• Skip to primary navigation
  • Skip to main content
  • Skip to primary sidebar

রূপকথন

Healthier Lifestyljhhe Choices

  • Facebook
  • Home
  • Shop
  • Blog
    • মেকআপ
      • ব্রাইডাল মেকআপ
      • সেলিব্রিটি মেকআপ
      • চোখের সাজসজ্জা
      • মুখের রূপসজ্জা
      • লিপ মেকআপ
      • মেকআপের ধারণা
      • মেহেদী ডিজাইন
      • নখের ডিজাইন
    • চুলের যত্ন
    • ত্বকের যত্ন
    • চুল স্টাইল
    • স্বাস্থ্য ও সুখ
      • ফিটনেস
      • স্বাস্থ্যকর খাবার
      • ওজন বৃদ্ধি
      • ওজন কমানো
      • যোগ ব্যায়াম
      • ডায়েট টিপস
      • আয়ুর্বেদ
  • Contact Us

Face Care Tips

রমজানে যেভাবে ত্বকের যত্ন নেবেন

by লামিয়া তানজিন মাহমুদ

খোশ আমদেদ মাহে রমজান। যে মাসটির তাৎপর্য রয়েছে সারা জাহানের সকল মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের কাছে। ইবাদাত,  পবিত্রতা অর্জন এবং তা রক্ষার যে তাগিদ এ মাসে দেখা যায় তা অন্যান্য মাসে কিছুটা হলেও বিরল দৃশ্যে রূপ নেয়, অর্থাৎ দেখা যায় না। ঠিক তেমনি, অন্যান্য মাসে যে অনভ্যস্ততায় অভ্যস্ত হয়ে ওঠে মানুষ, এ মাসে তাও হয়ে ওঠে না। তার উপর শারীরিক কিছু ধকল তো আছেই।

সব মিলিয়েই কিছু নিয়ম যোগ হওয়া, আর কিছু অভ্যেস সুযোগের অভাবে বাদ হয়ে যাওয়া এই মাসটায় কিছুটা আলসেমি, সময়ের অভাব, কাহিল কিংবা দূর্বলতার কারণেই শরীর সহ ত্বকটা কিছুটা হলেও অনাদরেই পড়ে যায়। আজকের লেখন এর বিষয় এ নিয়েই।

প্রসঙ্গ নিয়ে স্বল্প আলাপনঃ

রমজান মাস। বছরের পবিত্রতম এই মাসটিতে খাওয়ার পরিমাণ এবং সময়ে থাকে বড্ড হেরফের। প্রাত্যহিক যে নিয়মে আমাদের দেহ ঘড়ি চলে, সেই নিয়মের দুনিয়ায় চলে আসে আকাশ-পাতাল পরিবর্তন। ভোর রাতের সাহরি আর সন্ধার সময়ে ইফতার। মাঝের এই দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকাটা অতটা গুরুত্বপূর্ণ না হলেও পানি পান না করে থাকাটা কিন্তু আসলেই সমস্যার একটি বিষয়।

এটা আপনারা জানেন, আমরা যতই খাই, আসল কাজ কিন্তু করে পানি। আর রমজান মাসে এই পানির ঘাটতিই দেখা দেয় বেশি। যার ফলে পানিশূন্যতা দেখা দেয়, একই সাথে ত্বকের নানান সমস্যাও দেখা দেয়। আর এ কারণেই রমজান মাসে শরীর সুস্থ রাখার সাথে সাথে নিজের ত্বকের দিকেও একটু মনযোগী হতে হবে বইকি।

প্রয়োজন কিছু যত্নের। যে যত্ন ত্বকের নিস্তেজ এবং শুষ্কতা দূর করে দিয়ে স্বাস্থ্যকর, কোমল, উজ্জ্বল করে তুলবে। আর যেহেতু এবারের রমজান মাসটা ভরা চৈত্রে পালন করতে হচ্ছে এবং হবে, তাই দরকার সতর্কতার সাথে সচেতনতা। কারণ আপনার সুস্থতা দরকার। ইবাদাতে মনযোগী হতে গেলেও সুস্থতা আবশ্যক। হোক তা শরীরের কিংবা ত্বকের।

রমজানে করণীয়ঃ

কিছু অভ্যেসের আমদানি করতে হবে। অভ্যেসের আমদানির কারণ আপনার সুস্থতা, আপনার শরীর ও ত্বকের সুস্থতা। এ কারণে একটু জানয়ে দতে চাই চলমান এই রমজানে কী করবেন আর কী করবেন না। প্রথমেই জানিয়ে দেই, কী কী করবেন না।

এই রোজায় যা যা মোটেও করবেন না

মেইক আপ!

ইবাদাতের মাস। অযু সমেত পাক পবিত্রতা বজায় রাখার পুরো উলটো কাজ হচ্ছে মেইক আপ। বুঝিয়ে বলছি-

স্বাভাবিকভাবে ভাবুন। দীর্ঘসময় পানিহীন থাকার দরুন আপনার ত্বকে এটা স্পষ্টভাবেই ফুটে উঠেছে যে, পানির ঘাটতি আপনার শরীরে বিদ্যমান। সেখানে মেইকআপের মতো কৃত্রিম কিছু প্রসাধনীর ব্যবহার আপনার ত্বকের সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য মোটেও প্রযোজ্য নয়। শীতকালে রূক্ষ হয়ে যাওয়া ত্বকের উপর পাওডার মাখালে যেমন ভেসে ভেসে থাকে, এই রমজানে মেইকআপও তেমনি ভেসে ভেসে থাকে। যে কারণে কোন ধরণের শুষ্ক প্রসাধনী ব্যবহারে যাবেন না। এগুলো ত্বককে আরও শুষ্ক করে তোলে।

ভাজা পোড়া খাবার!

চৈত্রের রোদের বৈশিষ্ট্য কী জানেন? এর কড়া তেজ! মানে প্রখর রোদ। এই রোদে মশলাদার, তেলে ভাজা খাবার খেতে ভালো লাগে? না-কি লাগার কথা বলুন তো? আপনি যতটা তেলে ভাজা খাবার কিংবা মশলাদার খাবার খাবেন, অতটা হজম হতে প্রচুর পানির দরকার হয়। এতে চাপ পড়ে কিডনি আর পাকস্থলীর উপর কারণ এই পানি আর খাবার এর প্রক্রিয়া এরাই করে থাকে।

খেয়াল করে দেখবেন, গরমকালে উচ্চ প্রোটিন, তেলে ভাজা, মশলাদার খাবার খেয়ে আপনার মোটেও স্বস্তি হবে না। বরং এক ধরণের অজানা অস্বস্তিতে দিনভর ভুগতে থাকবেন একই সাথে ক্লান্তিতে ছেয়ে থাকবে পুরো শরীর। এছাড়াও তেলে ভাজা খাবারগুলো কিন্তু ত্বকের নানারকম সমস্যার কারণ।

আদ্রতা!

রমজান মাসে অতিরিক্ত রোদ কিংবা ঠাণ্ডা দুটোই আপনার ত্বকের জন্য ভিষণ রকমের ক্ষতিকর। অতিরিক্ত রোদে অনেকের হিটস্ট্রোক হওয়ার ঘটনা বিরল নয়। আবার অনেকক্ষণ এসির মধ্যে থেকে বের হয়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রাও অসহ্যকর হয়ে উঠতে পারে।

ঘুমত্যাগ!

