• Skip to primary navigation
  • Skip to main content
  • Skip to primary sidebar

রূপকথন

Healthier Lifestyljhhe Choices

  • Facebook
  • Home
  • Shop
  • Blog
    • মেকআপ
      • ব্রাইডাল মেকআপ
      • সেলিব্রিটি মেকআপ
      • চোখের সাজসজ্জা
      • মুখের রূপসজ্জা
      • লিপ মেকআপ
      • মেকআপের ধারণা
      • মেহেদী ডিজাইন
      • নখের ডিজাইন
    • চুলের যত্ন
    • ত্বকের যত্ন
    • চুল স্টাইল
    • স্বাস্থ্য ও সুখ
      • ফিটনেস
      • স্বাস্থ্যকর খাবার
      • ওজন বৃদ্ধি
      • ওজন কমানো
      • যোগ ব্যায়াম
      • ডায়েট টিপস
      • আয়ুর্বেদ
  • Contact Us

SKIN CARE (ত্বকের যত্ন)

২ টি সহজ ও কার্যকরী উপায়ে বীটরুট ফেইস প্যাক তৈরি করে আজই ব্যবহার করুন যা আপনাকে করবে আরো উজ্জ্বল এবং আকর্ষণীয়

by Mohona Leave a Comment

আপনি হয়ত খুব ভালো করে জানেন বীটরুট কতটা উপকারী সবজি!

কিন্তু আপনি কি কখনো কল্পনা করেছেন যে এই বীটরুট ফেইস প্যাক হিসেবেও ব্যবহার হতে পারে?

যদি আপনি না জেনে থাকেন তাহলে এখনি জেনে নিন! কারণ, একটি বীটরুটের ফেইস প্যাক আপনার ত্বকের খুব ভালো উপকার করতে পারে!

বীটরুটের অনেক স্বাস্থ্য সম্মত উপকারীতা আছে। বৈজ্ঞানিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে কাঁচা বীটরুট ডিমেনশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ করে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

কাঁচা বীটরুট ব্যায়ামের জন্য খুব ভালো সাপ্লিমেন্ট হিসেবে কাজ করে। তারা পেশীতে অক্সিজেন সরবরাহ বৃদ্ধি করে, অতি মাত্রার ব্যায়ামের তীব্রতা সহ্য করতে সাহায্য করে।

বীটরুটে শক্তিশালী এ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, এ্যান্টি-ইনফ্লেমেটোরি এবং ফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তারা গেঁটো বাত এবং গাল ব্লেডারের চিকিৎসার জন্য পরিচিত। এতে হোমোসিটেইনি (Homocycteine) রয়েছে, এটি একটি যৌগ যা পাকস্থলির অ্যাসিড পুনরুৎপাদন করে এবং কোলেস্টেরল হ্রাস করে।

বীটরুট চুল এবং ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। অনেক সংস্কৃতিতে এটি ফেইস মাস্ক হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এটি আপনার ত্বকে গোলাপী আভা সৃষ্টি করে। যদিও উজ্জ্বল ত্বকের মানুষের গায়ে ফলাফল বেশি দৃশ্যমান হয়, প্রতিদিন বীটরুটের মাস্ক ব্যবহারে এটি আপনাকে মুখের দাগ এবং গর্ত কমিয়ে নিখুঁত ত্বক দিতে সাহায্য করে।

তাই, এই লিখাটি পরার পর আপনি বীটরুটের ফেইস প্যাক ব্যবহার করা থেকে নিজেকে আটকাতে পারবেন না। তাই এখনি পড়ুন!!!

কিভাবে ঘরেই বীটরুটের ফেইস প্যাক বানাবেন?

ঘরেই বীটরুটের ফেইস প্যাক বানানোর জন্য এই ২ টি পদ্ধতির যে কোন একটি অনুসরণ করুন।

১. গরম পানি দিয়ে বীটরুট ফেইস প্যাক

উপকরণ

  • বীটরুটের রস (৫-৬ চা চামচ)
  • গরম পানি
  • তুলা
  • গামছা অথবা ন্যাপকিন
  • সুতির তোয়ালে

প্রক্রিয়া

  • গরম পানি দিয়ে পুরো মুখ ধুয়ে নিন এবং শুকাতে দিন। গরম পানি মুখের ময়লা ও ধুলাবালি মুছে যেতে সাহায্য করবে।
  • কিছু বীটরুট কেটে জুস করে নিন এবং একটি তুলার বল জুসে ডুবিয়ে নিন।
  • বীটরুটের রসে ভিজানো তুলার বলটি আপনার মুখে লাগান। আপনার চোখে এবং মুখের ভিতর যাতে না লাগে সেই দিকে সতর্ক থাকবেন, কারণ আপনি নিশ্চই গোলাপি দাঁত চাইবেন না। সাবধানে প্রয়োজনমত আপনার ত্বক ভিজাবেন, কিন্তু আপনার মুখ থেকে এর রস যাতে গড়িয়ে না পরে সেই দিকে লক্ষ্য রাখবেন।
  • তুলো দিয়ে আবার আরেক পড়ত রস মুখে লাগানোর আগে প্রথমবার লাগানো রস শুকাতে দিন। দ্বিতীয় স্তর নিশ্চিত করে যে আপনি পুরো মুখ বীটরুট রস দিয়ে ঢেকে ফেলেছেন।
  • ১৫-২০ মিনিট শুকাতে দিন।
  • মুখে হাত দিবেন না কারণ এতে লাগানো রস মুছে যাবে এবং এমনকি আপনার হাতেও দাগ লেগে যাবে। ২০ মিনিট পরেই এটা ধুয়ে ফেলতে ভুলবেন না কারণ এটা দাগ ছড়াতে পারে।
  • একটি গামছা বা ন্যাপকিন গরম পানিতে ডুবিয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। ভিজানো গামছাটি দিয়ে বৃত্তাকারভাবে রসগুলো মুছে ফেলুন।
  • একটি তোয়ালে দিয়ে আপনার মুখ মুছে নিন।
  • আপনি আপনার মুখে তাৎক্ষণিক একটি গোলাপী আভা লক্ষ্য করবেন। সুন্দর ত্বক পাওয়ার জন্য এই ফেইস প্যাকটি মাসে ২ বার ব্যবহার করুন।

২. দই এবং লেবু দিয়ে বীটরুট ফেইস প্যাক

উপকরণ

  • বীটরুট রস (২ চা চামচ)
  • দই (১ চা চামচ)
  • লেবু (১ চা চামচ)
  • মুলতানি মাটি/বেসন (২ টেবিল চামচ)

