• Skip to primary navigation
  • Skip to main content
  • Skip to primary sidebar

রূপকথন

Healthier Lifestyljhhe Choices

  • Facebook
  • Home
  • Shop
  • Blog
    • মেকআপ
      • ব্রাইডাল মেকআপ
      • সেলিব্রিটি মেকআপ
      • চোখের সাজসজ্জা
      • মুখের রূপসজ্জা
      • লিপ মেকআপ
      • মেকআপের ধারণা
      • মেহেদী ডিজাইন
      • নখের ডিজাইন
    • চুলের যত্ন
    • ত্বকের যত্ন
    • চুল স্টাইল
    • স্বাস্থ্য ও সুখ
      • ফিটনেস
      • স্বাস্থ্যকর খাবার
      • ওজন বৃদ্ধি
      • ওজন কমানো
      • যোগ ব্যায়াম
      • ডায়েট টিপস
      • আয়ুর্বেদ
  • Contact Us
Home » গর্ভাবস্থায় ঠান্ডার জন্য সবচেয়ে কার্যকরী ৭টি ঘরোয়া প্রতিকার

গর্ভাবস্থায় ঠান্ডার জন্য সবচেয়ে কার্যকরী ৭টি ঘরোয়া প্রতিকার

by রূপকথন ডেস্ক

গর্ভাবস্থায় সর্দি-কাশির ঘরোয়া প্রতিকারগুলি আপনাকে অন্যান্য ঠান্ডাজনিত মারাত্মক সমস্যা গুলো থেকে রক্ষা করবে । এ সময় সব ধরণের ওষুধ খাওয়া যায় না , তাই তখন এই ঘরোয়া প্রতিকারগুলি কার্যকর। গর্ভাবস্থায় সর্দি বেশ অস্বস্তিকর হতে পারে কেননা তখন নিয়মিত হরমোন এবং শারীরিক পরিবর্তন হয়। এটা প্রায়ই বলা হয় যে গর্ভবতী মহিলারা ঠান্ডা এবং সর্দিতে বেশি আক্রান্ত হওয়ার আশংকা থাকে ।

গর্ভাবস্থায় ঠান্ডার জন্য সবচেয়ে কার্যকরী ঘরোয়া প্রতিকার

সর্দি-কাশির সাধারণ লক্ষণগুলি কী এবং সর্দি-কাশির উপসর্গগুলি মোকাবেলায় আপনি কী ঘরোয়া প্রতিকার এবং ওষুধ ব্যবহার করতে পারেন তা নিচের লিখনিতে তুলে ধরা হল৷

এই লিখাটি পড়ে আপনি জানতে পারবেন-

  • ঠান্ডা এবং এর লক্ষণগুলি বোঝা
  • কেন গর্ভাবস্থায় ঠান্ডা আপনাকে বেশি আক্রমণ করে ?
  • গর্ভাবস্থায় ঠান্ডার জন্য ৭টি সবচেয়ে কার্যকরী ঘরোয়া প্রতিকার
  • কখন একজন ডাক্তারকে দেখতে হবে
  • অন্যান্য বিকল্প চিকিৎসা 
  • কিভাবে গর্ভাবস্থায় ঠান্ডা প্রতিরোধ করবেন

ঠান্ডা এবং এর লক্ষণগুলি বোঝা (Understanding Cold And Its Symptoms)

সাধারণ সর্দি হল উপরের শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ যা কিছু নির্দিষ্ট ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট হয় যার বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ততটা দীর্ঘস্থায়ী হয় না। ফলে মানুষ বারবার ওই ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। সিডিসি অনুসারে, সাধারণ ঠান্ডা প্রতি বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, লক্ষ লক্ষ ব্যক্তিকে আক্রান্ত  করে ।

নিচে উল্লেখিত ভাইরাসগুলা সহ ২০০ টিরও বেশি বিভিন্ন ধরণের ভাইরাস রয়েছে যা ঠান্ডা লাগার কারণ হতে পারে:

  • মানব রাইনোভাইরাস
  • করোনাভাইরাস
  • হিউম্যান প্যারাইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস (এইচপিভি)
  • শ্বাসযন্ত্রের সিনসিশিয়াল ভাইরাস (RSV)
  • অ্যাডেনোভাইরাস