অনেকের বদভ্যাস আছে রাত জাগার। রাতটা জেগে কাটিয়ে সাহরিতে কোনমতে খেয়ে, কোন রকমের একটু ঘুম দিয়েই সকালে হয় ক্লাশে ছোটা নয় কর্মস্থলে ছোটা! ফলশ্রুতিতে চোখের তলে কালি, চোখ ফোলা, চেহারায় তেলতেলে বিধ্বস্ত ভাব লক্ষ্যনীয়।

এই রোজায় যা যা করবেন!

কী কী করতে পারবেন না, সেই তালিকা তো জানা হলো। এবার একটু জেনে নেওয়া দরকার এই দাবদাহে রোজা রেখে কী কী করতে পারবেন এবং করবেন। তো চলুন জেনে নেই –

পানি!

পানির বিকল্পই নেই, বিশ্বাস করুন। সারাদিন পানি ছাড়া, ভাবা যায়? সেখানে ইফতার বলুন কিংবা সাহরি, পানি এবং পানি জাতীয় খাবারের ব্যবস্থা রাখাই হবে সবচেয়ে ভালো উপায়। চেষ্টা করবেন ইফতারের পর থেকে সাহরি পর্যন্ত ২.৫-৩ লিটার পানি খেতে।

ডাবের পানি, লেবুর শরবৎ কিংবা আপনার সাধ্য অনুযায়ী যে-কোন ফলের জুস বানিয়ে নিতে পারেন। খেতে পারেন ফল, সালাদ, সবজি, শাক। এগুলো শরীরে পানি ধরে রাখে। শরীরে পানির প্রবাহ ঠিক থাকলে ত্বক সুস্থ থাকে আর এতে করে ত্বকের নেতিয়ে পড়াটা কমে আসবে।

খাদ্যতালিকা!

রমজান মাস। ইবাদাতের এই মাসটায় ইবাদাত নিয়ে মাথা ঘামানোটাই বেশি জরুরি, তাই না পাঠক? কিন্তু আমাদের অনেকেই এই সময়টায় ভুড়িভোজে মেতে ওঠেন। এই বিষয় থেকে একটু সরে আসা প্রয়োজন আছে। একটা বিষয় মাথায় রাখবেন, আপনি যত ভারি খাবার খাবেন আপনার শরীরের তত পরিশ্রম হবে সেটা হজম করার জন্য।

এজন্য সহজপাচ্য কিছু খাবার বরাদ্দ রাখুন সাহরি আর ইফতারের জন্য। আঁশযুক্ত খাবার রাখুন তালিকায়। এ ধরণের খাবার শরীর, ত্বক দুইএর জন্য বিষম উপকারি। অন্ত্র তো ভালো থাকেই, সেই সাথে ত্বকেও দারুণ পুষ্টি জোগায়। ফল (হোক তা দেশি বা আপনার সাধ্য অনুযায়ী), বাদাম, খেজুর, সবুজ ও রঙিন শাক-সবজি রাখুন তালিকায়। এগুলো আপনার শরীরকে ঠিক রাখতে একদম যথেষ্ট। খেতে পারেন সেদ্ধ করা খাবার। বিশেষ করে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন ই যুক্ত সবজি।

আরেকটা তথ্য দেই, দুধ খাওয়ার অভ্যেস থাকলে সাহরিতে এবং ইফতারে দুধ খেতে পারেন। দুধ খাওয়াতে সমস্যা মনে হলে দই খেতে পারেন। এটা খুবই উপকারি। এই গরমে দই আপনার জন্য শান্তির পাশাপাশি স্বস্তিদায়ক একটা খাবারই হবে বটে! প্রোটিন তো পাবেন, একই সাথে সারাদিনের কর্মশক্তিও পাবেন।

পরিধেয় বস্ত্র হোক সুতির!

গরমের তেজ দেখেছেন? গোসল করে বের হলেও এই তেজে শরীর আবার ঘেমে নেয়ে ওঠে। কি তাই তো? এই অতিরিক্ত গরম, সাথে তীব্র এবং অসহনীয় জ্যাম, তার উপর সিয়াম পালন করে দীর্ঘ সময় থাকাটা ধকলের বিষয়ই বটে। এই গরম, এবং এর ফলে হওয়া অতিরিক্ত ঘাম দুটোই কিন্তু শরীর এবং ত্বকের জন্য বেশ খারাপ।

আবার শুধু ঘাম বের হয়েই ক্ষান্ত নয়, ঘামাচি সমেত কিছু ফোঁড়া, চর্মরোগও দেখা দেয় অনেকের। বিশেষ করে যারা কর্মজীবী আছেন। এই গরমে যাদের বের হতে হচ্ছে বাইরে। তারা একটু সচেতন থাকবেন। অবশ্য এই রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও খোলা আছে। তাই কর্মজীবী সমেত শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। মূলত, বাইরে যারা বের হচ্ছেন তাদের সবার ক্ষেত্রেই এই বিষয়গুলো খাটে। আর তাই, সমাধান আবশ্যক। সমাধান আপনার পরিধেয় বস্ত্রে। সুতি ব্যবহার করুন। শরীর সতেজ থাকবে।

ত্বক কথন!

দীর্ঘসময়ের সিয়াম পালনে শরীরের যে অংশটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে দৃষ্টিগোচর হয়, তার নাম ত্বক। আমরা হয়তো হাল ছেড়েই দেই, একটা মাসের ব্যাপার বলে। কিন্তু যখন আপনি ঠিক করবেন নিজেকে যত্নে রাখবেন তখন এই যত্নের ব্যপ্তিকাল সারা বছরের জন্যই হওয়া চাই। তাই না? একটু প্রয়োজন আছে যত্নের। আর এ জন্যই ঘরোয়া কিছু বিষয় জানিয়ে দিচ্ছি-

ময়েশ্চারাইজার!

ত্বক কী পরিমাণে শুষ্ক হয়ে থাকে, এ তো এতদিনের সিয়াম পালনে আপনারা ইতোমধ্যে জেনে গিয়েছেন। মেইকআপও বেমানান এই শুষ্ক ত্বকে। তবে করণীয় কী বলুন তো? ময়েশ্চারাইজার! জি, এটাই একমাত্র জিনিস যা আপনার ত্বককে সজীব রাখবে। ত্বক ভালো করে ভিজিয়ে নিয়ে তবেই ময়েশ্চারাইজার মাখাবেন।

অথবা গোসলের পর মাখাতে পারেন। কিংবা বাইরে বের হওয়ার আগে মাখিয়ে নিতে পারেন। আবার ফিরে এসে ভালো করে মুখ ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার মাখয়ে রাখতে পারেন। ত্বক উজ্জ্বল তো থাকবেই, সেই সাথে শুষ্কতাও অতটা কাবু করতে পারবে না।

এখন একটা ব্যাপার, কোন ময়েশ্চারাইজার মাখাবেন! বাজারে তো অভাব নেই। অলিভ ওয়েল মাখাতে পারেন। এটা খুবই ভালো ময়েশ্চারাইজার। ধরুন, অলিভ ওয়েল নেই আপনার। কী করবেন? নারিকেল এর খাটি তেল মাখাবেন। সবচেয়ে উৎকর্ষ ময়েশ্চারাইজার কিন্তু এই নারিকেল তেলই।

ঘুমের বিকল্প নেই!