প্রক্রিয়া

  • একটি ছোট পাত্রে কাঁটা বীটরুট থেকে রস চিপে বের করে নিন।
  • একটি পাত্রে বীটরুটের রসের সাথে ২ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি/বেসন, দই, লেবুর রস যোগ করুন।
  • উপকরণগুলো একসাথে মিশিয়ে মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন।
  • আপনার মুখে সমানভাবে পেস্টটি লাগান এবং ১৫ মিনিট রেখে দিন।
  • কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
  • আপনার মুখ মুছে ফেলুন। আপনি লক্ষ্য করবেন আপনার মুখে তাত্ক্ষণিক গোলাপী আভা ছড়িয়েছে এবং আপনার ত্বক উজ্জ্বল হয়েছে। নিখুঁত ত্বক পাওয়ার জন্য ৫-৭ বার এই ফেইস প্যাকটি ব্যবহার করুন।

তাহলে আর দেরি কেন? উজ্জ্বল গোলাপী আভাযুক্ত নিখুঁত ত্বক পাওয়ার জন্য আজকে থেকেই বীটরুটের এই ফেইস প্যাকগুলো ব্যবহার শুরু করুন।

Filed Under: Face Packs and Masks

৮ টি মসুরের ডালের ফেইস প্যাক যা প্রাকৃতিক ভাবে সৌন্দর্য বৃদ্ধির এবং ত্বকের যত্নে সেরা উপাদান (নিয়ম দেওয়া হলো)

by Mohona Leave a Comment

ডাল, যা সবসময় আমাদের রান্নাঘরে পাওয়া যায়, এই ডাল আমাদের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য ত্বকের যত্নের সেরা উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিভিন্ন রকম ডাল যেমন মুগ ডাল, চনার ডাল, বেসন, মসুরের ডাল ইত্যাদি আমাদের ত্বকের সমস্যা দূর করতে প্রাকৃতিক প্রতিকার হিসেবে কাজ করে। আজকে আমরা “মসুরের ডালের” ফেইস প্যাক এবং এদের ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করবো।

আপনি লাল মসুরের ডাল ভেঙ্গে গুঁড়ো করতে পারেন এবং একটি বায়ুরোধী পাত্রে শুকনো এবং পরিষ্কার স্থানে সংরক্ষণ করতে পারেন। যখনই আপনি ফেইস প্যাক বানাতে যাবেন তখন এই ডাল ব্যবহার করতে পারবেন।

নিচে ত্বকের যত্নে কিছু মসুর ডালের ফেইস প্যাক দেওয়া হলোঃ

১. সব ত্বকের উপকারী ফেইস প্যাক

মসুর ডালের এই ফেইস প্যাকটি ত্বককে গভীর থেকে পরিষ্কার করতে, মুখের ছিদ্র ছোট করতে, ত্বক উজ্জ্বল করতে এবং রোদে পোড়া ভাব দূর করতে ব্যবহার করা হয়। ব্রণ প্রতিরোধ করার জন্য এই মাস্কটি ত্বক পরিষ্কার করবে, ত্বককে নরম করবে, ত্বকে পুষ্টি জোগাবে এবং ত্বককে তেল মুক্ত করবে।

প্রক্রিয়া

  • কিছু মসুরের ডাল সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।
  • সকালবেলা মসুরের ডালগুলোর ঘন পেস্ট তৈরি করুন।
  • ১/৩ কাপ কাঁচা দুধ যোগ করুন।
  • ডালের সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন।
  • পেস্টটি বৃত্তাকারভাবে পুরো মুখে লাগাতে থাকুন।
  • ২০ মিনিটের জন্য মুখে রেখে দিন।
  • ধুয়ে ফেলুন এবং মুখ শুকাতে দিন।

২. প্রতিদিনের ফেইস ওয়াশঃ

এই ফেইস প্যাকটি সকল ধরণের ত্বকে মানানসই। এটি প্রতিদিনের ফেইস ওয়াশ হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে।

প্রক্রিয়া

  • ১ টেবিল চামচ মসুর ডালের গুড়ো, ২ টেবিল চামচ দুধ এবং এক চিমটি হলুদের সাথে ৩ ফোঁটা নারিকেল তেল মিশান।
  • আপনার মুখে সমানভাবে লাগান।
  • ২ মিনিট রেখে দিন।
  • আস্তে আস্তে ঘষে ধুয়ে ফেলুন।

বিঃদ্রঃ আপনার ত্বক শুষ্ক হলেই নারিকেল তেল ব্যবহার করবেন।

৩. ত্বকের উজ্জ্বলতার ফেইস প্যাক

মসুর ডালের এই ফেইস প্যাকটি ত্বকে উজ্জ্বলতা বাড়ায়, কালো দাগ দূর করে, ত্বকের শুষ্কতা কমায় এবং ব্রণ প্রতিরোধ করে।

প্রক্রিয়া

  • একটি পাত্রে ৫০ গ্রাম মসুরের ডাল সারারাত ভিজিয়ে রাখুন।
  • সকাল বেলা ভিজানো মসুরের ডালের পেস্ট তৈরি করুন।
  • ১ চা চামচ কাঁচা দুধ এবং ১ চা চামচ বাদাম তেল পেস্টটিতে মিশান।
  • আপনার মুখে ফেইস প্যাকটি সমানভাবে লাগান।
  • ১৫-২০ মিনিট রেখে দিন।
  • ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৪. শুষ্ক ত্বকের ফেইস প্যাক

মসুর ডালের এই ফেইস প্যাকটি শুষ্ক ত্বকে খুব ভালো কাজ করে।

প্রক্রিয়া

  • ২ চা চামচ মসুর ডাল দুধের মধ্যে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন।
  • সকাল বেলা এর ঘন পেস্ট তৈরি করুন।
  • আপনার মুখ এবং ঘাড়ে সমানভাবে পেস্টটি লাগান।
  • ২০ মিনিট রেখে দিন।
  • ধুয়ে ফেলুন এবং মুখ শুকিয়ে নিন।

বিঃদ্রঃ আপনার ত্বক তৈলাক্ত হলে দুধের পরিবর্তে গোলাপ জল ব্যবহার করতে পারেন।

৫. মেথির ফেইস প্যাক

মেথির এবং মসুর ডালের উপকারিতা প্রায় একই।

প্রক্রিয়া

  • ২-৩ চা চামচ মসুর ডাল সারারাত ভিজিয়ে রাখুন।
  • সকালবেলা এর ঘন পেস্ট তৈরি করুন।
  • পেস্টের সাথে মেথি যোগ করুন।
  • আপনার পুরো মুখে সমানভাবে পেস্টটি লাগান।
  • এটি শুকাতে দিন।
  • ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন এবং শুকিয়ে নিন।

৬. ফেসিয়াল হেয়ার রিমুভাল ফেইস প্যাক

মসুর ডালের এই ফেইস প্যাকটি আপনার ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে এবং মুখের লোম দূর করতে সাহায্য করে। এই প্যাকে থাকা কমলালেবুর খোসা আপনাকে উজ্জ্বল ত্বক পেতে সাহায্য করে।