সাধারণ সর্দির লক্ষণগুলির মধ্যে নিম্নলিখিতগুলি উল্লেখযোগ্য ভাবে দেখা যায়-

  • ঘামাচি বা গলা ব্যথা
  • নাক বন্ধ
  • সর্দি
  • হাঁচি
  • কাশি
  • ক্লান্তি
  • হালকা জ্বর যা 100℉ এর কম

গড়ে, প্রাপ্তবয়স্করা বছরে দুবার বা তিনবার এবং বাচ্চারা আরও ঘন ঘন ঠান্ডায় আক্রান্ত হয়। গর্ভাবস্থায় ঠান্ডাও সাধারণ। কেন এটি গর্ভাবস্থায় হয়ে থাকে , চলুন তা জেনে নেই।

কেন গর্ভাবস্থায় ঠান্ডা আপনাকে বেশি আক্রান্ত করে? (Why Do You Catch A Cold During Pregnancy?)

গর্ভাবস্থায় আপনার ঠাণ্ডা লাগার প্রবণতা বেশি কারণ আপনার ইমিউন সিস্টেম তখন একদমই কম কার্যকর থাকে। আপনি যখন গর্ভবতী হন, আপনার শরীরের প্রাকৃতিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা ক্রমবর্ধমান ভ্রূণকে, ভাইরাস থেকে আলাদা করতে পারে না ফলে অ্যান্টিবডির মাধ্যমে ভ্রূণকে সুরক্ষিত করতে চায় ।যাতে ভ্রূণ এই ধরনের আক্রমণের বিরুদ্ধে নিরাপদ থাকে, ইমিউন সিস্টেম তার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কমিয়ে দেয়। যাইহোক, যদিও এই ইমিউনোসপ্রেশন ভ্রূণকে ভিতরের আক্রমণ থেকে রক্ষা করে, এটি আপনাকে ভাইরাল সংক্রমণ যেমন ঠান্ডা এবং সর্দিতে আক্রান্ত হতে আরও সক্ষম করে তোলে। যখন ভাইরাসটি গর্ভাশয়ে পৌঁছাতে পারে না, আপনি সর্দি-কাশির সাথে সম্পর্কিত সমস্ত লক্ষণ আপনার দেখা দিবে যার ফলে আপনি অস্বস্তি অনুভব করতে পারেন। তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক গর্ভাবস্থায় সর্দি-কাশির সহজ ঘরোয়া প্রতিকারের মাধ্যমে আপনি কীভাবে কিছুটা আরাম পেতে পারেন।

গর্ভাবস্থায় ঠান্ডার জন্য ৭টি সবচেয়ে কার্যকরী ঘরোয়া প্রতিকার (7 Most Effective Home Remedies For Cold During Pregnancy):

হাইড্রেশন (Hydration):

গর্ভাবস্থায় হাইড্রেটেড থাকা গুরুত্বপূর্ণ এবং এই সময়ের মধ্যে আপনার সর্দি লাগলে হাইড্রেটেড থাকা আরও গুরুত্বপূর্ণ। হাইড্রেশন শ্লেষ্মা বা কফ পাতলা করতে এবং কমাতে সাহায্য করে । এছাড়াও, একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে উষ্ণ তরল পানি পান করলে নাক দিয়ে পানি পড়া, গলা ব্যথা, ঠাণ্ডা, ক্লান্তি, হাঁচি এবং কাশি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। অন্যদিকে, ঘরের তাপমাত্রায় পানীয় শুধুমাত্র সর্দি, কাশি এবং হাঁচি থেকে মুক্তি দিতে পারে । আপনি পর্যাপ্ত পরিমাণে হাইড্রেটেড থাকতে পারেন এবং ৮-১০ কাপ কুসুম/গরম পানি এবং অন্যান্য উষ্ণ পানীয় পান করে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া থেকে আরাম পেতে পারেন।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস (Immune-boosting Micronutrients):

ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি, ভিটামিন ই, আয়রন, সেলেনিয়াম এবং জিঙ্কের মত মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টগুলি আপনাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করে এবং ইমিউন সিস্টেমকে বুস্ট করে যা আপনার অসুস্থতাকে কমিয়ে দিতে সাহায্য করে । বিভিন্ন গবেষণা পরামর্শ দেয় যে ভিটামিন সি, ভিটামিন ডি, এবং জিঙ্ক ঠান্ডার স্থায়িত্ব কমাতে এবং এর  তীব্রতা কমাতে সবচেয়ে কার্যকরি ভূমিকা পালন করে । আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করার পরে আপনি একটি  ভিটামিন বেছে নিতে পারেন যাতে সমস্ত প্রয়োজনীয় মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট অন্তর্ভুক্ত থাকে। আপনি গাজর, বেলপেপার, কুমড়ার বীজ, স্ট্রবেরি, আম, কলার্ড গ্রিনস, ক্যান্টালুপস, ব্রাসেল স্প্রাউট এবং অ্যাসপারাগাসের মতো পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার খেয়েও এগুলি পেতে পারেন।

