঘরে পাওয়া যায় এমন সব উপাদান দ্বারা আমাদের ত্বকের যত্ন নিলে শীতের প্রখরতার হাত থেকে ত্বককে রক্ষা করতে পারবো এবং শীতকালকে উপভোগ করা যাবে।

আপনাদের শীতকালে ত্বকের যত্নের জন্য ১৩ টি হোম রেমেডিস এর তালিকা দেয়া হল। টিপসগুলো ব্যবহার করুন, কেননা বার বার আপনি আপনার ত্বকের প্রেমে পড়বেন।

শীতকালীন ত্বকের যত্নে ঘরোয়া প্রতিকার

১. পেপেঁ ফেইস প্যাক (Papaya Face Pack)

২. দুধ এবং আমন্ড ফেইস প্যাক (Milk And Almond Face Pack)

৩. দই এবং বাটার মিল্ক ফেইস প্যাক (Yogurt And Buttermilk Face Pack)

৪. গ্লিসারিন (Glycerine)

৫. পেট্রোলিয়াম জেলি (Petroleum Jelly)

৬. অলিভয়েল এবং ডিমের ফেইস প্যাক (Olive Oil And Egg Yolk Face Pack)

৭. আভোকাডো এবং মধু ফেইস প্যাক (Avocado And Honey Face Pack)

৮. নারকেল তেল (Coconut Oil)

৯. লেবু এবং মধু সমাধান (Lemon And Honey Solution)

১০. সূর্যমুখীর তেল (Sunflower Oil)

১১. স্ট্রবেরি মাস্ক (Strawberries Mask)

১২. কলার মাস্ক (Banana Mask)

১৩. মধু এবং কাঁচা দুধ (Honey And Raw Milk)

এই টিপসের মাধ্যমে শীতকালে আপনি আপনার ত্বকে ফাটল এবং আর্দ্রতার হাত থেকে রক্ষা করতে পারবেন।

১. পেপেঁ ফেইস প্যাক (Papaya Face Pack)

উপাদানসমূহঃ

  • ১ টুকরা পাকা পেঁপের
  • ১ টি কলা
  • ২ টেবিল চামচ মধু

কিভাবে ব্যবহার করবো ঃ

  • পেপেঁ এবং কলা ভালভাবে মিশ্রণ করুন যাতে মসৃণ পেস্ট হয়ে যায়।
  • মিশ্রণটিতে মধু দিন এবং প্যাকটি আবার ভালভাবে মিশ্রণ করুন।
  • আপনার মুখে এই প্যাকটি আলতোভাবে ব্যবহার করুন এবং আপনার শরীরে শুষ্ক স্থানে লাগান।

উপকারীতাঃ

পেঁপেতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (antioxidants) এবং কলায় ভিটামিনের উপাদানের জন্য পরিচিত। এই দুটি ফল ত্বককের বয়সের ছাপ দূর (anti-aging) করতে সাহায্য কাজ। মধু ত্বকের জন্য প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজ হিসাবে কাজ করে থাকে। এই প্যাক ব্যবহারে আপনার ত্বক পুনরুজ্জীবিত করতে সাহায্য করবে। এটি আপনার ত্বককে দৃঢ় এবং ত্বককের বয়সের ছাপ দূর করবে।

সতর্কতাঃ

দরকার নেই।

২. দুধ এবং আমন্ড ফেইস প্যাক (Milk And Almond Face Pack)

উপাদানসমূহঃ

  • ১ টেবিল চামচ আমন্ড গুঁড়া।
  • ২ টেবিল চামচ কাঁচা দুধ

কিভাবে ব্যবহার করবো ঃ

  • আমন্ডের গুড়া এবং কাচাঁ দুধ মিশ্রণ করুন।
  • পেস্টটি আপনার মুখের উপর ব্যবহার।
  • এটি ১০ মিনিটের জন্য রেখে দিন।
  • ধীরে ধীরে ম্যাসেজ করুন এবং পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

উপকারীতাঃ

আমন্ডে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই এবং অপরিহার্য ফ্যাট এসিড সমৃদ্ধ। দুধ ত্বকের জন্য একটি বিস্ময়কর ময়শ্চারাইজার। এতে অ্যাসিড সমৃদ্ধ এবং এনজাইম রয়েছে যা আপনার ত্বকের বড়াতি আশঁ তুলে আপনার ত্বককে করে আরো নরম, মসৃন আর উজ্জ্বল। এই ফেইস প্যাক ব্যবহারে আপনার ত্বকের শুষ্কতা কমাবে এবং ত্বককে আরো নমনীয় করে তুলবে।

সতর্কতাঃ

দুধ এবং দুধজাতীয় পণ্যে আপনার এলার্জি হলে এই ফেইস প্যাক ব্যবহার করবেন না।

৩. দই এবং বাটার মিল্ক ফেইস প্যাক (Yogurt And Buttermilk Face Pack)

উপাদানসমূহঃ

  • ১ কাপ দই।
  • ১ কাপ বাটার মিল্ক।

কিভাবে ব্যবহার করবো ঃ 

  • উপাদান ২টি ভালভাবে মিশ্রণ করুন।
  • আপনার পুরো শরীরে আলতো করে এই মিশ্রণটি ব্যবহার করুন এবং ১৫-২০ মিনিটের জন্য রেখে দিন।
  • পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

উপকারীতাঃ

দইয়ে দস্তা, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি, এবং অন্যান্য দরকারী এনজাইম (enzymes) আছে । এই প্যাকটি ত্বক পরিষ্কার করে এবং কালো দাগগুলোকে হালকা করে তোলে। বাটার মিল্কে ল্যাকটিক এসিড (lactic acid) এবং হালকা পিলিং (peeling) থাকে এবং যেটি শীতকালে শুষ্ক ও নিস্তেজ ত্বক পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। এটি শুষ্ক ত্বকের চুলকানি দূর করতে সাহায্য করে।