প্রক্রিয়া

  • ১০০ গ্রাম মসুর ডাল, ৫০ গ্রাম চন্দন কাঠের পাউডার এবং কমলার খোসার পাউডার দুধের মধ্যে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন।
  • সব উপকরণ একসাথে ভেঙ্গে পেস্ট করে নিন।
  • আপনার মুখে পেস্টটি সমান স্তর করে লাগান।
  • ১৫-২০ মিনিট মুখে রাখুন এবং শুকাতে দিন।
  • শুকনো স্তর বৃত্তাকারভাবে আস্তে আস্তে স্ক্রাব করে তুলে ফেলুন।
  • স্ক্রাব করার জন্য আপনি অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।
  • ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৭. অনুজ্জ্বল ত্বকের জন্য ফেইস প্যাক

এই ফেইস প্যাকটি অনুজ্জ্বল ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

প্রক্রিয়া

  • মসুর ডাল ভেজে নিন।
  • ডালের সমপরিমাণ শুকনো কমলার খোসা নিন।
  • এর সাথে দুধ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন।
  • আপনার মুখে সমানভাবে লাগান।
  • ১৫ মিনিট মুখে রাখুন।
  • ধুয়ে মুখ শুকিয়ে ফেলুন।

৮. মুখের ছিদ্র ছোট করার ফেইস প্যাক

আপনার মুখের ছিদ্রগুলো ছোট করার জন্য মসুর ডালের ফেইস প্যাক খুবই উপকারী।

প্রক্রিয়া

  • মশুর ডালের পেস্ট তৈরি করুন।
  • আপনার মুখে এবং ঘাড়ে সমানভাবে পেস্টটি লাগান।
  • শুকাতে দিন।
  • ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

Filed Under: Face Packs and Masks

৫ টি সহজ গ্রীষ্মকালীন ফেইস প্যাক যা তৈলাক্ত এবং ব্রণ প্রবণ ত্বকের যত্নে খুবই কার্যকরী এবং সহজে ঘরে বানাতে পারবেন [উপকরণ দেওয়া হল]

by Mohona Leave a Comment

শাস্তি দেওয়ার প্রতিজ্ঞা নিয়ে সবসময়ের মত আবারো গ্রীষ্মকাল চলে এসেছে। এই মৌসুমে দিনের বেলা এত তাপমাত্রা থাকে যে মাত্রাতিরিক্ত ঘামানো শুরু হয়ে যায়। ঘরের বাহিরে এক কদম পা রাখার সাথে সাথে ঘামানো শুরু হয়ে যায়, এমনকি ঘরের ভিতরেও অনবরত সবাই ঘামতে থাকে। সকল প্রকার ত্বকের সমস্যার জন্য এই মৌসুমটি প্রধান সময়, বিশেষ করে তৈলাক্ত এবং ব্রণ প্রবণ ত্বকের জন্য।

গ্রীষ্মকাল তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারী মানুষদের ত্বকে তেলের নিঃসরণ বাড়িয়ে তুলে। এই সময় ত্বকে প্রচুর ধূলাবালি এবং ঘামের সমন্বয় ঘটে, যা ত্বকে সব ধরণের সমস্যাকে সুনিশ্চিতভাবে আমন্ত্রন জানায়। এবং এর জন্য ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে ত্বকের সমস্যার সমাধান করা খুবই ব্যয়বহুল হতে পারে!

তাই গ্রীষ্মকালে তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যা সমাধানে ঘরে তৈরি ফেইস প্যাক কেমন হবে?

সুতরাং, সহজে পাওয়া যায় এমন সব উপকরণ দিয়ে তৈরি কিছু সহজ ফেইস প্যাক রেসিপি আমি নিচে একসাথে তুলে ধরলাম। এই প্যাকগুলো তৈলাক্ত ত্বকের তেল নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে খুব ভালো কাজ করে।

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য গ্রীষ্মকালীন ফেইস প্যাক

১. নিম পাতা, গোলাপ জল এবং কমলালেবুর ফেইস মাস্ক

প্রয়োজনীয় উপকরণ

  • নিম পাতা
  • কমলালেবু
  • চন্দন কাঠ
  • মুলতানি মাটি
  • মধু
  • লেবুর রস
  • গোলাপ জল

বানানোর প্রক্রিয়া

  • সমপরিমাণে নিম পাতা, কমলালেবু, চন্দন কাঠ এবং মুলতানি মাটির গুঁড়ো একসাথে মিশিয়ে নিন (পানি দিবেন না)। পরবর্তীতে ব্যবহারের জন্য একটি শুকনো বয়ামে সংরক্ষণ করুন।
  • ১/২ চা চামচ পরিমাণ মিশ্রণটি নিন এবং এর সাথে ১/৪ চা চামচ মধু এবং ১/২ চা চামচ লেবুর রস যোগ করুন।
  • শেষে গোলাপ জল যোগ করে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন।
  • মুখে ও গলায় মিশ্রণটি লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রাখুন এবং এটি পুরোপুরি শুকিয়ে না গেলেও পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
  • গ্রীষ্মকালে তৈলাক্ত ত্বকের জন্য এই ফেইস প্যাকটি আমার নিজেরো খুব পছন্দ কারন আমি নিজেও তৈলাক্ত এবং সংবেদনশীল ত্বকের অধিকারী।

২. কমলালেবু এবং ওটসের ফেইস প্যাক

প্রয়োজনীয় উপকরণ

  • তাজা কমলা
  • ওটস
  • মধু
  • ডিমের সাদা অংশ অথবা টক দই

বানানোর প্রক্রিয়া

  • যদি আপনি তাজা কমলা খুঁজে পান তাহলে সেগুলো ব্যবহার করবেন। ৩ চা চামচ ওটস, ১ চা চামচ মধু, ২ চা চামচ তাজা কমলার রস এবং ১ চা চামচ ডিমের সাদা অংশ অথবা টক দই মিশান এবং মুখে লাগান।
  • ধুয়ে ফেলার সময় হালকা করে বৃত্তাকার ভাবে মিশ্রণটি মুখে ঘষুন। তখন এটি স্ক্রাবের মত কাজ করবে।

৩. চালের গুঁড়ো এবং হলুদের ফেইস প্যাক

প্রয়োজনীয় উপকরণ

  • চালের গুঁড়ো
  • হলুদ
  • মধু
  • শসার রস

বানানোর প্রক্রিয়া

  • ৩ চা চামচ চালের গুঁড়া, এক চিমটি হলুদ, ১ চা চামচ মধু এবং শসার রস মিশিয়ে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন এবং মুখে লাগান।
  • এই প্যাকটি সারা শরীরে লাগানোর জন্য আরো বেশি পরিমাণেও বানাতে পারেন।