রমজান মাস মানেই ঘুমের সেই রকমের হেরফের। এই রাত জাগা, দিনে ছোটা, এই করে ঘুমের যে দফারফা হচ্ছে তা কিন্তু আমলে নিচ্ছে না কেউই। হয়তো কেউ নিচ্ছে কিন্তু সংখ্যাটা খুব কম, নগন্য। মোট কথা, ঘুমাবেন। রাতেই ঘুমাবেন। দিনের ঘুমের চাইতে রাতের ঘুমটা ঢের ভালো।

কারণ আমাদের শরীরের যে ক্ষয়ক্ষতিগুলো হয়, সেগুলো রাতেই পূরণ হয়। আর রাত ৯ টার পর থেকে যে ঘুম হয়, সে ঘুমের এক ঘন্টা মাঝরাত কিংবা দিনের ৩ ঘন্টা ঘুমের সমান। সুতরাং বুঝতেই পারছেন! ১০ টার মধ্যে যদি আপনি ঘুমিয়ে যেতে পারেন, ৩ টার মধ্যে এমনিতেই উঠতে পারবেন। ঝরঝরে একটা অনুভূতি নিয়ে তাহাজ্জুদ পড়বেন কিংবা সাহরি যখন খাবেন, তখন যেই প্রশান্তি অনুভব করবেন সেটা কিন্তু রাতে না ঘুমিয়ে একদমই পাবেন না। সুতরাং ঘুমাতে হবে। ৮ ঘন্টা কমপক্ষে।

গোসল করুন!

শীতকালে ঠাণ্ডার ভয়ে গোসল বাদ দেওয়া জাতি আমরা, তাই না? আচ্ছা গরমে ক’বার গোসল করি? কমপক্ষে দুইবার গোসল করুন। সকালে, রাতে। বাইরে যারা বের হোন, তারা বের হওয়ার আগে গোসল করে বের হবেন।

বাসায় ফিরে এসে আবার গোসল করবেন। এতে করে এই দাবদাহে রোজার কারণে ক্লান্তিটা আপনাকে অতটা স্পর্শ করবে না। এবং ত্বকটাও পরিষ্কার থাকবে। আর একটা বিষয় মনে করিয়ে দেই, গোসল করে ময়েশ্চারাইজার মাখাতে ভুলবেন না।

যত্ন নিন ঠোঁটের!

শীতকালে ঠোঁট শুকিয়ে যায়, এ তো জানা কথা। লিপবাম, লিপস্টিক, কতকিছুই তো মাখিয়ে রাখি। আচ্ছা এই রোজায় ঠোঁট শুকালে কী করেন? রোজাভঙ্গের ভয়ে অনেকেই কিছুই মাখাতে চান না ঠোঁটে। ফলে কী হয় জানেন? ঠোঁট ফেটে চৌচির!

অনেকের তো রক্তও বের হয় ঠোঁট দিয়ে। ভয়ংকর বিষয় না এটা? একটু ভিজিয়ে নিয়ে আলতো করে তেল কিংবা ভেসলিন মাখিয়ে রাখলে ক্ষতি নেই। এটা তো আর খাওয়ার জিনিস নয় যে আপনি খেয়ে নিবেন, তাই না?

আরোও কিছু টিপস!

ত্বক সতেজ রাখার জন্যই তো আয়োজন আমাদের। আর এই সতেজতা আসবে যত্নে। যত্ন নিতে প্রয়োজন প্রাকৃতিক কিছু বিষয়ের যা টিপস আকারে দিচ্ছি। ঘরোয়া উপকরণও বলতে পারেন। একটু দেখে নিন-

★ এই ঋতুতে পাকা পেপে কিন্তু দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। ধরুন ইফতার কিংবা সাহরির জন্যই আপনি কাটছেন। একটুখানি নিয়ে একটু পিষে নিন। মুখে, গলায়, হাতে পায়ে মাখিয়ে কিছুক্ষণ রাখুন। পাকা পেপে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

আপনি চাইলে আরও কিছু উপকরণ বাড়াতে পারেন। পাকা পেপের সাথে কিছুটা লেবুর রস আর চালের গুড়া মিশিয়ে একটা মিশ্রণ বানাতে পারেন। এটা মুখে মাখিয়ে ২০ মিনিট রেখে তারপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নেবেন। ত্বক উজ্জ্বল হবে। নেতিয়ে পড়া ত্বকে জৌলুশ দেখতে পাবেন।

★ ত্বকে মাখাতে পারেন দুধ। অথবা দুধ আর গোলাপজলের মিশ্রণ। ত্বকের তৈলাক্তভাব দূর করে এই মিশ্রণটি।

★ আপনার কাছে চন্দন কাঠের গুড়া থাকলে এই মিশ্রণটি প্রয়োগ করতে পারেন।

কিছুটা চন্দন গুড়া, হলুদ গুড়া আর গোলাপ জল মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে মুখে মাখাবেন। এটা ব্রনের জন্য খুব উপকারি। ব্রনের দাগও দূর করে এই মিশ্রণ। নিয়মিত না হলেও সপ্তাহে ২/৩ বার ব্যবহার করতেই পারেন।

★ শুষ্ক ত্বক যাদের, তারা টমেটো, পাকা কলা, শশা আলাদা আলাদা ভাবে অথবা ৩ টা একসাথে মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে মুখে মাখাবেন। ১৫-২০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নেবেন।

★ বাসায় পেয়াজু, বেগুনি কিংবা আলুর চপ তো হয়? বা না হলেও, মশুরের ডাল আর বেসন তো থাকার কথা, তাই না? মিহি করে ডাল বেটে মুকজে মাখিয়ে রাখবেন। ত্বকের ময়লা দূর করে ডাল ও বেসন। শুষ্কভাবও দূর করে দিয়ে কোমল আর সজিব করে তোলে।

★ এই পয়েন্টটি তাদের জন্য যাদের রোজ বের হতে হচ্ছে এই গরমে। রোদে পুড়ে যাওয়া ত্বকের জন্য একটা অসাধারণ তথ্য দিচ্ছি। বেকিং পাওডার কিংবা বেকিং সোডার সাথে আপনারা পরিচিত আছন। কিছুটা পানির সাথে এই পাওডার গুলিয়ে নিন। একটা পরিষ্কার কাপড় ঐ পানিতে ভিজিয়ে নিন। এখন এই কাপড় দিয়ে রোদে পোড়া জায়গাগুলো আলতো করে মুছে নিন। কয়েকদিন বাদে নিজেই পার্থক্য লক্ষ্য করুন।

★ রমজানে চোখের নিভে গর্ত হয়ে যাওয়া সহ চোখের নিচে কালি জমাটা খুবই সাধারণ একটা বিষয়। আলু এবং শসার রস মাখাবেন কালি পড়ে যাওয়া জায়গায়।

★ ত্বকের পাশাপাশি চুলও কিন্তু রুক্ষ হয়ে যায়, খেয়াল করেছেন? সপ্তাহে অন্তত ২ দিন তেল লাগান। রুক্ষতা কমবে।