সতর্কতাঃ

দুধ এবং দুধজাতীয় পণ্যে আপনার এলার্জি হলে এই ফেইস প্যাক ব্যবহার করবেন না।

৪. গ্লিসারিন (Glycerine)

উপাদানসমূহঃ

  • গ্লিসারিন (Glycerin)
  • তুলার বল(Cotton ball)

কিভাবে ব্যবহার করবো ঃ 

  • আপনার মুখ পানি দিয়ে পরিস্কার করুন এবং শুকিয়ে নিন।
  • তুলার বল গ্লিসারিনে ভিজিয়ে নিন এবং মুখের উপর ব্যবহার করুন। চোখ এবং ঠোঁট এড়িয়ে চলুন। পুরো মুখে লাগিয়ে নিন এবং শুকানোর জন্য রেখে দিন।
  • মুখ শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুতে হবে না।

উপকারীতাঃ

গ্লিসারিন সহজেই পাওয়া যায় এবং শুষ্ক ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজ এবং খুব সহজেই ত্বক পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। এই প্যাকটি ত্বককে নরম করার প্রচুর ক্ষমতা রাখে।

সতর্কতাঃ

দরকার নেই।

৫. পেট্রোলিয়াম জেলি (Petroleum Jelly)

উপাদানসমূহঃ

পেট্রোলিয়াম জেলি

কিভাবে ব্যবহার করবো ঃ 

আপনার পুরো শরীরে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগান এবং ১/২ মিনিট ম্যাসেজ করুন যাতে তা ত্বক শুষে নেয়।

উপকারীতাঃ

পেট্রোলিয়াম জেলি বাজারে খুব সস্তা দামে সহজেই পাওয়া যায়। এটি শুধু শুষ্ক ত্বকের জন্য নয় বরং শীতকালে শুষ্ক ঠোঁট এবং ত্বকের ফাটল থেকে আমাদের শরীরকে রক্ষা করে। পেট্রোলিয়াম জেলি আমাদের ত্বককে নরম ও মসৃণ করে তুলে এবং এতে ত্বক ময়শ্চারাইজিং বৈশিষ্ট্য আছে। পেট্রোলিয়াম জেলি ত্বকের ক্ষতিকর অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে সাহায্য করে।

সতর্কতাঃ

আপনার ত্বকে যদি ব্রেকআউটের (breakouts) প্রবণতা থাকে থাকে তবে এই প্রতিকারটি ব্যবহার করবেন না।

৬. অলিভয়েল এবং ডিমের ফেইস প্যাক (Olive Oil And Egg Yolk Face Pack)

উপাদানসমূহঃ

  • ২টি ডিমের কুসুম
  • ৩-৪ ড্রপ অলিভ অয়েল

কিভাবে ব্যবহার করবো ঃ 

  • ডিমের কুসুমের মধ্যে অলিভ অয়েল দিয়ে উপাদানগুলো ভালভাবে মিশ্রণ করুন।
  • আপনার মুখে এটি ব্যবহার করুন এবং ২০ মিনিটের জন্য রেখে দিন।
  • পরিষ্কার পানি দিয়ে এবার পরিষ্কার করে ফেলুন।

উপকারীতাঃ

অলিভওয়েল এ প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন ই (E) এবং কে (K) সমৃদ্ধ। ডিমের কুসুমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ (A) এবং লেসিথিন রয়েছে যা ত্বককে পুষ্টি জোগায় এবং শুষ্কতা দূর করে। শীতের সময় সপ্তাহে দুইবার মুখে এই মাস্কটি ব্যবহার করে আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে পারেন।

সতর্কতাঃ

প্রয়োজন নেই।

৭. আভোকাডো এবং মধু ফেইস প্যাক (Avocado And Honey Face Pack)

উপাদানসমূহঃ

  • ১/২ আভাকাডো
  • ২ টেবিল চামচ মধু

কিভাবে ব্যবহার করবো ঃ 

  • আভোকাডো মিশ্রণ করুন এবং মিশ্রণ করা আভোকাডোতে মধু ব্যবহার করুন।
  • আপনার মুখ এবং ঘাড়ের উপর মিশ্রণ ব্যবহার করুন।
  • এটি ১০-১৫ মিনিটের জন্য রেখে দিন, শুকিয়ে গেলে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

উপকারীতাঃ

আভাকাডো এবং মধু উভয় ত্বকের জন্য খুবই উপকারী এবং শীতকালে শুষ্ক ত্বকের সমস্যা নিরামযয়ে সাহায্য করে। আভাকাডোতে সুস্থকর ফ্যাট, ভিটামিন ই এবং সি, এবং ক্যারোটিনয়েড রয়েছে। আভাকাডো এবং মধু উভয়ই ত্বকের ভিতরের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে এবং ত্বককে হাইড্রেট রাখে। ময়শ্চারাইজিং বৈশিষ্ট্য ছাড়াও, মধুতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বককে সতেজ করে তুলে।

সতর্কতাঃ

প্রয়োজন নেই।

৮. নারকেল তেল (Coconut Oil)

উপাদানসমূহঃ

  • ভার্জিন নারকেল তেল (Virgin coconut oil)

কিভাবে ব্যবহার করবো ঃ 

  • ত্বককের ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে নারকেল তেল লাগান এবং আলতোভাবে ম্যাসেজ করুন যতক্ষণ পর্যন্ত না ত্বক শুষে নেয়।
  • পানি দিয়ে ধোয়া থেকে বিরত থাকুন।