৪. বাদাম এবং মধুর ফেইস মাস্ক

প্রয়োজনীয় উপকরণ

  • বাদাম
  • মধু

বানানোর প্রক্রিয়া

  • ১০ টি বাদাম সারারাত ভিজিয়ে রাখুন এবং পরেরদিন সকালে বাদামগুলোর পেস্ট বানিয়ে নিন।
  • পেস্টটিতে ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন এবং আপনার মুখে লাগান।
  • ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

৫. টমেটোর রসের ফেইস প্যাক

প্রয়োজনীয় উপকরণ

  • টমেটোর রস
  • চালের গুঁড়ো
  • মধু

বানানোর প্রক্রিয়া

  • টমেটো তৈলাক্ত ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।
  • ৩ চা চামচ চালের গুঁড়া এবং ১ চা চামচ মধুর সাথে তাজা টমেটোর রস মিশান।
  • আপনি যদি খুবই ব্যস্ত থাকেন তাহলে শুধু টমেটোর অর্ধেক অংশ (মাংশল অংশ) নিয়ে আপনার মুখে গোলাকারভাবে ১৫ মিনিট ধরে ঘষতে পারেন।

৬. মুলতানি মাটির ফেইস প্যাক

প্রয়োজনীয় উপকরণ

  • মুলতানি মাটি
  • গোলাপ জল

বানানোর প্রক্রিয়া

  • মুলতানি মাটি এবং গোলাপ জল একসাথে মিশান এবং আপনার মুখ অ ঘাড়ে লাগান।
  • শুয়ে থাকুন এবং গোলাপ জলে ভিজানো তুলার বল আপনার চোখে লাগিয়ে রাখুন।

লক্ষ্য করবেন ধুয়ে ফেলার পর আপনার ত্বক এবং আপনি কতটা সতেজ অনুভব করছেন!

কিছু কারণঃ

  • গোলাপ জল এবং শসার রস আপনার ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করবে।
  • নিম পাতা, হলুদ এবং চন্দন কাঠে এ্যান্টিসেপ্টিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
  • মুলতানি মাটি, চালের গুঁড়ো, টমেটো এবং কমলা ত্বকের অতিরিক্ত তেক শুষে নেয় এবং তেলের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
  • মধু এবং লেবু ক্ষতচিহ্ন ও কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে।
  • ডিমের সাদা অংশ এবং ওটস আপনার ত্বককে টান টান করতে সাহায্য করবে।
  • বাদাম আপনার ত্বক মসৃণ এবং কোমল করে।

মুলতানি মাটির ১১ টি সহজ ফেইস প্যাক [যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের গোপন রহস্য]

এতক্ষণে নিশ্চই বুঝতে পেরেছেন এই প্যাকগুলো ত্বক সুন্দর করার এক একটি খাজানা। নিজের জন্য সঠিক ফেইস প্যাকটি বেছে নিন এবং পুরো গ্রীষ্মকাল ত্বকের সমস্যাকে বিদায় জানিয়ে দিন।

আপনার ত্বক সবসময় পরিষ্কার রাখুন এবং প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। মনে রাখবেন, প্যাকগুলো মুখে লাগানোর আগে হাতের এক কোনায় অল্প একটু লাগিয়ে পরীক্ষা করে নিবেন, যদি চুলকায় বা জ্বলে তাহলে সাথে সাথে ধুয়ে ফেলবেন। এবং প্যাকটি ব্যবহার থেকে দূরে থাকবেন।

সবসময় সুন্দর থাকুন!!!

Filed Under: Face Packs and Masks

শুষ্ক ত্বকের জন্য ৫ টি চমৎকার গ্রীষ্মকালীন ফেইস প্যাক

by Mohona Leave a Comment

গ্রীষ্মকাল আনন্দ, হাসি এবং সুখের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। আমরা নারীরা এই সময় বেশি খুশি হই কারণ দীর্ঘ শীতের পর আমরা আবার গ্রীষ্মকালীন পোষাক পরতে পারি। দীর্ঘ শীতের ঠান্ডা পর অবশেষে কাঙ্ক্ষিত গ্রীষ্ম আসে,  আমরা গ্রীষ্মকাল ভালোবাসি কারণ এই ঋতু আমাদের জন্য আনন্দ এবং উদ্দীপনা বয়ে আনে।

প্রতিটি মৌসুম কারো জন্য সুখের বার্তা আবার কারো জন্য দুঃখের বার্তা বয়ে আনে। আর গ্রীষ্মকাল শুষ্ক ত্বকের মানুষদের জন্য সবচেয়ে বড় সুখকর সময়।

উচ্চ মাত্রার ময়েশ্চার এবং আদ্রতা ত্বকের শুষ্কতা কমিয়ে দেয় যার ফলে ত্বকের চামড়া উঠা বা ত্বক ফাটা বন্ধ হয়ে যায়। যদিও ধূলাবালি, ইউভি রশ্মি এবং দূষণ দূশ্চিন্তার কারণ হতে পারে, কারণ এরা আমাদের ত্বক নিস্তেজ এবং দ্যূতিহীন করে তুলে। কোন প্রকার সুরক্ষা ছাড়া সূর্যের আলোতে কিছুক্ষণ দাড়ালেও আপনার ত্বকে বলিরেখা, বয়সের ছাপ এবং ফাইন লাইনস এগুলো দেখা দিবে।

গ্রীষ্মকালে শুষ্ক ত্বকের জন্য ঘরোয়া ফেইস প্যাক

নিজেকে সতেজ এবং উজ্জ্বল রাখার বড় মন্ত্রটি হলো বাহিরে যাওয়ার আগে মুখে সযত্নে সানক্রিম দেওয়া এবং কিছু ঘরোয়া প্যাকের সাহায্য নেওয়া। নিচে কিছু ফেইস প্যাক দেওয়া হলো যেগুলো আপনি এই গ্রীষ্মে মুখে লাগাতে পারেন।

১. পেঁপের ফেইস প্যাক

পেঁপে একটি প্রাকৃতিক স্ক্রাব হিসেবে কাজ করে যা ত্বকের মৃত চামড়া পরিষ্কার করে এবং এর এ্যান্টি-এজিং বৈশিষ্ট্য আছে। পেঁপে শুষ্ক ত্বকে আদ্রতা রক্ষা করতে সাহায্য করে। এর সবচেয়ে সেরা অংশটি হলো এই মাস্কটিতে পেঁপে ছাড়া অন্য কোন উপাদান লাগে না, ফলে এটি খুবই কার্যকরী।

কিভাবে পেঁপের ফেইস প্যাক বানবেন?