★ এই গরমে অনেকের চুল কিন্তু খুব ঘামে। একই সাথে ঘেমে যায় মাথার ত্বক। এক্ষেত্রে লেবুর খোসা পেস্ট করে মাথায় মাখাবেন, চাইলে কিছুটা আদা দিতে পারেন। কিংবা লেবুর রস মাথায় মাখাতে পারেন। এই মিশ্রনটিকে মাথায়  ১ ঘন্টা  রেখে ধুয়ে নিবেন শ্যাম্পু দিয়ে। এটা চুল এবং মাথার মধ্যে থাকা ফাংগাল ইনফেকশন দূর করে।

★ অতিরিক্ত রুক্ষ হয়ে যাওয়া চুলে পাকা কলা মাখাতে পারেন। এটা চুলের সতেজতা ফিরিয়ে আনে।

একটা বিষয় খেয়াল করেছেন? আপনি মুখে বা চুলে যাই মাখুন না কেন, তা ধুতে নিতে ঠাণ্ডা পানির কথা বলা হয়েছে। এই ঠাণ্ডা পানি মোটেও বরফ মেশানো পানি নয়। বরং ঘরোয়া তাপমাত্রায় থাকা স্বাভাবিক পানি। অতিরিক্ত গরম বা ঠাণ্ডা কোন পানিই কিন্তু আমাদের ত্বক কিংবা চুলের জন্য ভালো নয়। চলমান রমজান ভালো কাটুক সবার, সুস্থতায় আর সজীবতা থাকুক বিশ্ব।

 

 

 

 

 

 

Filed Under: Face Care Tips, Skin Care Ideas

মুখ ধোয়ার সময় কোন ভুলগুলো আপনার ত্বককে ড্যামেজ করতে পারে?

by লামিয়া তানজিন মাহমুদ

এইতো বেশ কিছুদিন ধরে শীতের একটা আবেশ ছড়িয়ে পড়লো পুরো দেশে। যদিও এখনকার শীত অতটা জাঁকালো নয়, তবুও! অন্দরমহলে রাজত্ব বিস্তার করে তবেই না বসন্তকে আসার সুযোগ করে দিলো বিদায়ী ঋতু শীতকাল। আর বসন্তটাও বলিহারি! তারিখ না জানলে তো বোঝাই দায় যে চলমান ঋতুটার নাম বসন্ত। ঘাবড়াচ্ছেন? ভাবছেন শিরোনাম বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ষড়ঋতুর রচনা লিখতে বসেছি? একদম না।

আজকের আলাপনের বিষয় ত্বক নিয়ে। মুখ ধোওয়ার সময় প্রায়শই আমরা কিছু ভুল করি, যা আমাদের ত্বককে ভেতর থেকে মলিনতায় ঢেকে দেয়। ভুলগুলো পাকাপোক্ত হয় এই ঋতুগুলোর খেয়ালেই। ভাবছেন, কেমন করে? চলুন খোলাসা হয়ে যাক –

ঋতু ভিত্তিক মুখের যত্ন নিয়ে একটু কথা

আমরা যে জাতি হিসেবে অলস, এ তো নতুন নয় বরং জানা কথা। তাই না? কতটা অলস এ আর বলতে! ধরুন, মুখের যত্ন কিংবা সাধারণ মুখ ধোওয়া নিয়েও যদি বলি, সেখানেও কিন্তু আমাদের আলসেমি তুঙ্গে! এমনও হয়, শীতকালে ঠাণ্ডার ভয়ে পানিই ছোঁয় না অনেকে। আর গরমে ঘষে-মেজে পারলে ছাল-চামড়া তুলে নেয়! প্রশ্ন হলো, এগুলো কি আদৌ নিয়ম?

নিয়ম অনিয়মের পালাক্রমে একটা নিয়ম জানিয়ে রাখি – মুখ ধোওয়ার মতো সাধারণ বিষয়ে কিছু নিয়ম কিন্তু আছে। আর এই নিয়ম এক দুই দিনের তো নয়ই বরং ঋতু ভেদে সবসময় নিয়ম মেনেই নিয়মিত মানতে হয় এই নিয়ম। যার অনিয়মে তাৎক্ষণিক সমস্যা সহ দীর্ঘকালীন সমস্যারা দল বেঁধে হাজির হতে একটুও সময় নেয় না।

Common Mistakes Made When Washing Your Face

অনীহা? না আলস্য?

অনেকে আলস্যের কারণে হোক আর গুরুত্ব না দেওয়ার কারণেই হোক, মুখ ঠিকঠাক ধুতেই চান না। কোন রকম পানির স্পর্শ নিয়েই দায় সারেন। এ কি আদতে মুখ ধোওয়া? আমরা অনেকে নিয়ম জানি না অথবা বলা যায়, জানলেও মানি না। অথচ সমস্যার মুখ দেখলেই আয়োজন করে ভাবতে বসে যাই – “কী হলো? কেন হলো?” ওদিকে সমাধান যে সমস্যার জন্ম নেওয়ার আগেই করা যেতো, তা কিন্তু ভুল করেও ভাবতে যাই না। আর এতে ফলাফল কী দাঁড়ায় জানেন? ব্রন, বলিরেখা, বয়সের ছাপ, শুষ্কতা, তেলচিটে ভাব ইত্যাদি। কি? সমস্যাগুলো পরিচিত লাগছে না? এই সমস্যার শুরুটা কোত্থেকে হয়, জানেন? আলস্যের দাপটে ভুলভাবে মুখ ধোওয়া থেকে।

মুখ ধোওয়ার কিছু বিষয় যা আপনার জানা প্রয়োজন

একটা মজার তথ্য কি জানেন? অনেকে তারুণ্য বোঝাতে সাজসজ্জা করেন। কিন্তু ত্বক বিশেষজ্ঞরা বলেন, ঠিকভাবে যদি মুখ ধোওয়া হয়, তাহলে সেই ধোওয়াটাই ত্বককে বেশ ভালো রাখে এবং তারুণ্য বাড়িয়ে তোলে। আর এজন্য একটা সুন্দর ত্বক ধারণ করতে প্রয়োজন স্বাস্থ্যকর কিছু অভ্যাসের। যেন-তেন নয়, মুখ ধোওয়াকে ভাবতে হবে অবশ্য করণীয় কাজ হিসেবে। কারণ দরজায় উঁকি মারছে গ্রীষ্ম। খেয়াল করে দেখেছেন? বাতাসে আদ্রতা কিন্তু এখন মিশ্র।

এই মুখ ঘামাচ্ছে তো এই ত্বক খুব করে টানছে। বাড়তি হিসেবে যোগ হচ্ছে মুখে বাড়তি তেলের আগমন। বিরক্তিকর ব্যাপারই বটে, তাই না?  তবে যত বিরক্তিকরই হোক না কেন, এসব কারণে বারবার মুখ ধোওয়ার কথা যদি ভেবে থাকেন তবে তা বেমালুম ভুলে যান।

কারণ প্রতিটা ত্বকে একটা স্বাভাবিক মাত্রার তেলতেলে ভাব থাকে, যাকে ময়েশ্চার বলে। বারবার পানির স্পর্শ পেলে এই তেলতেলে ভাবটা চলে যায়। এতে করে ত্বক খুব দ্রুতই তেল হারিয়ে রুক্ষ, শুষ্ক, প্রাণহীন হয়ে যায়। এবার তাহলে প্রশ্ন, বারবার মুখ ধুয়ে নিলে ত্বকের ক্ষতি, আবার কম ধুলেও ক্ষতি, তাহলে দিনে কিংবা রোজ কতবার মুখ ধোওয়া উচিৎ আমাদের?