উপকারীতাঃ

নারকেল তেল ত্বককে নরম ও মসৃণ করে তোলে এবং প্রাকৃতিকভাবে ত্বকের আর্দ্রতা সরবরাহ করে। এটি ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ এবং ত্বকের আর্দ্রতা কমাতে বাধা দেয়। শীতকালে, বিছানায় যাওয়ার আগে রাত্রে শরীরে নারকেল তেল ব্যবহার করুন।

সতর্কতাঃ

প্রয়োজন নেই।

৯. লেবু এবং মধু সমাধান (Lemon And Honey Solution)

উপাদানসমূহঃ

  • অর্ধেক লেবু
  • ২ টেবিল চামচ মধু
  • তুলার বল

কিভাবে ব্যবহার করবো ঃ 

  • অর্ধেক লেবু থেকে রস বের করে নিন এবং লেবুর রসে মধু ব্যবহার করুন।
  • উপাদানগুলো ভালভাবে মিক্স করুন এবং তুলো দিয়ে আলতো করে মুখে লাগান।
  • এটি ১০ মিনিটের জন্য ছেড়ে দিন এবং তারপর পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

উপকারীতাঃ

লেবু ভিটামিন সি (C) সমৃদ্ধ, মধুতে এ্যান্টি-ইনফ্লোমেটরি বৈশিষ্ট্য গুলি রয়েছে এবং যা শীতে কালে ফাটা ত্বককে প্রশমিত করা, ত্বকের চুলকানি কমাতে সাহায্য করে।

সতর্কতাঃ

এই প্রতিকার ব্যবহার করার পর একটি ভাল ত্বকের ময়শ্চারাইজিং লোশন ব্যবহার করুন।

১০. সূর্যমুখীর তেল (Sunflower Oil)

উপাদানসমূহঃ

  • কয়েক ফোটা সূর্যমুখী তেল।

কিভাবে ব্যবহার করবো ঃ 

  • প্যাকটি আপনার মুখে লাগান এবং আঙ্গুলের পেট দিয়ে আলতো করে ম্যাসেজ করুন।
  • ত্বক যতক্ষণ পর্যন্ত তেল শোষণ করে না নেয় ততক্ষণ পর্যন্ত ম্যাসেজ করুন।
  • মুখ ধোঁয়া থেকে বিরত থাকুন।

ইচ্ছে করলে আপনি আপনার পুরো শরীরে সূর্যমুখী তেল ব্যবহার করতে পারেন।

উপকারীতাঃ

সূর্যমুখী তেল শীতকালে শুষ্ক ত্বকের জন্য উপকারী উপাদান। এটি ভিটামিন এবং ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ। এটি আপনার ত্বককে তরূণ ও হাইড্রিয়েড রাখে, কারণ এটি প্রলেপের মাধ্যমে আপনার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। এটি সবচাইতে ভালো কাজ করে যদি আপনে রাতে ঘুমানোর আগে ব্যবহার করেন।

সতর্কতাঃ

প্রয়োজন নেই।

১১. স্ট্রবেরি মাস্ক (Strawberries Mask)

উপাদানসমূহঃ

  • ২-৩ টি স্ট্রবেরি
  • ১ চা চামচ মধু
  • ১ টেবিল চামচ ফ্রেশ ক্রিম

কিভাবে ব্যবহার করবো ঃ 

  • স্ট্রবেরি ভালভাবে মাশ করুন এবং এতে মধু ব্যবহার করুন।
  • উপাদানগুলো ভালভাবে মিশ্রণ করুন।
  • মুখের চারপাশে এই প্যাকটি ভালভাবে লাগান, চোখ এবং ঠোঁটে যেন না লাগে।
  • মুখে মাস্কটি ১০-১২ মিনিটের জন্য রেখে শুকিয়ে নিন। এবার কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

উপকারীতাঃ

স্ট্রবেরিতে ভিটামিন সি রয়েছে যা ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে সাহায্য করে। এটি ত্বককে নরম, মসৃণ এবং ময়শ্চারাইজ করে তোলে। এটি একটি প্রাকৃতিক উপাদান। এতে হালকা অ্যাসিড রয়েছে যা চামড়া মৃত কোষ দূর করে এবং ত্বককে উজ্জ্বল করে তুলে। এটার পর ভাল ক্রিম এবং মধু ময়শ্চারাইজিং ব্যবহার করলে ভাল।

সতর্কতাঃ

আপনার যদি দুগ্ধ থেকে এলার্জি হয়, তাহলে তাজা ক্রিমের পরিবর্তে অতিরিক্ত আরো ১ চামচ মধু ব্যবহার করতে পারেন।

১২. কলার মাস্ক (Banana Mask)

উপাদানসমূহঃ

  • ১/২ টি কলা
  • ১ চা চামচ মধু

কিভাবে ব্যবহার করবো ঃ 

  • কলা ভালভাবে মিশিয়ে ফেলুন, মেশানোর পর তাতে মদু মিক্স করুন। কলা এবং মধু ভালভাবে মিশ্রণ করুন যাত কোন ধরনের বড় আশঁ না থাকে।
  • আপনার মুখে এটি ব্যবহার করুন এবং ১৫-২০ মিনিটের জন্য মুখে রেখে দিন।
  • এবার পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

উপকারীতাঃ

কলাতে ভিটামিন সি (C), বি৬ (B6) এবং এ (A) রয়েছে যা ত্বককে ময়শ্চারাইজিং করে এবং পুষ্টি যোগায়। এটি ত্বকের প্রয়োজনীয় পানি ব্যালেন্স করে এবং হাইড্রয়েড রাখতে সাহায্য করে। এই মাস্ক ব্যবহার করে অতিরিক্ত সুবিধা পেতে পারেন যেমন এটি ত্বকের বার্ধক্য থেকে রক্ষা (anti-aging) করে এবং ত্বকের সূক্ষ্ম দাগ এবং বলি রেখা দূর করে।