মুরগির স্যুপ (Chicken Soup):

চিকেন স্যুপ অনেক আগে থেকেই ঠান্ডার চিকিৎসার জন্য একটি জনপ্রিয় ঘরোয়া প্রতিষেধক হিসাবে ব্যবহৃত হয়। একটি গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, মুরগির স্যুপ নির্দিষ্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাধা দেয়, যা সাধারণ সর্দি-কাশির উপসর্গগুলিকে হ্রাস করতে সাহায্য করে । সর্দি কাশিতে আক্রান্ত ব্যক্তির উপর গরম পানীয় কতটুকু প্রভাব ফেলে তার একটি পরীক্ষা থেকে দেখা যায় যে, যে গরম মুরগির স্যুপ নাক বন্ধ হয়ে থাকা দূর করতে সবচেয়ে কার্যকর ছিল।

আনারসের রস (Pineapple Juice):

আনারসে উপস্থিত একটি সক্রিয় উপাদান ব্রোমেলিনের,জ্বালা পোড়া কমানোর শক্তি রয়েছে। এর মানে হল যে এটি গলা ব্যথা এবং শ্বাসনালীতে জমাট বাঁধা দূর করতে সাহায্য করতে পারে। প্রথাগত, আনারসের রসের কাশির রেসিপিটিতে লবণ, মরিচ এবং মধুর মতো আরও কয়েকটি উপাদান রয়েছে। এটি তৈরি করতে, এক কাপ আনারসের রসে এক চিমটি লবণ এবং গোলমরিচ যোগ করুন এবং এক টেবিল চামচ মধু দিয়ে নাড়ুন।

আদা (Ginger):

gingerols এবং shogaols এর মত সক্রিয় যৌগগুলির সাথে, আদা একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি, অ্যান্টিভাইরাল, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান হিসেবে কাজ করে। আদা কীভাবে ঠান্ডার উপসর্গগুলি থেকে মুক্তি দেয় তা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আরও গবেষণা প্রয়োজন। এটি কাশি এবং ঠান্ডার প্রতিকার হিসাবে প্রচলিত ওষুধগুলিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। আপনি লবণের ছিটিয়ে বা এক ফোঁটা মধু দিয়ে এক টুকরো আদা চিবাতে পারেন । আপনি এক কাপ পানিতে  টুকরো টুকরো করে আদা সিদ্ধ করে আদা চা বানাতে পারেন।

হলুদ (Turmeric):

আদার মতো হলুদও ঐতিহ্যগতভাবে কাশি, সর্দি এবং জ্বালাপোড়ার প্রতিকার হিসাবে ব্যবহৃত হয়। হলুদের প্রধান সক্রিয় উপাদান কারকিউমিন, একটি শক্তিশালী অ্যান্টিভাইরাল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এর শক্তিশালী ইমিউন ফাংশন সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করতে পারে,এছাড়াও খুসখুসে গলার সমস্যা দূর করতে পারে এবং নাক বন্ধ করতে পারে। আপনি একটি প্রশান্তিদায়ক পানীয়ের জন্য এক গ্লাস উষ্ণ দুধে এক চা চামচ হলুদ গুঁড়ো এবং এক চিমটি গোলমরিচ যোগ করতে পারেন। এছাড়াও এক গ্লাস গরম পানি এবং আধা চা চামচ লবণ এবং হলুদ গুঁড়ো ব্যবহার করে একটি হলুদ লবণ-পানি গারগল করতে পারেন ।

বিশ্রাম (Rest):

এক গবেষণায় দেখা যায় যে, যে কম মাত্রার ঘুম ইমিউন সিস্টেমকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে এবং উপরের শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ সহ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে ফেলে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, অর্থাৎ, ৭ থেকে ৯ ঘন্টা ঘুম, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং বিদ্যমান সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করতে পারে। একটি বা দুটি বালিশ দিয়ে আপনার মাথা উঁচু করুন যাতে ঘুমানো সহজ হয়। আপনি যদি ঘন ঘন রাত জেগে থাকেন তবে আরও বেশি পরিমান ঘুমাতে, তাড়াতাড়ি বিছানায় যাওয়ার চেষ্টা করুন। সাধারণ সর্দি কাশি ছাড়াও এমনভাবে অসুস্থতা থাকতে পারে যেখানে আপনাকে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। আসুন সেগুলি কী তা দেখে নেওয়া যাক।