আর কীভাবে?

প্রশ্নেরা উঁকি মারছে কি?

চলুন জেনে নেওয়া যাক :

মুখ ধোওয়ার সময় যে ভুলগুলো আপনার ত্বককে মলিন করে তোলে (Common Mistakes Made When Washing Your Face)

১. মুখ কীভাবে ধুবেন?

অনেকে মুখ ধুতে ক্লিনজার ব্যবহার করেন। খুব ভালো বিষয় এটা। তবে এখানে একটু খেয়াল রাখার বিষয় আছে। আর তা হলো, যে ক্লিনজার দিয়েই মুখ ধুয়ে নেন না কেন, সেই ক্লিনজার যেন মুখ ধোয়ার পরে ভালোভাবে ধুয়ে চলে যায়। অর্থাৎ ত্বকে সেই ক্লিনজারের বিন্দুমাত্র কণাও যাতে আঁটকে না থাকে।

অনেকে তাড়াহুড়োয় কোনমতে ক্লিনজার দিয়ে মুখ ধুয়ে নেন। এতে ক্লিনজারের আঠালো অথবা পিচ্ছিল বিষয়টা মুখে আঁটকে থাকে। এতে কী হয় জানেন? ত্বকে আঁটকে থাকা এই ক্লিনজারই আরও বেশি ধুলা, বালি, ময়লা টেনে আঁটকে রাখে। আর তাতে কিন্তু মুখের ত্বকের ক্ষতিটাই হয়। অতএব, যা-ই ব্যবহার করুন না কেন, মুখের ত্বকে এর প্রমাণ রাখার কোন প্রয়োজন নেই। ধুয়ে নেবেন। কেমন?

২. যতই মুখ ধোওয়া, ততই ভালো?

আমরা অনেকেই ভাবি বেশি বেশি মুখ ধুলেই বুঝি মুখের ত্বকের জন্য ভালো হবে। এটা আপাতত ভালো মনে হলেও আদতে তা কিছুটা সমস্যার জন্ম দেয়। বারবার সাবান দিয়ে মুখ ধুয়ে নেন, এরকম অনেকেই আছেন। এতে কী সমস্যা হয়, জানেন? ত্বকে স্বাভাবিক তেলের পরিমাণ একদমই কমে যায়।

আবার যদি একদমই মুখ না ধোওয়া হয়, কিংবা স্বাভাবিক এর থেকে কম ধোওয়া হয় তবে সেক্ষেত্রে কিছু ছত্রাক জন্ম নেয় মুখের ত্বকে যারা ত্বকের সমস্যা বাড়িয়ে দেয়।

এখন জিজ্ঞাসা থাকতে পারে, কতবার মুখ ধোয়া জরুরি!

উত্তর – ২ বার।

দিনে কেবল ২ বার যদি ঠিক নিয়মটি মেনে মুখ ধুয়ে নিতে পারেন, একাধিকবারের কী প্রয়োজন বলুন তো? এখন কোন দুই বার মুখ ধুবেন, সেটা হলো প্রশ্ন! সমস্যা নেই জানিয়ে দিচ্ছি-

প্রথমবারের মুখ ধোয়াটা হবে সকালে, ঘুম থেকে উঠে। আর দ্বিতীয় এবং শেষ বারের মুখ ধোয়াটা হবে বাইরে থেকে ফিরে, অথবা আপনি যদি বাসাতেই অবস্থান নেন সেক্ষেত্রে ঘুমের আগে একবার মুখ ধুয়ে নেবেন। তবে যে হারে গরম পড়া শুরু হয়েছে, এতে একাধিকবার মুখ ধোওয়ার আবশ্যিকতা অস্বীকার করাই যায় না।

সেক্ষেত্রে পরামর্শ এই মূল দুই বারের মাঝে যদি মুখ ধোওয়ার প্রয়োজন অনুভব করেন তবে সেটা সাবান দিয়ে কিন্তু ভুলেও নয়। পরিষ্কার পাতলা কাপড় কিংবা টিস্যু অথবা মুখে ঝাপটা মেরে পানি দিয়ে ধুয়ে নিলেই হয়ে যাবে। কিন্তু এখানে একটু সাবধান হবেন। বেশি নয়, কেমন? অতিরক্ত পানিও মুখের ত্বকের তেল কেড়ে নেয়।

৩. মুখ ধুয়েই কি ময়েশ্চারাইজার মাখেন?

ময়েশ্চারাইজার এর বিষয়টা হচ্ছে – ত্বকে স্বাভাবিক তেলতেলে ভাব বজায় রাখা। ভালো একটি ময়েশ্চারাইজার আপনার ত্বককে এই অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যাওয়া থেকে কিন্তু বাঁচিয়ে রাখে। তাই এর গুরুত্ব অস্বীকার করার উপায়ই নেই।

এক্ষেত্রে আরেকটু বিষয় আছে। সেটা হলো, সকলের ত্বক কিন্তু এক নয়। খেয়াল করে দেখবেন, কারও ত্বক বেজায় শুষ্ক। আবার অনেকের ত্বক তেলেতেলে। সেক্ষেত্রে ত্বক এর ধরণ বুঝে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হয়। যাদের ত্বক তেলতেলে, তারা ওয়াটার বেইজ এর ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করে উপকার পাবেন। আবার যাদের ত্বক শুষ্ক, তারা অয়েলি টাইপ ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে পারেন। আর এই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে মুখ ধোয়ার পরপরই।

এবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি দেই- বাজারে যত ধরণের ময়েশ্চারাইজার আছে এদের মধ্যে যদি সবচেয়ে ভালো ময়েশ্চারাইজার পেতে চান তবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে নারিকেল তেল বানিয়ে নিন। এর চেয়ে ভালো ময়েশ্চারাইজার আর নেই। উপকার এর কথা জানতে চাইলে বলবো, ব্যবহার করেই দেখুন। নারিকেল তেলে সমস্যা হলে অলিভ অয়েলও মাখতে পারেন মুখে। এটাও একই কাজ করে। পড়ুন: ঘরোয়া উপায়ে ত্বকের বলিরেখা দূর করুন

৪. মুখ ধোওয়ার ক্ষেত্রে কেমন পানি ব্যবহার করা উচিৎ?

নিশ্চিত করে বলতে পারি, এই প্রশ্ন আপনাদের ভাবাবে। বাড়তি হিসেবে পালটা প্রশ্ন মাথায় আসতেও পারে- “পানির আবার ধরণ কী? মুখ ধোওয়া হলেই হলো!”