সতর্কতাঃ

প্রয়োজন নেই।

১৩. মধু এবং কাঁচা দুধ (Honey And Raw Milk)

উপাদানসমূহঃ

  • ১ টেবলি চামচ মধু
  • ২ টেবিল চামচ কাঁচা দুধ
  • তুলা

কিভাবে ব্যবহার করবো ঃ 

  • মধু এবং দুধ মিশ্রিত করুন।
  • এই মিশ্রণে তুলো ভিজিয়ে নিন এবং আপনার শরীরে, মুখে এবং অন্যান্য শুষ্ক জায়গায় এটা ব্যবহার করুন।
  • প্রায় ১০ মিনিটের জন্য রেখে দিন এবং স্বাভাবিকভাবে শুকিয়ে ফেলুন।
  • পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

উপকারীতাঃ

মধুর ময়শ্চারাইজিং এর জন্য বেশ ভাল। দুধ ধীরে ধীরে শুষ্ক এবং আলগা চামড়া অপসারণ করে এবং ত্বক মসৃণ করে। এটি আপনার ত্বকের ময়শ্চারাইজিং করে।

সতর্কতাঃ

যদি আপনার ত্বক সংবেদনশীল হয় বা দুধে এলার্জি থাকে তবে এই প্রতিকারটি ব্যবহার করবেন না।

এই প্রাকৃতিক প্রতিকারের মাধ্যমে, আপনি আপনার ত্বককে নরম এবং মসৃণ রাখতে পারেন,  শীতকাল জুড়ে আপনি আপনার ত্বককে উজ্জ্ববিত রাখুন।

আপনার মতামত দিন।

Filed Under: Dry Skin, Home Remedies

শীতে আপনার মুখের যত্ন নিন ৭টি সহজ উপায়ে

by রূপকথন ডেস্ক Leave a Comment

যেকোন চরম আবহাওয়ায় এটা হোক গরম বা ঠান্ডা তা আমাদের ত্বকের  ক্ষতি হতে পারে। যাইহোক, আমি মনে করি শীতকালে বিশেষভাবে ক্ষতিকর হল শুষ্ক বাতাস এবং শীতল আবহাওয়া যা আমাদের ত্বককে শুকিয়ে ফ্লেকস (flakes) তৈরি করতে পারে। এই সময় নিয়মিত ত্বকের যত্নে ই পারে এর থেকে মুক্তি দিতে । সুতারাং এই সময়ে প্রয়োজন ত্বকের বেশি যত্ন নেওয়া যা আমাদের দিবে স্বাস্থ্যকর উজ্জ্বল ত্বক।

শীতকালে স্বাস্থ্য উজ্জ্বল চেহারা অর্জন করার জন্য এখানে আপনাদের ৭টি কৌশল জানানো হলো। যা আপনার ত্বকে ফাটা ও শুষ্কতা থেকে রক্ষা করবে রাখবে।

শীতকালে মুখের যত্নের ৭টি টিপস:

১. ক্লিনিং, স্বাস্থ্যকর ত্বকের প্রথম পদক্ষেপ (Cleansing, The First Step To Healthy Skin):

শীতে আপনি কোন পণ্যটি ব্যবহার করছেন সেটা প্রধান বিষয় নয়, মুখের ত্বকের যত্নে প্রথম ধাপ হল মুখ পরিষ্করণ। শুধু শীতে নয় এইটা সারা বছর অনুসরণ করা হবে। শীতকালে, আপনি ২-৩ বার মুখ পরিষ্কার করে ধুয়ে ফেলতে পারেন এবং অতিরিক্ত শুষ্কতা প্রতিরোধ করার জন্য ঠান্ডা দুধ এবং তুলার বল দিয়ে আপনার মুখ পরিষ্কার করুন।

২. স্ক্রাব (Scrub, Exfoliation Is The Key):

যে কোন ঋতুতে স্ক্রাব আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে দিতে পারে। তবে শীতকালে দৈনিক স্ক্রাবিংয়ের ফলে আপনার ত্বক বেশি ঘর্ষনের ফলে শুকিয়ে যেতে পারে। তবে সাপ্তাহে একটি হালকা স্ক্রাব ব্যবহারে আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।

আপনি চাইলে ঘরে বা হাতের কাছে পাওয়া যায় এমন সব প্রাকৃতিক উপানদান ব্যবহার করে নিজের তৈরি স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন।

আপনাদের সুবিধার জন্য একটি ফলের স্ক্রাবিং এর নমুনা দেয়া হল।

  • ২ টেবিল চামচ পাকা কলা
  • ২ টেবিল চামচ আপেলের পেস্ট
  • ১ টেবিল চামচ মধূ
  • ২ ডলপো হালকা পুদিনা (dollops of your Mild scrub)

সব উপাদান এক সাথে ভালভাবে মিশ্রণ করুন এবং আলতোভাবে আপনার মুখে ২ মিনিট ধরে স্ক্রাব করুন। তারপর হালকা উষ্ণ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন এবং শুকনো তোয়ালে দিয়ে মুখটা মুছে ফেলুন।

  ৩. ত্বকের টোনিং (Toning To Tighten The Skin):

প্রথমে যা করতে হবে তা হল, সর্বদা একটি হালকা টোনার ব্যবহার করতে হবে যা আপনার ত্বকের জন্য উপযুক্ত । একটি খারাপ টোনার ত্বকের PH levels নষ্ট করে। টোনিং আপনার মুখের অতিরিক্ত ময়লা দূর করতে সাহায্য করে। টোনিং আপনার ত্বককে শুধু টান টান ভাব করতেই সহায়তা করেনা বরং এটি আপনার ত্বককে শুষ্ক আদ্রতার হাত থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে। আপনি রাতে ঘুমানোর আগে এটি  ব্যবহার করতে পারেন।