কখন একজন ডাক্তারকে দেখতে হবে (When To See A Doctor):

আপনি যদি দেখেন যে আপনার লক্ষণগুলি ১০ দিন পরেও ভাল হচ্ছে না বা আরো খারাপ হচ্ছে, আপনি আপনার ডাক্তারের এর সাথে কথা বলতে পারেন। যাইহোক, যদি আপনি flu এর মতো  উপসর্গগুলি অনুভব করেন, আপনার অবিলম্বে আপনার ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা উচিত।  

কিছু লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে—

  • উচ্চ জ্বর (তাপমাত্রা 100.4 ℉ উপরে)
  • ঠাণ্ডা
  • শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া
  • বিভ্রান্তি
  • মাথা ঘোরা
  • বমি

রোগ নির্ণয়ের পরে, আপনার ডাক্তার উপযুক্ত এবং গর্ভাবস্থায়  নিরাপদ ওষুধ লিখে দেবেন। 

অন্যান্য বিকল্প চিকিৎসা (Other Treatment Options):

গর্ভাবস্থায় সর্দি-কাশির জন্য নিজে নিজে ওষুধ বেছে নেওয়ার আগে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে- 

  • Acetaminophen (সাধারণত Tylenol হিসাবে পাওয়া যায়) একটি ব্যথা উপশমকারী এবং জ্বরে সাহায্য করে। এটি গর্ভাবস্থায় নিরাপদ বলে মনে করা হয়। অ্যাসপিরিন, আরেকটি ব্যথা উপশমকারী যা গর্ভাবস্থায় এড়ানো উচিত।
  • কাশি দমনকারী ওষুধগুলি যেমন ডেক্সট্রোমেথরফান এবং গুয়াইফেনেসিন গর্ভাবস্থায় নিরাপদ হতে পারে। তারপরেও, আপনার কেবল শেষ অবলম্বন হিসাবে ব্যবহার করা উচিত কারণ এই কাশি ওষুধের অন্যান্য উপাদানগুলি এমন নাও হতে পারে।
  • স্যালাইন ,নাকের  স্প্রে এবং নাকের স্ট্রিপগুলি নাকের জমাট বাধা থেকে মুক্তি পেতে নিরাপদে ব্যবহার করা যেতে পারে। এগুলি ডিকনজেস্ট্যান্টগুলির একটি নিরাপদ বিকল্প।   
  • সর্দি থেকে হাঁচি এবং নাক দিয়ে পানি পড়া, অ্যান্টিহিস্টামাইন যেমন ডিফেনহাইড্রাইমাইন (বেনাড্রিল), লোরাটাডিন (ক্লারিটিন), ক্লোরফেনিরামিন (ক্লোরট্রাইমেটন) এবং সেটিরিজিন (জাইরেটেক) ব্যবহার করে উপশম করা যেতে পারে।
  • যেহেতু গর্ভাবস্থায় ওষুধ খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ সর্দি অত্যন্ত অস্বস্তিকর হতে পারে, তাই ঠান্ডা সর্দি যাতে না হয়, সেটি মাথায় রেখে চলাই শ্রেয়।

কিভাবে গর্ভাবস্থায় ঠান্ডা প্রতিরোধ করবেন (How To Prevent Cold During Pregnancy):

আপনি গর্ভবতী থাকাকালীন সাধারণ সর্দি হওয়ার ঝুঁকি কমাতে, এই টিপসগুলি অনুসরণ করুন:

  • ঘন ঘন আপনার হাত সাবান এবং পানি  দিয়ে ২০ সেকেন্ডের জন্য ধুয়ে ফেলুন বা অ্যালকোহলজাতীয়  হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন।
  • না ধোয়া হাতে মুখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন।
  • যারা অসুস্থ তাদের থেকে দূরে থাকুন।
  • একটিভ থাকুন কারণ হালকা থেকে মাঝারি গর্ভাবস্থা-নিরাপদ ব্যায়াম, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে ।
  • স্বাস্থ্যকরভাবে খান এবং ভালভাবে বিশ্রাম নিন।