একটা তথ্য জানিয়ে রাখি, যে পানি আপনি পান করতে পারবেন না, সে পানি মুখ ধোওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার করতেও যাবেন না। মুখ ধোওয়ার ক্ষেত্রে পানির ধরণের গুরুত্বটা একটু কি বুঝাতে পারলাম? আসুন খোলাসা করছি-

আমরা অনেকেই, বেশিরইভাগই মুখ ধোওয়া নিয়ে মোটেও সচেতন নই। সেখানে মুখ ধুয়ে নিতে গেলে কী পানি ব্যবহার করছি, তাও ভেবে দেখি না। অথচ এই মুখটাই বেশি দেখা যায় বাইরে থেকে। সব বাদ দিন, বাইরে থেকে ফিরে কিংবা আয়নার সামনে দাঁড়ালে নিজের মলিন মুখ দেখতে ভালো লাগবে আপনার? এ জন্যই প্রয়োজন যত্নের। যা হবে সাধ্যের মধ্যে।

একটু ঠাণ্ডা পড়লেই অনেকে ধোয়া ওঠা গরম পানিতে মুখ ধুয়ে নেন। আবার ভিষণ গরমে হিমশীতল পানিতে মুখ ধুয়ে নেন। আদতে এই প্রচণ্ড গরম কিংবা ঠাণ্ডা, দুই-ই মুখের ত্বকের জন্য ভয়াবহ ক্ষতিকর। এটা কিন্তু মুখের ত্বককে স্থায়ীভাবে শুষ্ক করে তোলে। একটু চিন্তা লাগছে না এসব জেনে? ভয়ের কিছু নেই। মুখ ধোওয়ার ক্ষেত্রে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি ব্যবহার করবেন। এটিই ত্বকের জন্য সবচেয়ে ভালো হবে। এবং ত্বককে ভালো রাখতে বেশ কাজে দেবে। বিশেষ করে পরিশোধিত পানি দিয়ে মুখ ধোওয়ার অভ্যাস করলে এটি আপনার ত্বকের জন্য সবচেয়ে বেশি ভালো হবে।

৫. ক্লিনজারের ক্ষেত্রে ভুল করছেন না তো?

মুখ ধোওয়ার ক্ষেত্রে ক্লিনজারের ব্যবহারের কথা ইতোমধ্যে জানেন আপনারা। কিন্তু এটা কি জানেন? ত্বকভেদে ক্লিনজারও কিন্তু ভিন্ন হয়। এক্ষেত্রে একেক ত্বকের জন্য একেক ক্লিনজার ব্যবহার করাই উচিৎ। আর এ জন্য চাই ঠিকভাবে ক্লিনজার বেছে নেওয়া, যেটি আপনার ত্বক গ্রহণ করতে পারবে। আর তারও আগে আপনার জানতে হবে, আপনার ত্বকের ধরণ।

ক্লিনজার ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু কথা না বললেই নয়, আর তা হলো- প্রতিটা পণ্যের কিছু ব্যবহারবিধি থাকে। কোন পণ্য কত পরিমাণে, দৈনিক কতবার, কীভাবে ব্যবহার করতে হয়, তার একটা নির্দেশাবলি থাকে। এটা মেনে চলা দরকার। নির্দেশাবলিতে দেওয়া নিয়মের হেরফের হলে কিন্তু ত্বক ধীরে ধীরে ড্যামেজ হয়ে যায়। এটা মাথায় রাখবেন। আর অবশ্যই বাইরের কিনে আনা পণ্যের মেয়াদ এর তারিখ দেখে নেবেন। মেয়াদ থাকার মধ্যেই পণ্য শেষ করবেন।

আর যদি ঘরোয়া উপায় জানতে চান তবে বলবো- অ্যালোভেরা, কাঁচা হলুদ এর বিকল্প নেই।

৬. মুখ ধোওয়ার আগে হাত ধোওয়া জরুরি!

মুখ ধোওয়ার আগে আয়োজন করে যে হাত ধুয়ে নিতে হয়, এ কি আপনারা জানতেন? কিংবা জানলেও মানতেন? ভাবছেন, প্রয়োজনিয়তা কী এর? আসুন বলছি-

অনেকের যুক্তি এমন, হাত দিয়েই যেহেতু মুখ ধোওয়া হচ্ছে তাহলে হাত কেন আগে ধুয়ে নিতে হবে! উত্তর হলো, আমাদের হাত কি জীবাণুমুক্ত? হলে কতটা? যে হাত মুখে লাগাবেন, সেই হাতের জীবাণু কি মুখে যাবে না? প্রশ্নগুলো কি আপনাদের একটু হলেও ভাবাচ্ছে, পাঠক? যদি উত্তর হ্যাঁ হয় তো এই লেখন স্বার্থক। ভাবনা থেকেই না হয় ভালো কিছু হোক। তবু হোক।

প্রসঙ্গে ফিরি- মুখ ধোওয়ার আগে হাতটা ভালো করে ধুয়ে নেবেন। এরপর এই হাত মুখে লাগলেও সমস্যা নেই। মুখ ধুয়ে নেবেন আলতো হাতে। মনে রাখবেন, এটা আপনার মুখের ত্বক। কাদামাটির স্তুপ না যে দলাই-মলাই করবেন।

৭. মুখ মুছতে তোয়ালে? নো ওয়ে!

আচ্ছা, মুখ ধোওয়ার পরে আপনারা কি তোয়ালে ব্যবহার করেন? সেক্ষেত্রে কীভাবে ব্যবহার করেন? ঘষে ঘষে? উত্তর হ্যাঁ হলে, সর্বনাশ করছেন!

অনেকেই এই কাজটা করেন। তড়িঘড়ি করে মুখ ধুয়ে এসেই খুব জোরে জোরে তোয়ালে দিয়ে মুখ ঘষেন। আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে এতে ত্বকের অস্বস্তি সৃষ্টিকারী পানি, ধুলো-বালি দ্রুত মুছে যায়। আদতে এটি ত্বকের শুষ্কতা বাড়াতে সাহায্য করে। অনেক ক্ষেত্রে বয়সের আগেই দ্রুত ত্বকের চামড়া ঝুলে পড়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করে। এক্ষেত্রে করণীয় হলো – নরম কাপড়ে মুখ মোছার অভ্যেস করা। এবং আলতো করে চেপে পানি মুছে নেওয়া। ভুলেও ঘষাঘষি করবেন ন।

আরেকটা ব্যাপার, মুখ মোছার কাপড় যেন  নরম এবং পরিষ্কার হয়। নইলে এতক্ষণ যা যা বুঝিয়ে এলাম, প্রতিটা ধাপই ব্যর্থ হতে বাধ্য যদি আপনি তোয়ালে সংক্রান্ত এই ভুল পদক্ষেপ গুলো অব্যাহত রাখেন।

৮. সাজগোজ করেন?

এতক্ষণের লেখনের আলাপনে সবটুকু নারী ও পুরুষের জন্য থাকলেও এখনের আলাপনটুকু কেবল নারীদের জন্য। একটু একপেশে আলাপ করবো এখানে। আচ্ছা, নারীদের বলছি, সাজতে ভালোবাসেন? সাজেন আপনারা?

বাঙালি হোক কিংবা না হোক, একটু কাজল, ঠোঁটকে সামান্য রাঙানো এটুকু তো একটা নারী করতেই পারে, তাই না বলুন? কিংবা ধরুন মাঝে মাঝে একটু ভারি সাজ, ক্ষতি তো নেই। বরং সাজলে একেকটা নারীকে যে কতটা মায়াবতী লাগে, সে আর বলতে? তো সেই মায়াবতীদের বলছি, আয়েশ করে সাজেন কিংবা সাজতে পছন্দ করেন এমন অনেকে আছেন। কিন্তু এই সাজগোজের পর্ব শেষে মুখ থেকে এই কৃত্রিমতা তুলে ফেলার অভ্যেস আছে তো? অনেকে এই সাজ নিয়েই দিব্যি ঘুমিয়ে যান। এতে ক্ষতিটা হয় ত্বকের, বিশ্বাস করুন। তাই এইখানে সাজগোজ নিয়ে একটু বিশদে যাবো। দরকার আছে বইকি!