৪. ময়শ্চারাইজিং (Moisturizing For Soothing):

ময়েশ্চারাইজিং কেবল শুষ্ক এবং ফ্লাকি ত্বকের জন্য অপরিহার্য নয় বরং নিয়মিত সকল ত্বকের পরিচর্যার জন্য এটি প্রয়োজন। যদি আপনি রাসায়নিক যুক্ত (chemical-laden) পণ্যের উপর ভরসা করতে না পারেন সেক্ষেতে আপনি প্রাকৃতিক পণ্যগুলো দ্বারা ঘরে বসে ময়েশ্চারাইজ তৈরি করতে পারেন।

যেমন আমন্ড ওয়েল (almond oil) বা এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল (extra virgin olive oil) আপনার ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন।

বিকল্প হিসাবে আপনি আপনার নরমাল কোল্ড ক্রিম বা লোশনের সাথে ওয়েল মিশ্রণ করতে পারেন। হালকাভাবে আপনার ত্বকের মধ্যে ম্যাসেজ করুন যতক্ষণ পর্যন্ত না আপনার ত্বক উপাদানগুলো শোষণ করে নেয়।

৫. শীতের জন্য প্রয়োজনীয় ফেইস প্যাক (Essential Face Packs For Winter):

আপনার রান্নাঘরে অনেক উপাদান রয়েছে যা শীতে ঠান্ডা আবহাওয়া থেকে আপনার মুখের ত্বক আরো নরম ও কমল রাখে রাখতে সাহায্য করবে । এখানে কয়েকটি ফেইস প্যাক তৈরির উপায় দেওয়া হল।

এভোকাডো ফেইস প্যাক (Avocado Face Pack):

পাকা এভোকাডো (Avocado) তে পর্যাপ্ত ময়েশ্চারাইজিং উপাদান রয়েছে। এটি আপনার মুখের পাশাপাশি চুলের জন্যও খুব উপকারী।এভোকাডো পেস্ট মুখে দিয়ে ১০-১৫ মিনিট রেখে দিন তার পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলোন। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। টোনারের পরিবর্তে এই হালকা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে পারেন।

কলার ফেইস প্যাক (Banana Face Mask):

পাকা কলায় ময়শ্চারাইজিং এর বিশাল উৎস। ৪ থেকে ৫ টেবিল-চামচ পাকা কলার পেস্ট নিন এবং মুখে হালকাভাবে ম্যাসেজ করুন। ১০ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন এবং আপনার মুখে মধু দিয়ে আবার কিছুক্ষণ ম্যাসেজ করুন। অতিরিক্ত ময়শ্চারাইজিং অনুভূতির জন্য পুরো মুখে ঘসুন। কমপক্ষে ১০ মিনিটের জন্য তা করুন এবং একটি টোনার ব্যবহার করে শেষ করুন।

বাটার মিল্ক (Buttermilk Pack):

কাচাঁ হলুদের সাথে ফ্রেশ বাটার মিল্ক মিশ্রণ করুন, এবার মুখে আলতো করে লাগান। মুখে লাগানো পেস্টটি ১০ মিনিট পরে কুসুম গরম পানি দ্বারা ধুয়ে ফেলুন।

অ্যালোভেরা (Aloe Vera):

অ্যালোভেরা অবিশ্বাস্যভাবে ময়শ্চারাইজিং উপাদানের এর জন্য পরিচিত। অ্যালোভেরা মুখের ময়েশ্চারাইজের জন্য ব্যবহার করাতে পারেন। এটি শুষ্কতা থেকে আপনার মুখকে রক্ষা করবে এবং ত্বক উন্নত করার একটি আদর্শ উপায়।

৬. নিজেকে হাইড্রেড রাখুন (Keep Yourself Hydrated):

প্রচুর পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি পান করুন এটি শুষ্ক আবহাওয়া অত্যন্ত অপরিহার্য  শরীর এবং ত্বককে হাইড্রিয়াল রাখার জন্য। এটি আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা নিশ্চিত করে।

৭. সূর্য থেকে আপনার ত্বক রক্ষা (Shield Your Skin From The Sun):

শীতকালে সূর্য কুয়াশার বা মেঘের আড়ালে লুকিয়ে থাকে। কিন্তু এটি তখনও আপনার ত্বকে ক্ষতিকর UVA এবং UVB রশ্মি মেঘের ভিতর দিয়ে ছড়ায় । সুতারাং বাইরে বের হওয়ার সময় সানস্ক্রিন ব্যবহার করা ভুলবে না।

আশা করি, এই টিপসগুলি আপনাকে শীতকালীন দুর্দশার হাত থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করবে। আপনার শীতকালে স্কিন কেয়ারের আরো টিপস পেতে চান? তাহলে নীচের মন্তব্য বিভাগে একটি টেক্স ড্রপ করুন।

Filed Under: Dry Skin

গ্লিসারিন ব্যবহার করার ৪ টি সহজ উপায়

by রূপকথন ডেস্ক Leave a Comment

আপনি কি সুন্দর ও উজ্জ্বল ত্বকের জন্য কোন প্রাকৃতিক উপায় খুঁজছেন? ভাবছেন যদি এমন কিছু থাকতো যা দিয়ে আপনি আপনার ত্বক উজ্জ্বল এবং দীপ্তিময় রাখতে পারতেন? তাহলে আপনি গ্লিসারিনের সাথে গোলাপ জল এবং লেবুর রস ব্যবহার করতে পারেন।

ভাবছেন, কিভাবে এটি আপনার কাঙ্ক্ষিত নিখুঁত ত্বক পেতে সাহায্য করে? জানার জন্য পড়তে থাকুন।

কিভাবে আপনি আপনার ত্বকে গ্লিসারিন, গোলাপ জল এবং লেবুর রস ব্যবহার করবেন?