  • কয়েক টুকরো পেঁপে নিয়ে ভালোভাবে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন।
  • আপনার মুখে পেস্টটি সমানভাবে লাগান। তুলার একটি বড় টুকরো নিন এবং মুখে লাগানো প্যাকের উপর তুলাটি লাগান যাতে পেস্টটি মুখ থেকে গড়িয়ে না পরে।
  • ১৫ মিনিটের জন্য রেখে দিন। পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

বিকল্প

  • মুখের গর্ত ছোট করার জন্য ১/৪ কাপ ভর্তা করা কাঁচা পেঁপের সাথে আনারসের রস মিশিয়ে নিন।
  • স্ক্রাব করার জন্য পেঁপে, গরম মধু এবং ওটমিলের সাথে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। ১০-১৫ মিনিট মুখে রেখে দিন।
  • ত্বক উজ্জ্বল করার জন্য পেঁপে ভর্তা করে মধু, দই এবং লেবুর রসের সাথে মিশান।

২. দইয়ের ফেইস প্যাক

দই ত্বকের আদ্রতা বজায় রাখে এবং ত্বকের অনুজ্জ্বলতা কমায়। এটি প্রাকৃতিক ব্লিচ হিসেবেও কাজ করে। মধু প্রাকৃতিকভাবে ত্বক কোমল এবং আদ্রতাপূর্ণ করে।

উপকরণ

  • দই
  • মধু

প্রক্রিয়া

  • ২ চা চামচ দইয়ের সাথে ১ চা চামচ মধু মিশান।
  • মুখে প্যাকটি লাগান এবং এটিকে পুরোপুরি শুকাতে দিন।
  • স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

বিকল্প

  • উজ্জ্বল ত্বকের মাস্কের জন্য খুব পাকা ২ টি স্ট্রবেরি, ১ চা চামচ কাঁচা মধু এবং ১ চা চামচ দই দিয়ে পেস্ট তৈরি করুন।
  • ময়েশ্চারাইজিং এবং হাইড্রেটিং মাস্কের জন্য ১ চা চামচ দই, ১ চা চামচ অলিভ অয়েল এবং ১/৪ আভাকাডো দিয়ে পেস্ট তৈরি করুন।

৩. চন্দন কাঠের ফেইস প্যাক

গোলাপ জল যখন ত্বককে টোন করে তখন চন্দন কাঠ ত্বককে শীতল করে। এটি অনেক পুরানো একটি পদ্ধতি এবং প্রতিটি উপকরণ খুব সহজে পাওয়া যায়। এটি গ্রীষ্মকালে শুষ্ক ত্বকের জন্য সবচেয়ে উত্তম একটি ফেইস প্যাক।

উপকরণ

  • চন্দন কাঠের গুঁড়ো
  • গোলাপ জল

প্রক্রিয়া

  • সামান্য গোলাপ জলের সাথে ৩ চা চামচ চন্দন কাঠ মিশান।
  • আপনার মুখে সমানভাবে পেস্টটি লাগান।
  • ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

বিকল্প

ব্রণ এবং ব্ল্যাক হেডস কমানোর জন্য – ২ চা চামচ হলুদ গুড়া এবং চন্দন কাঠের গুড়া গরম পানিতে মিশান। একটি পেস্ট তৈরি করুন এবং ব্ল্যাক হেডসে আক্রান্ত স্থানে লাগান এবং শুকাতে দিন। এরপর ধুয়ে ফেলুন।

৪. ওটস এবং শসার ফেইস মাস্ক

ওটস শুষ্ক ত্বক নিরাময় করে এবং ত্বক কোমল করে। শসা একটি প্রাকৃতিক শীতল বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন প্রাকৃতিক টোনার।

উপকরণ

  • ওটস
  • শসা
  • দই

প্রক্রিয়া

  • ৩ চা চামচ ওটস, ১ চা চামচ শসার রস এবং ১ চা চামচ দই একসাথে মিশান।
  • আপনার মুখে পেস্টটি লাগান এবং পুরোপুরি শুকাতে দিন।
  • শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

বিকল্প

দই এবং শসা একসাথে মিশান। ঘন পেস্ট বানানোর জন্য মধু এবং ওটস যোগ করুন। মুখে লাগান এবং ২০ মিনিট পর গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। কালো স্পট এবং ক্ষত দূর করার জন্য এটা খুব ভালো।

৫. বাদাম এবং গোলাপ জলের ফেইস মাস্ক

এই রাজকীয় ফেইস প্যাকটি শুষ্ক ত্বকে বিস্ময়করভাবে কাজ করে। বাদামে প্রাকৃতিক ভিটামিন-ই তেল আছে যা শুষ্কতা দূর করে।

উপকরণ

  • বাদাম
  • গোলাপ জল

প্রক্রিয়া

  • ১০ টি বাদাম পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন এবং সকালে এদের মসৃণ পেস্ট তৈরি করে নিন।
  • কিছু গোলাপ জল এতে যোগ করুন।
  • আপনার মুখে এটা লাগান।

বিকল্প

সতেজ এবং উজ্জ্বল ত্বকের জন্য এই মাস্কটি ব্যবহার করুন। ২ চা চামচ গোলাপ জল, ২ টেবিল চামচ মধু, ২ টেবিল চামচ বাদাম তেল, ৩ ফোঁটা ভিটামিন-ই এর তেল একসাথে মিশান। মুখে লাগান এবং ২০ মিনিট রেখে দিন। গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

আশা করি গ্রীষ্মকালে শুষ্ক ত্বকের জন্য কয়েকটি ঘরে তৈরি সেরা ফেইস প্যাক সম্পর্কে এই আর্টিকেলটি আপনাদের অনেক ভালো লেগেছে। এগুলো ঘরে তৈরি করুন এবং লাগিয়ে দেখুন কোনটা আপনার ত্বকের সাথে মানানসই। সবসময় সুস্থ থাকুন।

Filed Under: Dry Skin

ত্বক সুস্থ রাখার জন্য ডিমের ৬ টি অজানা অসাধারণ ফেইস প্যাক এবং মাস্ক

by Mohona Leave a Comment

আপনার রূপচর্চার পদ্ধতি পরিবর্তন করার সময় এখনি।

কারণ, আপনি কি আপনার স্থানীয় স্পা এবং পারলারের পিছনে সময় এবং টাকা খরচ করতে করতে ক্লান্ত? আপনার কি মনে হচ্ছে এই ব্যয়বহুল ট্রিটমেন্ট গুলো শুধুই আপনার ব্যাগের টাকার উপর প্রভাব ফেলছে কিন্তু আপনার সৌন্দর্যের উপর কখনই কোন প্রকার প্রভাব ফেলছে না? তাহলে ঘরে তৈরি ফেইস প্যাক এবং মাস্কগুলোর ব্যবহার আপনার ত্বকের সুস্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে ভালো উপায়। কারণ এরা শুধু সস্তাই নয়, এদের থেকে পাওয়া ফলাফল পারলারের তুলনায় অনেক বেশি ভালো।