যারা সাজগোজ করেন, তারা অন্তত এটা জানেন যে মূলত সাজগোজের এই উপাদানের প্রতিটাই কৃত্রিম। আর সকল ধরণের কৃত্রিম পণ্য আমাদের ত্বকের জন্য কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে ভালো ফল এনে দেয় না। ফলে ব্রণ, শুষ্কতা, তৈলাক্তভাব সহ অনেক ধরণের সমস্যা কিন্তু দেখা যায় যা আপনার মুখের ত্বকের ধীরে ধীরে ড্যামেজ এর দিকে যাওয়ার অন্যতম কারণ। এজন্য কী করবেন জানেন? যেখানে যেখানে কৃত্রিম প্রসাধনী লাগাবেন, সে জায়গা ভালো করে ধুয়ে নেবেন।

এক্ষেত্রে নারিকেল তেল, জলপাই তেল ব্যবহার করলে ভালো ফল পাবেন। আর সেটা ব্যবহার করতে হবে অবশ্যই টিস্যু কিংবা তুলা দিয়ে। এক্ষেত্রে তুলা এবং টিস্যুতে তেল লাগিয়ে মুখ থেকে প্রসাধনী তুলে ফেলতে হবে। তারপর আপনার পছন্দমতো ক্লিনজার দিয়ে ধুয়ে নিয়ে নরম কাপড়ে আলতো আলতো চাপ দিয়ে মুছে নেবেন। আর ত্বক মুছেই তাতে ময়েশ্চারাইজার মাখাবেন। এভাবেই রাতে ঘুম দিন। আর সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখুন ত্বক কতটা কোমল আর মোলায়েম হয়ে উঠেছে।

মনে রাখা প্রয়োজন!

এখন যে বিষয় নিয়ে বলবো, বলছি না তা কেউ জানে না। জানে, কিন্তু নানান ধরণের ব্যস্ততায় মনে রাখার ফুরসত মেলে না তাই মনে করিয়ে দিতেই লেখন শেষে এই ক্ষুদ্র আয়োজন।

যখন মুখ ধুতে নেবেন, চুলটা বাঁধবেন ভালো করে। খেয়াল করে দেখবেন, যেদিকটায় চুল থাকে সেদিকটায় আমরা তেল আর শ্যাম্পু ছাড়া অন্য কিছু মাখতে যাই না। তাই না? এক্ষেত্রে ধরুন আপনি মুখ ধুয়ে নিতে গেলেন আর গাল বেয়ে চুল পড়ে রইলো। আপনি ঐ চুল তো সরালেনই না বরং গালের ঐ জায়গা ঠিকঠাক ধোওয়া হলো না। হয় না এমন, বলুন? কি মিললো তো অভ্যাসটা? চুলটা না-হয় এবার থেকে বেঁধেই নিলেন!

আরেকটা বিষয় একটু জানিয়ে রাখি , বাড়িতে কিছু ঘরোয়া উপাদান দিয়ে এমন কিছু বানিয়ে ফেলুন যা আপনার ত্বকের উপর দীর্ঘমেয়াদে প্রভাব ফেলবে না। এবং বয়সও ধরে রাখবে। একটা তথ্য জানিয়ে দেই- আমাদের কিছু ঋতুভিত্তিক রোগ বালাই বা শারীরিক উপসর্গ থাকে। এক্ষেত্রে প্রতিষেধক হিসেবে আমরা খুঁজতে যাই কৃত্রিম কিছু। আসলে, যখন যে ঋতু চলে আর সেই ঋতুতে যত ফল আর শাক, সবজি পাওয়া যায়, সেগুলোই কিন্তু ঐ ঋতুতে শারীরিক সব সমস্যার সমাধান।

এটা কিন্তু আপনি চাইলেই পরীক্ষা করে দেখতেই পারেন। প্রাকৃতিক যেহেতু তাই নিশ্চিত করেই বলা যায়, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। তো চলুন, এবার থেকে না হয় প্রকৃতির উপরেই নিজেদের সুস্থ রাখার ভার ছেড়ে দেই! আপত্তি নেই তো?

Filed Under: Face Care Tips

৫টি ঘরে তৈরি সহজ কলার প্যাক ব্যবহার করে শীতকালে শুষ্ক মুখের যত্ন নিন যা আপনার ত্বকের শুকনো ভাব দূর এবং ঠান্ডা প্রভাব থেকে ত্বককে সুরক্ষিত রাখবে

by রূপকথন ডেস্ক Leave a Comment

শীতকাল হচ্ছে ত্বকের পুনরুদ্ধার এবং প্রস্তুতির ঋতু।

এক আমেরিকান ভ্রমণ লেখক এবং ঔপন্যাসিক যথাযথ বলেছেন। “গ্রীষ্মের দীর্ঘ এবং নিস্তেজ দিন আপনার ত্বককে করে দেয়  শুষ্ক এবং নির্জীব “। গ্রীষ্মের প্রখর রোদ্রে আমাদের ত্বক নষ্ট করে দেয়। তাই শীতকাল হচ্ছে আমাদের ত্বকের পুনরুদ্ধার এবং শীতকালে কঠোরতা থেকে ত্বককে প্রস্তুত রাখা।

শুষ্ক ও অনুজ্জ্বল চেহারার জন্য আমরা নিয়মিত অনেক টাকা ব্যয় করে রাসায়নিক পণ্যে ব্যাবহার করি, এটা আমরা কম খরচে প্রাকৃতিক উপায়ে প্রতিকার করতে পারি যা আমাদের কে শীতকালে শুষ্ক ত্বক এবং ফাটা থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করবে । এই উপাদানগুলো ত্বকের জন্য খুবই কার্যকর, ব্যবহার করা যথেষ্ট সহজ এবং সাশ্রয়ী।

শীতকালে সুপার হাইড্রোডেড (super hydrated) এবং উজ্জ্বল ত্বক পাওয়ার  জন্য নিবিড়তা এবং ধৈর্য হল চাবি।

শুষ্ক ত্বকের জন্য ঘরে তৈরি কলার প্যাকগুলি

আসুন ঘরে বসে নিজের শুষ্ক মুখের জন্য কলার প্যাক তৈরি করি।

১. কলা এবং মধুর ফেইস প্যাক (Banana and Honey Face Pack)

উপাদান সমূহ

  • ১ টি পাকা কলা
  • ১ টেবিল চামচ মধু
  • ১ চা চামচ অলিভ অয়েল

তৈরি এবং ব্যবহার করবেন ঃ

১. একটি কলা নিন এবং কলাটিকে ছোট ছোট টুকরো করে একটি বাটিতে রাখুন।

২. ১ টেবিল চামচ মধু।

৩. ১ চা চামচ অলিভ অয়েল।

৪. সবগুলো উপাদান একটি পাত্রে নিয়ে পেস্ট করুন।

৫. এবার মুখে ব্যবহার করুন।

৬. ১০ মিনিট পরে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

এই প্যাকটি ত্বকের শুকনো ভাব দূর করবে এবং শীতকালের ঠান্ডা প্রভাব থেকে ত্বককে সুরক্ষিত রাখবে। এই প্যাক ভিটামিন ই(e)  আছে যা আপনাকে স্বাস্থ্য উজ্জ্বল ত্বক উপহার দিবে।

কলা এবং মধুর ফেইস প্যাক ভিডিও টিউটোরিয়াল

কলা এবং মধুর ফেইস প্যাক ব্যাহারে ত্বকের উপকারিতা

  • মধু শীতের ত্বকের আর্দ্রতা কমায়।
  • কলা এবং অলিভ অয়েলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা ত্বকের রাসায়নিক পদার্থের খারাপ প্রভাবগুলি অপসারণ এবং নিষ্ক্রিয় করতে সহায়তা করে।
  • এছাড়াও অলিভ অয়েল আপনার ত্বকের মেদ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
  • এই প্যাক আপনার ত্বককে শিথল, মসৃণ এবং আর্দ্রতা কমাবে।

২. কলা এবং বাটার ফেস প্যাক (Banana and Butter Face Pack)

উপাদান সমূহ

  •  ১টি কলা
  •  ২ টেবিল চামচ সাদা বাটার

কিভাবে কলা এবং মাখন দ্বারা ফেইস প্যাক তৈরি এবং ব্যবহার করবেন?