আপনার ত্বকের জন্য গোলাপজল এবং লেবুর রস দিয়ে গ্লিসারিন ব্যবহার করার বিভিন্ন রকম কার্যকর উপায় রয়েছে।

এখানে কতগুলো কৌশল দেয়া হল যা আপনাকে চমৎকার মিশ্রণ তৈরী করতে সাহায্য করবে।

১.  মেকআপ সেটিং স্প্রে  (Makeup Setting Spray):

আমরা দোকান থেকে যে মেকআপ সেটিং স্প্রে ক্রয় করি সেটি সাধারণত কেমিক্যাল দিয়ে পূর্ণ থাকে। তাই  গ্লিসারিন, গোলাপজল এবং লেবুর রসের মিশ্রণের ব্যবহার করা সবচেয়ে ভাল একটি উপায়, কারণ এটি আপনার ত্বকের জন্য নিরাপদ।

এই স্প্রে তৈরী করার জন্য আপনার যা যা দরকার হবে তা হল :

  • ২০ মি.লি. গোলাপ জল।
  • ২ ফোটা গ্লিসারিন।
  • ১ চা চামচ লেবুর রস।

এবার সবগুলো উপকরণ একসাথে মিশিয়ে নিন এবং একটি স্প্রে বোতলে ভরে ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন। আপনি এই স্প্রে ৪ সাপ্তাহ পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারবেন।

যদি আপনার ত্বক শুষ্ক হয় তাহেল একটি ভিটামিন ই ক্যাপসুল যোগ করুন যাতে আপনার ত্বক পর্যাপ্ত পরিমান পুষ্টি পায়। মেকআপ লাগানোর পরে এই স্প্রেটি ব্যবহার করলে এটি আপনার ফাউন্ডেশন ভেসে উঠা প্রতিরোধ করবে এবং আপনার মেকআপ দীর্ঘক্ষণ স্থায়ী করবে।

২. ফেশিয়াল ক্লিনজার অথবা স্ক্রাব  (Facial Cleanser/Scrub):

আপনি গ্লিসারিন, গোলাপজল এবং লেবুর রস দিয়ে একটি চমৎকার ফেসিয়াল স্ক্রাব করতে পারেন।

আপনাকে যা করতে হবে তা হল:

  • ১ চা চামচ গ্লিসারিন।
  • ১ চা চামচ লেবুর রস।
  • ১ টেবিল চামচ গোলাপ জল।
  • ১ চা চামচ চিনি।

সবগুলো উপাদান একসাথে মিশিয়ে ভালোভাবে ততক্ষন নাড়তে থাকুন যতক্ষন না পর্যন্ত চিনি পুরোপুরি মিশে যায়। এবার মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে আলতোভাবে ঘষে মুখের মৃত চামড়া তুলে ফেলুন। ঘরে তৈরি এই স্ক্রাব দিয়ে আপনি আপনার মুখের মৃত চামড়া, ধুলো-বালি এবং অন্যান্য দূষিত কণা তুলে ফেলতে পারেন। এই প্যাকটি আপনি আপনার ঘাড়, হাত, বাহু এবং হাঁটুতেও ব্যবহার করতে পারেন।

যখন এটি আপনি নিয়মিত ব্যবহার করবেন, আপনি লক্ষ্য করবেন আপনার শরীরের কালো অংশগুলো আস্তে আস্তে উজ্জ্বল হচ্ছে। আপনি মিশ্রণে একটি তুলা ভিজিয়ে এই তুলা মুখের মেকআপ পরিষ্কার করার জন্য, অতিরিক্ত তেল, ধূলোবালি ইত্যাদি দূর করার জন্য ব্যবহার করতে পারেন।

৩. ফেশিয়াল মাস্ক  (Facial Mask):

গ্লিসারিন, গোলাপ জল এবং লেবুর রসের মিশ্রণ একটি চমৎকার মাস্ক তৈরী করে, কারণ এই উপাদানগুলো আপনার ত্বককে যথেষ্ট পরিমান আদ্রতা সরবরাহ করে। এটি মৃত চামড়া তুলে ফেলতে খুব চমৎকারভাবে কাজ করে এবং আপনার ত্বককে পুনরুজ্জীবিত করতে সহায়তা করে। মুখের দাগ, বলেরেখা এবং বয়সের ছাপ দূর করতে সাহায্য করে। এটি আপনার ত্বকের পিএইচ ব্যালেন্সের (pH balance) ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করে।

এটি ব্রণ দূর করে এবং ব্রণ-সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে আপনাকে ভবিষ্যতে ব্রণ উঠা থেকে মুক্তি দেয়।

৪. ময়েশ্চারাইজার (Moisturizer):

আপনি ইতিমধ্যে জেনেছেন যে, গ্লিসারিনের ব্যবহার শুষ্ক ত্বককে নমনীয় করার জন্য একটি দুর্দান্ত উপায়, বিশেষ করে শীতকালে জন্য। ময়েশ্চারাইজার হিসেবে গ্লিসারিনের সাথে গোলাপ জল এবং লেবুর রসের ব্যবহার আপনার ত্বকের অনেক জন্য উপকার আসে এবং এটির সব চেয়ে ভাল দিক হল এটি যেকোন ত্বকের জন্য মানানসই।