যখন স্বাস্থ্য অথবা সৌন্দর্যের কথা আসে, তখন রান্নাঘর আমাদের সমাধানের ভান্ডার। কারণ, রান্নাঘরে পাওয়া কিছু খাবার এতটাই পুষ্টিকর যে এরা মুহূর্তের মধ্যে ফলাফল দেখায়।

এদের মধ্যে একটি উত্তম বিকল্প হলো ডিম।

হ্যাঁ, বিশ্বের একটি বড় অংশের মুখ্য ব্রেকফাস্ট, যা দিয়ে ঘরেই চমৎকার ফেইস মাস্ক/প্যাক বানানো যায়। ডিম আমাদের গায়ের রঙ ও গঠনের উন্নতি করা এবং ফাইন লাইন ও বলিরেখা কমানোর এক অলৌকিক ক্ষমতার প্রমান দিয়েছে।

সুস্থ ত্বকের জন্য ঘরে তৈরি ডিমের ফেইস মাস্ক এবং প্যাক

১. ডিমের ফেইস প্যাকঃ ডিমের সাদা অংশের রেসিপি

  • আপনার মুখ ভালোভাবে ধুয়ে নিন।
  • একটি ডিম ভাঙ্গুন এবং ডিমের সাদা অংশ কুসুম থেকে আলদা করে নিন।
  • এখন এক টুকরো তুলা দিয়ে ডিমের সাদা অংশ আপনার মুখে সরাসরি লাগান।
  • ১০-১৫ মিনিট এটিকে পুরোপুরি শুকাতে দিন।
  • পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।

এই ফেইস মাস্কটি আপনার মুখের রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে এবং আপনার ত্বক টান টান করতে সাহায্য করে।

২. শুষ্ক ত্বকের জন্যঃ ডিমের কুসুমের রেসিপি

  • একটি ডিমের কুসুম নিন।
  • ১ চা চমচ মধু নিন।
  • দুইটি উপাদান খুব ভালোভাবে মিশান এবং আপনার পরিষ্কার মুখে লাগান।
  • ১০-১৫ মিনিট আপনার মুখে রেখে দিন।
  • পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

এই ফেইস প্যাকটি শুষ্ক ত্বকে আদ্রতা প্রদানে বেশ উপকারী।

৩. তৈলাক্ত ত্বকের জন্যঃ ব্রণের জন্য ডিমের সাদা অংশের রেসিপি

  • একটি ডিমের সাদা অংশ নিন।
  • মুলতানি মাটির সাথে খুব ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।
  • ঘন না হওয়া পর্যন্ত ভালোভাবে মিশাতে থাকুন।
  • এবার আপনার মুখে মিশ্রণটি লাগান এবং ১৫-২০ মিনিট এটিকে শুকাতে দিন।
  • এরপর আপনার মুখ ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।

এই ফেইস প্যাকটি তেল নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে খুব ভালো ভূমিকা পালন করে। এটি তৈলাক্ত ত্বকের সকল সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে।

৪. ডিমের ফেইস প্যাকঃ দুধ, গাজর এবং ডিমের সাদা অংশের রেসিপি

  • ডিমের সাদা অংশ নিন।
  • দুধ এবং ছোট গাজর নিন।
  • গাজর পেস্ট করে নিন।
  • ডিমের সাদা অংশ এবং দুধের সাথে গাজরের পেস্ট ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।
  • আপনার পরিষ্কার মুখে মিশ্রণটি লাগান।
  • ১৫-২০ মিনিট আপনার মুখে রেখে দিন। এরপর ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।

এই ফেইস মাস্কটি সকল প্রকার ত্বকের এ্যান্টি-এজিং এর জন্য একটি খুব ভালো ঘরোয়া প্রতিকার।

৫. উজ্জ্বল ত্বকের জন্যঃ তৈলাক্ত ত্বকের জন্য বেসন এবং লেবুর রেসিপি

  • কিছু পরিমান বেসন নিন।
  • ডিমের সাদা অংশের সাথে বেসন ভালোভাবে মিশান।
  • এখন মিশ্রণে কয়েক ফোঁটা লেবু যোগ করুন।
  • আপনার মুখে সমানভাবে মিশ্রণটি লাগান এবং ২০ মিনিট রেখে দিন।
  • পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

৬. ডিমের ফেইস প্যাকঃ ফাইন লাইন এবং বলিরেখা দূর করার রেসিপি

  • পরিষ্কার মুখে ডিমের সাদা অংশ লাগান।
  • এটিকে পুরোপুরি শুকাতে দিন।
  • ১০ মিনিট পর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
  • মুখ ধুয়ে পানি মুছে আপনার চোখের নিচের ক্রিম অথবা জেল লাগান।

যদি এটি আপনি প্রতিদিন ব্যবহার করেন তাহলে এই ফেইস মাস্কটি আপনার ফাইন লাইন এবং বলিরেখা কমানোর খুব ভালো ফলাফল দেখাবে।

ডিম শুধু আপনার দেহের পুষ্টির জন্যই নয়, এরা আপনার নিখুঁত ত্বকের জন্যও যেটি আপনি সবসময় চেয়েছিলেন। ঘরে তৈরি এই ফেইস মাস্ক গুলো ব্যবহার করুন এবং স্বাস্থ্যকর ও নিখুঁত ত্বকের অধিকারী হোন।

Filed Under: Face Packs and Masks

কি ভাবে সহজে অ্যালোভেরা ব্যবহার করে পুড়ে যাওয়ার চিকিৎসা করবেন?

by Mohona Leave a Comment

অ্যালোভেরা একটি যাদুকরী উদ্ভিদ যা আমাদের সকলের বাড়িতেই চাষ করা উচিত। এর অনেক উপকারিতা রয়েছে এবং পুড়ে যাওয়া নিরাময়ে এই অ্যালোভেরা খুবই দক্ষ।

অ্যালোভেরাতে যে রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে তা ব্যাথা এবং জ্বালা-পোড়া কমাতে সাহায্য করে। এমনকি এরা ত্বক পুনর্গঠন করে এবং ত্বকের কোষগুলিকে উদ্দীপিত করে এবং এর স্বাভাবিক বৃদ্ধি  করতেও সাহায্য করে।

এতে কোন সন্দেহ নেই যে অ্যালোভেরা সবচেয়ে ভালো ঘরোয়া প্রতিকারের উপাদানগুলোর মধ্যে একটি। এবং যখন আপনি একে অন্য নিরাময়কারী উপাদানগুলোর সাথে সমন্বয় করবেন তখন ফলাফল আরো দ্বিগুণ ভালো হবে। আমরা আপনার পুড়ে যাওয়ার চিকিৎসা করার জন্য নিচে চমৎকার কিছু প্রতিকার তুলে ধরলাম। এক নজরে দেখে নিন।