  • একটি কলা নিন এবং কলাটিকে ছোট ছোট টুকরো করে একটি বাটিতে রাখুন। কলার টুকরোগুলোকে ভালভাবে মিশ্রণ করুন।
  • ২ টেবিল চামচ সাদা বাটার কলার পেস্টর সাথে মিশ্রণ করুন।
  • কলা এবং মাখন ভালভারে মিশ্রণ করে এবং মুখে ব্যবহার করুন। এটি শুষ্ক ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।

পদ্ধতি

একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করার জন্য সবগুলো উপাদান ভালভাবে মিশ্রণ করুন। আপনার মুখে মসৃণ পেস্টটি ভালভাবে লাগান এবং এটি ২০ মিনিট মুখে রাখুন। এবার ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন এবং তায়ালে দিয়ে মুখ মুছে ফেলুন।

৩. ভিটামিন ই (E) ফেইস প্যাক (Vitamin E Face Pack)

উপাদান সমূহ

  • ১ টি পাকা কলা যতক্ষণ পর্যন্ত মসৃণ না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত ভালভাবে পেস্ট করুন।
  • ১ টি ভিটামিন ই ক্যাপসুল।
  • ১ টেবিল চামচ মধু।

কিভাবে তৈরি করবেন এবং মুখে লাগাবেন?

  • সমস্ত উপাদানগুলো ভালভাবে মিশ্রণ করুন এবং মুখে ব্যবহার করুন। ২০ মিনিটের জন্য মুখে রেখে দিন, শুকানো পর্যন্ত।
  • আপনার ইচ্ছে করলে, গোলাপ জল এবং চন্দন গুঁড়া মিশ্রণ করতে পারেন।

৪. কলা এবং দই ফেইস মাস্ক (Banana and Yogurt Face Mask):

উপাদান সমূহ

  • ১ টি পাকা কলা যতক্ষণ পর্যন্ত মসৃণ না ততক্ষণ পর্যন্ত ভালভাবে পেস্ট করুন।
  • ২ টেবিল চামচ দই। মসৃণ পেস্ট না হওয়া পর্যন্ত দই মিশ্রণ করুন।

কলা এবং দই কিভাবে ব্যবহার করবেন?

  • উপাদানগুলো ভালভাবে মিশ্রণ করুন এবং মুখে ব্যবহার করুন।
  • এটি ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করবে এবং সূর্যের অতিরিক্ত তাপমাত্রা থেকে আপনার ত্বককে সুরক্ষিত রাখবে।

৫. কলা এবং লেবু রস মাস্ক (Banana and Lemon Juice Mask):

উপাদান সমূহ

  • ১ টি পাকা কলা যতক্ষণ পর্যন্ত মসৃণ না ততক্ষণ পর্যন্ত ভালভাবে পেস্ট করুন।
  • ১ টেবিল চামচ লেবুর রস।

কিভাবে তৈরি এবং ব্যবহার করবেন?

  • উপাদানগুলো ভালভাবে মিশ্রণ করুন এবং মুখে ব্যবহার করুন।
  • ১৫ মিনিটের জন্য ছেড়ে দিন এবং ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক ত্বকের ভিটামিন এ, বি এবং ই সমৃদ্ধ এবং চামড়ার ক্ষতিকর বার্ধক্যের প্রভাব কমাতে সাহায্য করে।
  • লেবু ত্বককে উজ্জ্বল করে এবং আপনার ত্বকের ক্ষত চিহৃ দূর করতে সাহায্য করে।

এই সেরা ৫টি ফেইস প্যাক আপনার ত্বককে শীতকালে সুষ্ঠ রাখবে এবং শুষ্ক ত্বকের জন্য এই ফেইস প্যাক খুবই উপকারী। এই শীতে প্যাকগুলো ব্যবহার করুন।

সুস্থ এবং সুখী থাকুন।

Filed Under: Dry Skin, Face Care Tips

  • « Go to Previous Page
  • Page 1
  • Page 2

Primary Sidebar

সাম্প্রতিক লেখা

১৬টি সেরা খাবার সকালবেলার দৌড়ের পর খাওয়ার জন্য – পোস্ট-রান রিকভারি পুষ্টি

ওজন কমাতে সেরা ২০টি ডিটক্স স্মুদি: উপাদান, প্রস্তুতি ও উপকারিতা

সহজে হজম হয় এমন ১৬টি হালকা খাবারের রেসিপি

Low FODMAP Diet: ৩ ধাপের পরিকল্পনা ও কোন খাবার খাবেন, কোনটা এড়িয়ে চলবেন

প্যালিও ডায়েট: উপকারিতা, ঝুঁকি ও ৭ দিনের খাবার পরিকল্পনা

বিভাগ সমূহ

  • Fashion
  • HAIR CARE (চুলের যত্ন)
    • Basic Hair Care (বেসিক হেয়ার কেয়ার)
    • Dandruff (খুশকি)
    • Dry Hair Care (শুকনো হেয়ার কেয়ার)
    • Hair Care Ideas
    • Hair Fall ( চুল পড়া)
    • Hair Growth ( চুল বৃদ্ধি)
    • Hair Treatment (চুল চিকিৎসা)
    • Oily Hair Care ( তৈলাক্ত চুলের যত্ন)
  • HEALTH & WELLNESS (স্বাস্থ্য ও সুস্থতা)
    • Diet Tips
    • Fitness
    • Healthy Food
    • Home Remedies
    • Ingredients and Uses
    • Nutrition (পুষ্টি)
    • Weight Gain
    • Weight Loss (ওয়েট লস)
  • Lifestyle (জীবনযাপন )
  • MAKEUP (মেকআপ)
    • Bridal Makeup (ব্রাইডাল মেকআপ)
    • Eye Makeup (চোখের সাজসজ্জা)
    • Lip Make up (লিপ আপ করুন)
  • SKIN CARE (ত্বকের যত্ন)
    • Acne
    • Anti Ageing
    • Beauty Secrets
    • Dry Skin
    • Face Care Tips
    • Face Packs and Masks
    • Glowing skin
    • Homemade Tips
    • Oily Skin
    • Skin Care Ideas
    • Skin Care Problems
    • Sunscreen
  • Top 10's

Copyright © 2026 · RUP KOTHON · All rights reserved ®