এছাড়াও গোলাপজলে ফিনিলেথানল (phenylethanol) রয়েছে, যা সংকোচন সৃষ্টিকারী এবং একটি কার্যকর রোগ প্রতিরোধকারী হিসেবে কাজ করে যা ত্বকের জন্য ক্ষতিকারক দাউদ, ব্রণ এবং অন্যান্য চর্মরোগ প্রতিরোধ করে।

আপনি দেখতে পাবেন, আপনার ত্বকে গ্লিসারিন, গোলাপ জল এবং লেবুর রস ব্যবহার করার অনেক উপায় রয়েছে। যখন এটাকে আপনি আপনার প্রতিদিনের রুপচর্চার অংশ হিসেবে ব্যবহার করবেন, তখন আপনি  নমনীয়, উজ্জ্বল এবং দাগহীন ত্বক পাবেন।

গ্লিসারিন, গোলাপ জল এবং লেবুর রস এই উপাদানগুলোর মধ্যে অনেক আশ্চর্যজনক প্রাকৃতিক গুণাবলী রয়েছে যা আপনার ত্বকে বিস্ময়কর প্রভাব ফেলে। যার ফলে বেশিরভাগ সময়ই এগুলো রুপচর্চা করার বিভিন্ন পণ্যে ব্যবহার করা হয়।

সবসময় উজ্জ্বল এবং দীপ্তিময় ত্বক পাওয়ার জন্য গ্লিসারিন, গোলাপ জল এবং লেবুর রসের মিশ্রণ ব্যবহার করুন।

Filed Under: Skin Care Ideas

১৫ টি কৌশল যা শীতকালেও আপনার মুখের ত্বককে উজ্জ্বল রাখবে

by রূপকথন ডেস্ক Leave a Comment

শীতকাল আমাদেরকে সূর্যের তাপের হাত থেকে সাময়িকভাবে আমাদের ত্বককে রক্ষা করে। কিন্তু সেই সাথে আমাদের অনেক সমস্যারও মুখোমুখি হতে হয়। আপনি যদি এই শীতে নিখুঁত লাবন্যময় ত্বক পেতে চান এবং খারাপ আবহাওয়ার হাত থেকে ত্বককে নিরাপদে রাখতে চান তাহলে কিছু কৌশলগুলো অনুসরণ করুন।

শীতকাল আমাদের ত্বকের উজ্জ্বলতা হারিয়ে ত্বক হয়ে যায় প্রাণহীন রুক্ষ শুষ্ক। চিন্তা করবেন না শীতকালীন রূপচর্চা কৌশলগুলো খুব একটা জটিল নয়। আসলে, এই কৌশলগুলো প্রত্যেকদিন আপনার ত্বককে মসৃণ, সুন্দর, শুষ্ক এবং তৈলাক্ততা দূর করতে সাহায্য করবে।

তৈলাক্ত বা শুষ্ক ত্বকের মানুষগুলো খুব একটা ভাগ্যবান নয়। এটার অর্থ এই নয় যে, আপনি আপনার এই শুষ্ক বা তৈলাক্ত ত্বক নিয়ে শীতে চলাফেরা করতে পারবেন না। এই শীতে আপনার ত্বককে উজ্জ্বল রাখার জন্য কিছু কৌশল আমি দিচ্ছি।

শীতকালে উজ্জ্বল লাবন্যময় ত্বক পেতে ১৫টি কৌশল ।

১. পরিষ্করণ (Cleansing):

প্রতিদিন আপনি ২-৩ বার আপনার মুখ পরিষ্কার করুন এবং রাতে শুতে যাওয়ার আগে মুখ ভালভাবে পরিষ্কার করুন। ত্বকের শুষ্কতা মোকাবেলা করার জন্য ঠান্ডা দুধ এবং তুলো ব্যবহার করে মুখ পরিষ্কার করুন।

২. স্ক্রাবিং (Scrubbing):

শীতকালে নিয়মিত স্ক্রাবিং করা অবশ্যই জরুরী। স্ক্রাবিংয়ে মরা কোষ ঝরে যায়। ত্বকের পানি ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়ে। যাইহোক, সাপ্তাহে একবার বা দুবার স্ক্রাবিং করা এবং হালকা শীতকালীন পণ্য ব্যবহার করা উচিত।

৩. টোনিং (Toning): 

শীতকালে তৈলাক্ত ত্বক ভিতরে তেলগুলোকে লুকিয়ে রেখে ত্বক আরো শুষ্ক করে দেয়। তাই শীতকালে তৈলাক্ত ত্বকের পরিচর্যায় বেশি করে যত্নসহকারে ত্বকের টোনিং করা।

৪. ময়শ্চারাইজিং (Moisturising):

প্রতিদিন আপনার ত্বকের ময়শ্চারাইজিং করতে হবে। একটি কোল্ড ক্রিম (cold cream) এর পরিবর্তে, আপনি ময়শ্চারাইজ করতে কাজু বাদাম বা এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল তেল ব্যবহার করতে পারেন।

৫. ফেস প্যাক (Face Packs):

শুষ্ক ত্বকের জন্য শীতকালীন যত্ন মানে হাতে বানানো হাইড্রেটিং মাস্ক ব্যবহার যা থেকে ঠান্ডার আদ্রতা থেকে আপনার ত্বককে বাচাঁতে সাহায্য করে। যেমন: মধু, তরমুজ, এভোকাডো, দই, অলিভওয়েল, জোজবা তেল, আমন্ড তেল, কলা যা আপনি পেতে পারেন।

৬. ভিতরের আদ্রতা ধরে রাখুন (Stay hydrated inside):

শুষ্ক ত্বক আদ্রতা হারায়। আপনার শরীর ও ত্বকের আদ্রতাপূর্ণ রাখাতে নিয়মিত পানি পান করুন।