প্রাকৃতিকভাবে জ্বালা-পোড়ার চিকিৎসায় অ্যালোভেরা ব্যবহারের কয়েকটি উপায়

১. খাঁটি অ্যালোভেরা।

২. টি ট্রি অয়েল এবং অ্যালোভেরা।

৩. মধু এবং অ্যালোভেরা।

৪. ল্যাভেন্ডার তেল এবং অ্যালোভেরা।

৫. ভিটামিন-ই এবং অ্যালোভেরা।

৬. হলুদ এবং অ্যালোভেরা।

৭. গমের বীজের তেল এবং অ্যালোভেরা।

৮. বরফের টুকরো এবং অ্যালোভেরা।

৯. নারিকেল তেল এবং অ্যালোভেরা।

১. খাঁটি অ্যালোভেরা

উপকরণ

  • অ্যালোভেরার নির্যাস

প্রক্রিয়া

  • অ্যালোভেরা গাছ থেকে একটি মাংসল পাতা ছিঁড়ে নিন। পাতাটি কেঁটে খুলে নিন এবং দেখবেন ভিতর থেকে জেলের মত নির্যাস বের হচ্ছে।
  • অ্যালোভেরা জেল সংগ্রহ করুন এবং আপনার শরীরের পুড়ে যাওয়া স্থানে আস্তে আস্তে ম্যাসাজ করুন যতক্ষণ না পর্যন্ত ত্বক এই জেল শুষে নেয়।

কতবার লাগাবেন ?

আপনি প্রতিদিন একবার বা দুইবার এটি করতে পারেন।

এটি কিভাবে কাজ করে?

অ্যালোভেরা ত্বককে ঠান্ডা এবং কোমল করে। এটি খুব দ্রুততার সাথে নিরাময় কাজ করে।

২. টি ট্রি অয়েল এবং অ্যালোভেরা

উপকরণ

  • অ্যালোভেরা নির্যাস/জেল
  • কয়েক ফোঁটা খাঁটি টি ট্রি অয়েল

প্রক্রিয়া

  • অ্যালোভেরা জেলের একটি দলা নিন এবং এতে ২-৩ ফোঁটা টি ট্রি অয়েল যোগ করুন।
  • আপনার আঙ্গুল দিয়ে এগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে নিন এবং আক্রান্ত স্থানে লাগান। জেলটি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত ত্বকে ম্যাসাজ করতে থাকুন।

কতবার লাগাবেন?

প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এটি করবেন।

এটি কিভাবে কাজ করে?

চা গাছ এ্যান্টি-ফাংগাল, এ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল এবং এ্যান্টিসেপ্টিক। যার কারণে ইহা আক্রান্ত স্থানকে সংক্রমিত হওয়া থেকে রক্ষা করে।

৩. মধু এবং অ্যালোভেরা

উপকরণ

  • ১ চা চামচ মধু
  • অ্যালোভেরা জেল

প্রক্রিয়া

  • মধু এবং অ্যালোভেরা মিশিয়ে একটি পুরু পেস্ট তৈরি করুন।
  • আক্রান্ত স্থানে আস্তে আস্তে লাগান এবং কিছুক্ষণের জন্য রেখে দিন। তারপর ধুয়ে ফেলুন।

কতবার লাগাবেন?

আপনি দুই দিন পর পর একবার এটা ব্যবহার করতে পারেন।

এটি কিভাবে কাজ করে?

মধু একটি এ্যান্টিসেপ্টিক এবং পুড়ে যাওয়া স্থানকে শীতল করতে সাহায্য করে।

৪. ল্যাভেন্ডার তেল এবং অ্যালোভেরা

উপকরণ

  • অ্যালোভেরা জেল
  • কয়েক ফোঁটা খাঁটি ল্যাভেন্ডার তেল

প্রক্রিয়া

  • অ্যালোভেরা জেলে কয়েক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার তেল ঢালুন এবং হাতের তালুতে রেখে একসাথে ঘষে নিন।
  • পুড়ে যাওয়া ত্বকে আস্তে আস্তে লাগিয়ে নিন।

কতবার লাগাবেন?

২-৩ দিন পর পর একবার লাগাতে পারেন।

এটি কিভাবে কাজ করে?

ল্যাভেন্ডার তেল পুড়ে যাওয়া স্থানের জ্বালা-পোড়া করা বন্ধ করে এবং ত্বকে ফোসকা পড়া প্রতিরোধ করে।

৫. ভিটামিন-ই এবং অ্যালোভেরা

উপকরণ

  • ভিটামিন-ই ক্যাপসুল
  • অ্যালোভেরা জেল

প্রক্রিয়া

  • ক্যাপসুল থেকে ভিটামিন-ই নির্যাস বের কর নিন এবং অ্যালোভেরা জেলের সাথে যোগ করুন।
  • এগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে নিন এবং আক্রান্ত স্থানে লাগান।

কতবার লাগাবেন?

আপনি এটা প্রতিদিন করতে পারেন – সকালে একবার এবং রাতে একবার।

এটা কিভাবে কাজ করে?

ভিটামিন-ই তে এ্যান্টিঅক্সিডেন্টের বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা র‍্যাডিকেলের সাথে যুদ্ধ করে এবং র‍্যাশ ও জ্বালা-পোড়া কমাতে সাহায্য করে।

৬. হলুদ এবং অ্যালোভেরা

উপকরণ

  • ১ চিমটি হলুদ
  • ১ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল

প্রক্রিয়া

  • পেস্ট তৈরি হওয়া পর্যন্ত হলুদ এবং অ্যালোভেরা জেল মিশাতে থাকুন।
  • পুড়ে যাওয়া স্থানে পেস্টটি আস্তে আস্তে লাগান। শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত এটি রেখে দিন এবং শুকিয়ে গেলে এটি নিজে নিজে ঝরে যাবে।

কতবার লাগাবেন?

পুড়ে যাওয়া স্থান ঠিক না হওয়া পর্যন্ত আপনি দিনে যতবার ইচ্ছা এটা লাগাতে পারবেন।

এটা কিভাবে কাজ করে?