সর্দি গর্ভাবস্থায় বেশ সাধারণ একটি সমস্যা এবং এটি নিজেই পরিত্রানযোগ্য হওয়ার কারণে সাধারণত খুব বেশি চিন্তার কারণ নেই । কিন্তু , এটি বিরক্তিকর হতে পারে, তাই আপনি গর্ভাবস্থায় ঠান্ডার উপসর্গগুলি কমানোর জন্য ঘরোয়া প্রতিকার ব্যবহার করতে পারেন যেমন আদা, হলুদ এবং মুরগির স্যুপ। যদিও অনেক ওষুধ গর্ভাবস্থায় অনিরাপদ, আপনি ব্যথা এবং জ্বর নিরাময়ে অ্যাসিটামিনোফেন নিতে পারেন। এটি এখনও অত্যন্ত বাঞ্ছনীয় যে আপনি কোনও ওষুধ খাওয়ার আগে আপনার ডাক্তারের এর সাথে পরামর্শ করুন। কিন্তু খুব বেশি বা আকস্মিক জ্বর flu  বা অন্যান্য চিকিৎসা জটিলতার ইঙ্গিত হতে পারে, তাই আপনার অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত ঠাণ্ডা লেগে যাওয়াকে পুরোপুরি এড়িয়ে চলাই ভালো, তাই ভালো করে ঘুমান এবং খান, হাত ধোয়ার রুটিন অভ্যাস করুন এবং যাদের সংস্পর্শে সর্দি হতে পারে তাদের থেকে আপনার দূরত্ব বজায় রাখুন।

Facebook Comments

Filed Under: HEALTH & WELLNESS (স্বাস্থ্য ও সুস্থতা)

About রূপকথন ডেস্ক

মেকআপ, চুলের যত্ন, ত্বকের যত্ন, চুল স্টাইল, স্বাস্থ্য ইত্যাদি সম্পৰ্কে জানতে আমাদের নিয়মিত ব্লগ গুলো পড়ুন। আমাদের ব্লগে লিখতে চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

Primary Sidebar

সাম্প্রতিক লেখা

১৬টি সেরা খাবার সকালবেলার দৌড়ের পর খাওয়ার জন্য – পোস্ট-রান রিকভারি পুষ্টি

ওজন কমাতে সেরা ২০টি ডিটক্স স্মুদি: উপাদান, প্রস্তুতি ও উপকারিতা

সহজে হজম হয় এমন ১৬টি হালকা খাবারের রেসিপি

Low FODMAP Diet: ৩ ধাপের পরিকল্পনা ও কোন খাবার খাবেন, কোনটা এড়িয়ে চলবেন

প্যালিও ডায়েট: উপকারিতা, ঝুঁকি ও ৭ দিনের খাবার পরিকল্পনা

বিভাগ সমূহ

  • Fashion
  • HAIR CARE (চুলের যত্ন)
    • Basic Hair Care (বেসিক হেয়ার কেয়ার)
    • Dandruff (খুশকি)
    • Dry Hair Care (শুকনো হেয়ার কেয়ার)
    • Hair Care Ideas
    • Hair Fall ( চুল পড়া)
    • Hair Growth ( চুল বৃদ্ধি)
    • Hair Treatment (চুল চিকিৎসা)
    • Oily Hair Care ( তৈলাক্ত চুলের যত্ন)
  • HEALTH & WELLNESS (স্বাস্থ্য ও সুস্থতা)
    • Diet Tips
    • Fitness
    • Healthy Food
    • Home Remedies
    • Ingredients and Uses
    • Nutrition (পুষ্টি)
    • Weight Gain
    • Weight Loss (ওয়েট লস)
  • Lifestyle (জীবনযাপন )
  • MAKEUP (মেকআপ)
    • Bridal Makeup (ব্রাইডাল মেকআপ)
    • Eye Makeup (চোখের সাজসজ্জা)
    • Lip Make up (লিপ আপ করুন)
  • SKIN CARE (ত্বকের যত্ন)
    • Acne
    • Anti Ageing
    • Beauty Secrets
    • Dry Skin
    • Face Care Tips
    • Face Packs and Masks
    • Glowing skin
    • Homemade Tips
    • Oily Skin
    • Skin Care Ideas
    • Skin Care Problems
    • Sunscreen
  • Top 10's

Copyright © 2026 · RUP KOTHON · All rights reserved ®