৭. সানস্ক্রীন (Sunscreen):

শীতকালে সূর্যের তাপ আপনার কাছে কম মনে হতে পারে। কিন্তু এই সূর্যের তাপ থেকে আপনার ত্বককে রক্ষা করা প্রয়োজন। যখন আপনি বাইরে বের হবেন অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করে তারপর বাইরে বের হবেন।

৮.  গরম পানি (Lukewarm water):

গরম পানির শাওয়ার আপনার কাছে বিলাসিতা মনে হতে পারে। যদি তাপমাত্রা খুব বেশী হয় এবং আপনি খুব দীর্ঘ সময় ধরে থাকেন তাহলে প্রকৃতপক্ষে আপনি আপনার ত্বকের আদ্রতা শুকিয়ে ফেলেছেন।

৯. সঠিক ময়েশ্চারাইজার নির্বাচন করুন  (Choose the right moisturiser):

একটি তেল-ভিত্তিক (oil-based) ময়েশ্চারাইজার এবং একটি প্রাকৃতিক উপাদানের মাধ্যমে আপনার ত্বকের পরিবর্তন করতে পারেন।

১০. ত্বককে রক্ষা করা (Use protection):

সানস্ক্রীনের পাশাপাশি, ঠান্ডা বাতাস থেকে আপনার ত্বককে রক্ষা করার জন্য আপনার সমস্ত শরীর গরম কাপড় দ্বারা ঢেকে রাখুন।

১১. রাতের ময়েশ্চারাইজ (Overnight moisturise):

যখন আপনি বিছানায় ঘুমাতে যান তখন আপনার হাত ও পায়ে একটি নাইট ক্রিম ব্যবহার করুন। আপনি আদ্রতাকে এড়াতে গ্লাভস ব্যবহার কর করতে পারেন।

১২. আপনার পরিস্কারের ধরন পরিবর্তন (Change your cleanser):

আপনার গ্রীষ্মকালীন ক্লিনজার (cleanser) পরিবর্তন করে শীতকালীন ময়েশ্চারাইজিং করুন। গ্রীষ্মকাল যাওয়ার সাথে সাথে  শীতকালীন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

১৩. ভাজা খাবার থেকে দূরে থাকুন (Stay away from fried food):

শীতকালে ভাজা, চিনিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। কারণ এটি আপনার শরীরের উপর আরো বেশি পরিমাণ চাপ সৃষ্টি করে এবং হজম প্রক্রিয়া কমায়।

১৪. স্বাস্থ্যসম্মত খাবার (Eat healthy):

আপনার খাদ্যের তালিকায় প্রচুর ফল এবং ফলের শরবত যুক্ত করুন। আপনার খাদ্যতে ভিটামিন এ (A) এবং ই (E) যোগ করুন।

১৫.  খুব ভারী মেকআপ পরিহার করা উচিত (Avoid damp make ups as it leads to clogging up of pores):

আপনার মেকআপে শুষ্ক এবং হালকা উপাদান থাকা আবশ্যক।

উপরে আমার দেয়া টিপসগুলো অনুসরণ করুন এবং আপনি এই শীতে আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে দিন।

Filed Under: Dry Skin

  • « Go to Previous Page
  • Page 1
  • Interim pages omitted …
  • Page 9
  • Page 10
  • Page 11
  • Page 12
  • Go to Next Page »

Primary Sidebar

সাম্প্রতিক লেখা

১৬টি সেরা খাবার সকালবেলার দৌড়ের পর খাওয়ার জন্য – পোস্ট-রান রিকভারি পুষ্টি

ওজন কমাতে সেরা ২০টি ডিটক্স স্মুদি: উপাদান, প্রস্তুতি ও উপকারিতা

সহজে হজম হয় এমন ১৬টি হালকা খাবারের রেসিপি

Low FODMAP Diet: ৩ ধাপের পরিকল্পনা ও কোন খাবার খাবেন, কোনটা এড়িয়ে চলবেন

প্যালিও ডায়েট: উপকারিতা, ঝুঁকি ও ৭ দিনের খাবার পরিকল্পনা

বিভাগ সমূহ

  • Fashion
  • HAIR CARE (চুলের যত্ন)
    • Basic Hair Care (বেসিক হেয়ার কেয়ার)
    • Dandruff (খুশকি)
    • Dry Hair Care (শুকনো হেয়ার কেয়ার)
    • Hair Care Ideas
    • Hair Fall ( চুল পড়া)
    • Hair Growth ( চুল বৃদ্ধি)
    • Hair Treatment (চুল চিকিৎসা)
    • Oily Hair Care ( তৈলাক্ত চুলের যত্ন)
  • HEALTH & WELLNESS (স্বাস্থ্য ও সুস্থতা)
    • Diet Tips
    • Fitness
    • Healthy Food
    • Home Remedies
    • Ingredients and Uses
    • Nutrition (পুষ্টি)
    • Weight Gain
    • Weight Loss (ওয়েট লস)
  • Lifestyle (জীবনযাপন )
  • MAKEUP (মেকআপ)
    • Bridal Makeup (ব্রাইডাল মেকআপ)
    • Eye Makeup (চোখের সাজসজ্জা)
    • Lip Make up (লিপ আপ করুন)
  • SKIN CARE (ত্বকের যত্ন)
    • Acne
    • Anti Ageing
    • Beauty Secrets
    • Dry Skin
    • Face Care Tips
    • Face Packs and Masks
    • Glowing skin
    • Homemade Tips
    • Oily Skin
    • Skin Care Ideas
    • Skin Care Problems
    • Sunscreen
  • Top 10's

Copyright © 2026 · RUP KOTHON · All rights reserved ®