পেস্টটি চামড়া পু্নরায় জন্মাতে সাহায্য করে এবং ক্ষতস্থানকে ব্যাকটেরিয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও ইহা পুড়ে যাওয়া স্থান শীতল রাখে এবং ত্বককে ময়েশ্চারাইজ রাখে।

৭. গমের বীজের তেল এবং অ্যালোভেরা

উপকরণ

  • ৪-৫ ফোঁটা গমের বীজের তেল
  • ১ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল

প্রক্রিয়া

  • একটি পাত্রে অ্যালোভেরা জেলের সাথে কয়েক ফোঁটা গমের বীজের তেল যোগ করুন এবং ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।
  • পুড়ে যাওয়া স্থানে আস্তে আস্তে পেস্টটি লাগান এবং মলমের মত এটি আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে রাখুন।

কতবার লাগাবেন?

আপনি এই পেস্টটি প্রতিদিন লাগাতে পারবেন, সকালে একবার এবং রাতে একবার।

এটা কিভাবে কাজ করে?

পেস্টটি পুড়ে যাওয়া স্থানের চারপাশ এবং এর পার্শ্ববর্তী ত্বকের চুলকানি হ্রাস করে। এটি ত্বককে জ্বালা-পোড়া থেকে রক্ষা করে এবং র‍্যাডিকাল থেকে মুক্ত করে ত্বককে পুনরুজ্জীবিত করে।

৮. বরফের টুকরো এবং অ্যালোভেরা

উপকরণ

  • এক বাটি অ্যালোভেরা জেল
  • ৪ টি গাঁদা ফুলের পাঁপড়ি
  • বরফের টুকরো রাখার ট্রে

প্রক্রিয়া

  • অ্যালোভেরা জেলের ভিতর গাঁদা ফুলের পাঁপড়ি মিশিয়ে নিন এবং তৈরি করা সিরাপটি বরফের টুকরো রাখার ট্রে তে ঢেলে দিন। সিরাপটি ফ্রিজে বরফ হতে দিন।
  • কিছু বরফের টুকরা নিন এবং একটি পরিষ্কার কাপড়ে এগুলো বাধুন।
  • বরফের টুকরাগুলো গলে যাওয়া পর্যন্ত আক্রান্ত স্থানে কাপড়টা আস্তে আস্তে ঘষতে থাকুন। ত্বককে নিজে থেকে শুকাতে দিন।

কতবার লাগাবেন?

আপনি দিনে কয়েকবার এটি করতে পারবেন।

এটা কিভাবে কাজ করে?

এই প্যাকটির ত্বকের উপর শীতল প্রভাব ফেলার ক্ষমতা আছে। ফুলগুলোতে এ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা পুড়ে যাওয়া নিরাময় করে এবং জ্বালা-পোড়া কমাতে সাহায্য করে।

৯. নারিকেল তেল এবং অ্যালোভেরা

উপকরণ

  • ১/২ কাপ নারিকেল তেল
  • ১/২ অ্যালোভেরা জেল

প্রক্রিয়া

  • পাত্রে রাখা অ্যালোভেরা জেলে নারিকেল তেল ঢালুন অনবরত নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না পর্যন্ত ফোমের মত মিশ্রণ তৈরি হয়।
  • একটি বোতলে মিশ্রণটি ঢালুন এবং একটি ময়েশ্চারাইজারের মতই ত্বকের আক্রান্ত স্থানে মিশ্রণটি লাগান এবং রেখে দিন।

কতবার লাগাবেন?

আপনি ময়েশ্চারাইজার যেভাবে ব্যবহার করেন ঠিক সেভাবেই এই প্যাকটি প্রতিদিন ব্যবহার করতে পারবেন।

এটা কিভাবে কাজ করে?

এই প্যাকটি এ্যান্টি-ফাংগাল এবং এই কারণে এটি ত্বকের পুড়ে যাওয়া এবং জ্বালা-পোড়া প্রাকৃতিকভাবে নিরাময় করতে পারে। এটি ত্বককে শীতল করে এবং একে হাইড্রেট এবং পুনরুজ্জীবিত করে।

পুড়ে যাওয়া ত্বক আপনার জীবন কেড়ে নিতে পারে। এর কারণে ব্যাথা, চুলকানি, জ্বালা-পোড়া এবং আরো কত কষ্টই না সহ্য করতে হয়। আপনি রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে এটি নিরাময় করার আগে একবার অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করুন – এটি প্রাকৃতিকভাবে পুড়ে যাওয়া নিরাময় করে এবং খুব অল্প সময়ে এদের অদৃশ্য করে দেয়।

Filed Under: SKIN CARE (ত্বকের যত্ন)

  • « Go to Previous Page
  • Page 1
  • Interim pages omitted …
  • Page 8
  • Page 9
  • Page 10
  • Page 11
  • Page 12
  • Go to Next Page »

Primary Sidebar

সাম্প্রতিক লেখা

১৬টি সেরা খাবার সকালবেলার দৌড়ের পর খাওয়ার জন্য – পোস্ট-রান রিকভারি পুষ্টি

ওজন কমাতে সেরা ২০টি ডিটক্স স্মুদি: উপাদান, প্রস্তুতি ও উপকারিতা

সহজে হজম হয় এমন ১৬টি হালকা খাবারের রেসিপি

Low FODMAP Diet: ৩ ধাপের পরিকল্পনা ও কোন খাবার খাবেন, কোনটা এড়িয়ে চলবেন

প্যালিও ডায়েট: উপকারিতা, ঝুঁকি ও ৭ দিনের খাবার পরিকল্পনা

বিভাগ সমূহ

  • Fashion
  • HAIR CARE (চুলের যত্ন)
    • Basic Hair Care (বেসিক হেয়ার কেয়ার)
    • Dandruff (খুশকি)
    • Dry Hair Care (শুকনো হেয়ার কেয়ার)
    • Hair Care Ideas
    • Hair Fall ( চুল পড়া)
    • Hair Growth ( চুল বৃদ্ধি)
    • Hair Treatment (চুল চিকিৎসা)
    • Oily Hair Care ( তৈলাক্ত চুলের যত্ন)
  • HEALTH & WELLNESS (স্বাস্থ্য ও সুস্থতা)
    • Diet Tips
    • Fitness
    • Healthy Food
    • Home Remedies
    • Ingredients and Uses
    • Nutrition (পুষ্টি)
    • Weight Gain
    • Weight Loss (ওয়েট লস)
  • Lifestyle (জীবনযাপন )
  • MAKEUP (মেকআপ)
    • Bridal Makeup (ব্রাইডাল মেকআপ)
    • Eye Makeup (চোখের সাজসজ্জা)
    • Lip Make up (লিপ আপ করুন)
  • SKIN CARE (ত্বকের যত্ন)
    • Acne
    • Anti Ageing
    • Beauty Secrets
    • Dry Skin
    • Face Care Tips
    • Face Packs and Masks
    • Glowing skin
    • Homemade Tips
    • Oily Skin
    • Skin Care Ideas
    • Skin Care Problems
    • Sunscreen
  • Top 10's

Copyright © 2026 · RUP KOTHON · All rights reserved ®